1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
রাসিক প্রশাসকের সাথে নারী উদ্যোক্তা সমাজ কল্যাণ সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন দই, মিষ্টি ও ঘি বিক্রেতাকে জরিমানা চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎ এর লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন,বিঘ্ন ঘটছে কৃষি   ও কলকারখানাতেও রাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্ত্রী অপহরণ-হত্যাচেষ্টার মামলা: ১৭ দিনেও গ্রেফতার নন অভিযুক্ত রাজশাহীতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ সমাবেশ ডিবি পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজি করতে এসে জনতার হাতে ধরা   মির্জাপুরে এক নারীর সঙ্গে আলতাব হোসেনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখার ঘটনায় চাকরি থেকে বরখাস্ত রাজশাহীতে পাঁচ দিনব্যাপী রাজশাহীর উদ্যোক্তা মেলার সমাপনী অনুষ্ঠিত জুলাই বিপ্লবী রাজশাহীর শহীদ রায়হান-সাকিব হত্যার বিচার দুই বছরেও হয়নি, নেই মামলার ভাল অগ্রগতি লালপুরে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় আটক ২

শিবগঞ্জে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ-হলুদের বীজ ও সার বিতরণ

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৩০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
Oplus_131072

৥ বিশেষ প্রতিনিধি, শিবগঞ্জ : ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ ও হলুদের আবাদ এবং উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সারসহ উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে উপজেলা কৃষি অফিসের সামনে এসব বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক আহমেদ।

এ সময় তিনি বলেন, গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে দেশের আমদানি নির্ভরতা কমবে এবং কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন। এ ধরনের প্রণোদনা কর্মসূচি কৃষকদের আধুনিক ও লাভজনক চাষাবাদে উৎসাহিত করবে। পাশাপাশি উপকরণগুলো সঠিকভাবে ব্যবহারের ওপর জোর দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নয়ন মিয়া, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার সরকার, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শাহাদৎ হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আবদুল্লা আল আজাদী ও উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা শাহিন আকতার প্রমূখ।

শেষে উপজেলার ২০ কৃষককের প্রত্যেককে ১ কেজি পেঁয়াজ বীজ (কন্দ), ২৫ কেজি ইউরিয়া, ২৫ কেজি ডিএপি, ২৫ কেজি এমওপি, ২৫ কেজি জিপসাম, ১ কেজি জিংক, ১ কেজি বোরন, ২০০ কেজি জৈব সার, ৭ কেজি বালাইনাশক (কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক), একটি সাইনবোর্ড এবং ৩০ কৃষককের প্রত্যেককে হলুদের বীজ ১০০ কেজি, ৫ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার দেয়া হয়।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট