1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
অবহেলায় স্কুলের শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পন করা হয়নি, দায়ভার নিয়ে প্রশ? - দৈনিক সবুজ নগর
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
রাজশাহীর উন্নয়নে রাসিক প্রশাসকের পাশে থাকার আশ্বাস ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের বাংলাদেশে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট: কারণ, প্রভাব ও উত্তরণের পথ সারিয়াকান্দিতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ঢাকতে পছন্দের সভাপতি সুপারিশের অভিযোগ রহনপুর-আড্ডা সড়কে অটো রাইস মিলের নির্মাণসামগ্রী, চরম ঝুঁকিতে যানবাহন ও পথচারী ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা শেখ হাসিনার: রয়টার্স ফেসবুক-ইমো হ্যাকিং চক্রের ৫ সদস্যকে আটক করল লালপুর থানা পুলিশ আত্রাইয়ের নতুন এসিল্যান্ড আতিকুর রহমান, ভূমিসেবা সহজ করার প্রত্যয় ভোলার গ্যাস দিয়ে হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন: তবুও লোডশেডিংয়ে নাকাল ভোলাবাসী রাসিকের সার্বিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে গঠিত কমিটির ১৪তম সভা অনুষ্ঠিত গোদাগাড়ীর গর্বিত পরিবারের আরও এক সদস্য সাবেক আইজিপি ড. এম. এনামুল হক আর নেই

অবহেলায় স্কুলের শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পন করা হয়নি, দায়ভার নিয়ে প্রশ?

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৭৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ বিশেষ প্রতিনিধি: ফেব্রুয়ারি এলেই ‘আলোচনায় আসে’ শহীদ মিনার ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি। এই মাস এলেই বাংলা ভাষা নিয়ে চলে নানা ধরনের আয়োজন, আলোচনা, সমালোচনা। তার সঙ্গে পরিচর্যা শুরু হয় শহীদ মিনারগুলোর। বাঙালির গর্ব, অহঙ্কার, জাতীয়তার প্রতীক শহীদ মিনার। কোথাও আবার পড়ে থাকে অযত্ন অবহেলায়। এরকম একটি শহীদ মিনার ছিল রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পারশাওতা-বিনোদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে। চকচকে অবকাঠামোর শহীদ মিনারটি পড়ে ছিল শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন ছাড়াই।

উপজেলার মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদদের স্বরণে নির্মিত শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুস্পস্তবক অর্পন করলেও পারশাওতা-বিনোদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে কেহ পুস্পস্তবক অর্পন করেননি। এনিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন উঠেছে এর দায়ভার কার? এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্কুলের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) জুয়েল আহমেদ বলেন, জাতীয় পতাকা অর্ধনিমিত ভাবে উত্তোলনের নির্দেশ থাকলেও শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পনের নির্দেশ ছিলনা। তাকে প্রশ্ন করা হয় তাহলে লক্ষ টাকা ব্যয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কেন শহীদ মিনার নির্মাণ করা হলো এবং বিগত বছরগুলোতে কিভাবে পুস্পস্তবক করা হয়েছে? জবাবে বলেন রাজনৈতিকভাবে করেছে। তবে শহীদ মিনার নির্মাণের ব্যাপারে কোন সতুত্তোর পাওয়া যায়নি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মাহমুদুর রহমান বলেন, শহীদদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠোনে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়েছে। সব কিছু নির্দেশনা মেনেই হয়না। এর পরেও আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক উপজেলার প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যথাযথ মর্যদায় দিবসটি উদযাপনের কথা বলা হয়েছে। শিষ্টাচার মেনে রহমতুল্লাহ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, শাহদৌলা সরকারি কলেজসহ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পন, আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক আব্দুল হানিফ বলেন, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার বছরের পর বছর আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারিকে। স্মৃতির পটে ভেসে ওঠে শান্তিপ্রিয় নিরস্ত্র সেই কয়েকজন সাহসী তরুণের মুখচ্ছবি, যারা সেদিন নিজেদের মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় ব্রতী ছিলেন। শাহদৌলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমাদের দেশপ্রেমের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ শহীদ মিনারের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা। শুধু ভাষার মাসেই নয়, সবসময় শহীদ মিনার পরিষ্কার রাখা ও পবিত্রতা রক্ষা সবার দায়িত্ব।

উপজেলা নির্বাহি অফিসার শাম্মী আক্তার বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পনের বিষয়ে কোন নিষেধ ছিলনা । আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উদযাপন উপলক্ষে কর্মসূচির মধ্যে ছিল- একুশের প্রথম প্রহরে ১২ টা ১মিনিটে ভাষা শহীদদের স্বরণে শহীদ মিনারে প্রস্পস্তবক অর্পন, সুর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি-আধাসরকারি,বেসকরকারি,স্বায়তশাসিত ভবন,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনিমিতভাবে উত্তোলন, ‘একুশ জাতীয় জাগরনের প্রেরনা’ শীর্ষক আলোচনা সভা,সকল মসজিদ-মন্দির,গীর্জা,প্যাগোডা ও অন্যান্য উপসালয়ে ভাষা শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত /প্রার্থনা। #

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট