1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
Best Online Casino Australia mobile app review: seamless gameplay and secure banking options চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্যে জিম্মি জনজীবন ও অর্থনীতি: দেশজুড়ে বাড়ছে উদ্বেগ Step-by-step guide to starting your journey at PayID Pokies Australia in 2026 আত্রাইয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড শিবগঞ্জে নিখোঁজের ৫ দিন পর আখক্ষেত থেকে অটোচালকের লাশ উদ্ধার ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪; মহাসড়ক ৩ ঘণ্টা অবরুদ্ধ শাহমখদুমে ৫৩ লিটার দেশীয় চোলাই মদ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৫ রাজশাহী সীমান্তে বিজিবির অভিযান: বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক জব্দ বাঘায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনসহ ৮ মামলার আসামি আওয়ামী লীগ কর্মী গ্রেপ্তার ৬৪ জেলা সাইকেলে ঘোরার স্বপ্ন দেখা মুন্নাকে খুলনা আর্ট একাডেমি পরিবারের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির পদত্যাগ দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৬৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ নাজিম হাসান,রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:
রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. জাওয়াদুল হকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন রাজশাহীর ছাত্র-জনতার একটি অংশ। আজ সোমবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মসূচিতে বক্তারা অভিযোগ করেন, উপাচার্য দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রকল্প ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অনিয়ম ও দুর্নীতি সংঘটিত হয়েছে। তাঁদের দাবি, কোনো টেন্ডার ছাড়াই প্রায় দুই কোটি টাকা মূল্যের দুই হাজার গাছ কেটে ফেলা, ১৯ কোটি টাকার পুরোনো ভবন ও সীমানাপ্রাচীর অপসারণে অর্থ আত্মসাৎ, কোটি টাকার আম অস্বাভাবিক কম দামে বিক্রি এবং পুকুর, ফসলি জমি ও দোকান ইজারা দিয়ে আর্থিক অনিয়ম করা হয়েছে। ব

ক্তারা আরও অভিযোগ করেন, ৭৭৭ কোটি টাকার পাঁচটি ভবন নির্মাণ প্রকল্পের টেন্ডারে সরকারি ক্রয়বিধি লঙ্ঘন করে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিতে বিতর্কিত ব্যক্তিদের দিয়ে মূল্যায়ন কমিটি গঠন করা হয়। এছাড়া ঠিকাদারের কাছে ৯ শতাংশ কমিশন দাবি করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ তুলে তাঁরা বলেন, এ কারণে উপাচার্য সামাজিক ও গণমাধ্যমে ‘মিস্টার ৯ পারসেন্ট’ নামে পরিচিতি পান।

সমাবেশে আরও অভিযোগ করা হয়, সম্প্রতি সর্বোচ্চ দরদাতা প্রতিষ্ঠানকে বাদ দিয়ে আইনবহির্ভূতভাবে লিথো ও ওএমআর পেপার সরবরাহের কাজ দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, ইউজিসির নীতিমালা ও সরকারি বিধি উপেক্ষা করে নিয়োগ বাণিজ্য চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন বক্তারা। তাঁদের অভিযোগ, ৯ম গ্রেডের সেকশন অফিসার নাজমুল হোসেনকে নিয়মবহির্ভূতভাবে ৫ম গ্রেডের ব্যক্তিগত সচিব (পিএস) পদসহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও অবসরপ্রাপ্ত কয়েকজন কর্মকর্তাকে রেজিস্ট্রার, কলেজ পরিদর্শক ও পরিচালকসহ নয়টি উচ্চ পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আইন লঙ্ঘন করে কলেজ পরিদর্শককে ডিনের দায়িত্ব দেওয়ারও অভিযোগ তোলেন তাঁরা।

বক্তারা বাস্তবায়ন তদারকি ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমানাপ্রাচীর, গেট নির্মাণ এবং বালু ও মাটি ভরাটের কাজে কারিগরি ত্রুটি ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি উপাচার্য ও তাঁর পরিবারের নামে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান আন্দোলনকারীরা।

Open photo

বক্তারা আরও দাবি করেন, বিগত সরকারের সময় চিকিৎসক সংগঠন স্বাচিপের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তিনি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। পরবর্তীতে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর লবিংয়ের মাধ্যমে উপাচার্যের পদ লাভ করেন বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা। সমাবেশ থেকে উপাচার্যের অবিলম্বে পদত্যাগ, তাঁর আমলে দেওয়া কথিত অবৈধ নিয়োগ বাতিল এবং সব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।

বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, ৭৭৭ কোটি টাকার পাঁচটি ভবন নির্মাণ প্রকল্পের টেন্ডারে সরকারি ক্রয়বিধি লঙ্ঘন করে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিতে বিতর্কিত ব্যক্তিদের দিয়ে মূল্যায়ন কমিটি গঠন করা হয়। এছাড়া ঠিকাদারের কাছে ৯ শতাংশ কমিশন দাবি করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ তুলে তাঁরা বলেন, এ কারণে উপাচার্য সামাজিক ও গণমাধ্যমে ‘মিস্টার ৯ পারসেন্ট’ নামে পরিচিতি পান। সমাবেশে আরও অভিযোগ করা হয়, সম্প্রতি সর্বোচ্চ দরদাতা প্রতিষ্ঠানকে বাদ দিয়ে আইনবহির্ভূতভাবে লিথো ও ওএমআর পেপার সরবরাহের কাজ দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, ইউজিসির নীতিমালা ও সরকারি বিধি উপেক্ষা করে নিয়োগ বাণিজ্য চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন বক্তারা। তাঁদের অভিযোগ, ৯ম গ্রেডের সেকশন অফিসার নাজমুল হোসেনকে নিয়মবহির্ভূতভাবে ৫ম গ্রেডের ব্যক্তিগত সচিব (পিএস) পদসহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও অবসরপ্রাপ্ত কয়েকজন কর্মকর্তাকে রেজিস্ট্রার, কলেজ পরিদর্শক ও পরিচালকসহ নয়টি উচ্চ পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আইন লঙ্ঘন করে কলেজ পরিদর্শককে ডিনের দায়িত্ব দেওয়ারও অভিযোগ তোলেন তাঁরা।

বক্তারা বাস্তবায়ন তদারকি ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমানাপ্রাচীর, গেট নির্মাণ এবং বালু ও মাটি ভরাটের কাজে কারিগরি ত্রুটি ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি উপাচার্য ও তাঁর পরিবারের নামে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান আন্দোলনকারীরা।

বক্তারা আরও দাবি করেন, বিগত সরকারের সময় চিকিৎসক সংগঠন স্বাচিপের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তিনি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। পরবর্তীতে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর লবিংয়ের মাধ্যমে উপাচার্যের পদ লাভ করেন বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা। সমাবেশ থেকে উপাচার্যের অবিলম্বে পদত্যাগ, তাঁর আমলে দেওয়া কথিত অবৈধ নিয়োগ বাতিল এবং সব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।

এসময় অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল হুদা, পশ্চিম বোয়ালিয়া থানা বিএনপির সভাপতি শামসুল হোসেন মিলু, রাজশাহী মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক শরফুজ্জামান সামিম, মহানগর তাঁতী দলের সভাপতি মো. কাজলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট