
পঞ্চগড় প্রতিনিধি : পঞ্চগড় বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় কাঁচাবাজার ও মাছ-মাংসের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ শুক্রবার ১০ জুলাই পঞ্চগড় কাঁচা বাজার, ও মাংস বাজারে ঘুরে দেখা যায় ক্রেতাদের আনাগোনা। পঞ্চগড়ে টানা কয়েকদিন মাঝারি ও গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির কারণে সবজি ও কাঁচা বাজারে কিছুটা দামের প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে সবজির বাজারে ঘুরে দেখা যায় কাঁচা মরিচ ,টমেটো ,বেগুন ,আলু, পটল, ঢেঁড়স, পুইশাক, এছাড়াও অন্যান্য শাকসবজির মধ্যে দামের পার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে।
আব্দুল হালিম বাজার করতে আসা একটা ক্রেতার সাথে কথা হলে তিনি এ প্রতিনিধ কে জানান, বাজারে অনেক কিছুর দাম বেড়েছে বিশেষ করে কাঁচা মরিচ, পটল, পিয়াজ, আলু, দাম বৃদ্ধি আছে , আমরা নিম্নয়ের মানুষ আমাদের পক্ষে এত দাম দিয়ে কেনা সম্ভব হচ্ছে না কিন্তু কি করব তারপরও পরিবার সংসার আছে আমাদের চালাইতে হয়। অপরদিকে, মুরগির বাজারে ও মাছ কিনতে আসা অটোচালক সাজু সাথে কথা বলে তিনি বলেন , দেশি মুরগি, ও সোনালী মুরগি,ও মাছের দাম কয়েক দিনের ব্যবধানে অনেক বেড়েছে কেজিতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেশি দামে নিতে হচ্ছে যেটা আগামী সপ্তাহেও এত দাম ছিল না। আমরা খেটে খাওয়া মানুষ বাজারে এই দাম নিয়ে কেনা আমাদের খুব কষ্টসাধ্য হয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন ,বাজার এভাবে চলতে থাকলে সংসার চালাতে হিমশিমে পড়ে যাবো, সে আরো বলেন কয়েকদিনের বৃষ্টির কারণে আমাদের অটো চালাতে কষ্ট হয় প্যাসেঞ্জার পাইনা ৫০০ টাকা ইনকাম করতে অনেক পরিশ্রম হয় সেই সাথে বাজার বৃদ্ধি এক মরার উপর খাড়ার ঘা। বাজার করতে আসা রহিমা বেগম বাজার করতে এসে হতাশার কথা বলে তিনি বলেন, সব কিছুর দাম বৃদ্ধি আমাদের যেন দেখার কেউ নেই। দুই থেকে তিনটা বাজার নিলাম তাতেই ৩০০ টাকা চলে গেল।সাদ আছে সাধ্য নেই আরও দুটি বাজার কেনার এভাবে তিনি আরো অনেক হতাশার কথা বলেন।
বাজারের এই অনিয়ন্ত্রিত দরপতন নিয়ে ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে তারা জানান, কয়েকদিনের গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি সাথে বাইরে থেকে ট্রাকে করে আসার কিছুটা ব্যাঘাত , তাই কিছু কিছু জিনিসে ১০ থেকে ৫ টাকা দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরদিকে স্থানীয় যারা কৃষি সাথে জড়িত, আশানুরূপ ভালো ফসল শাকসবজি তারা বৈরী আবহাওয়ার কারণে ফসলের বিপর্যয় ঘটেছে বলে তারা জানান। তারা আরো বলেন বাজার কয়েক দিনের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন ,বৃষ্টি কম হলে আকাশ পরিস্কার হলে তারা অনায়াসে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে মধ্যে আসবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।#