1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
নাটোরের লালপুরে পদ্মা নদীতে অবৈধ ভাবে বালু-ভরাট উত্তোলনে ৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি - দৈনিক সবুজ নগর
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
খুলনায় পুলিশ পরিদর্শককে কুপিয়ে জখমের মূল পরিকল্পনাকারী স্পিকার মিরাজসহ গ্রেপ্তার ২ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে লৌহজং নদীতে শিশু নিখোঁজ: উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস পোরশায় ৬৩ লাখ টাকার হেরোইনসহ যুবক গ্রেপ্তার ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে কুষ্টিয়ায় ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠক সার ডিলার নিয়োগের অনিয়মের প্রতিবাদ করায় মিথ্যা মামলার অভিযোগ কৃষকদল নেতার আত্রাইয়ে পুলিশ ও জনতার যৌথ তৎপরতায় চোরাই বাইক উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫৭৫টি ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট প্রদান শিবগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত শিবগঞ্জে মাদ্রাসার সুপার ও তাঁর ছেলেকে অবরুদ্ধ করে রাখল এলাকাবাসী, উদ্ধার করল পুলিশ “নজরুলের চেতনা ধারণ করে মানবিক সমাজ গঠন করতে হবে”: আত্রাইয়ে এম‌পি রেজু

নাটোরের লালপুরে পদ্মা নদীতে অবৈধ ভাবে বালু-ভরাট উত্তোলনে ৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৫ জুন, ২০২২
  • ৫২২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ছবি: মোহন

 

# মেহেরুল ইসলাম মোহন লালপুর, নাটোর…………………………………………..

 

নাটোরের লালপুরে পদ্মা নদীর তলদেশ থেকে অবৈধ ভাবে বালু-ভরাট উত্তোলনের সাথে জড়িত থাকার দায়ে নাটোর জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ও সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মতিউর রহমান মতি ওরফে মতি বাঙ্গাল এবং  ঠিকাদার শরিফুল ইসলাম সহ ৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেছে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নাটোর। রবিবার(০৫ই জুন)দুপুরে নাটোরের জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক মোসলেম উদ্দিন পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে শুনানী শেষে ৪(চার)জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানার আদেশ জারি করেন।

 

আগামী ১৮ই জুলাই মামলার পরবর্তী দিন ধার্য্য করা হয়েছে। এর আগে লালপুরের পদ্মা নদীর তলদেশ থেকে অবৈধ ভাবে বালু-ভরাট উত্তোলনের সাথে জড়িত ৪(চার)জনকে অভিযুক্ত করে গত (০২/০৬/২০২২ইং) তারিখে আদালতে ৬ পাতার একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন নাটোর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক নিতাই কুমার সাহা। ৬ পাতার এই তদন্ত প্রতিবেদনে লালপুরের পদ্মা নদীর তলদেশ থেকে অবৈধ ভাবে বালু-ভরাট উত্তোলনের সাথে জড়িত লালপুর উপজেলার ১নং লালপুর ইউনিয়নের বালিতিতা এলাকার স্থানীয় ঠিকাদার শরিফুল ইসলাম, দক্ষিণ লালপুর এলাকার এবং নাটোর জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মতিউর রহমান ওরফে মতি বাঙ্গাল,বনপাড়ার মেসার্স আরাফাত ট্রেডার্সের মালিক ঠিকাদার আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং বড়াইগ্রাম উপজেলার কালিকাপুর এলাকার মোস্তফা বেপারীকে অভিযুক্ত করা হয়।

 

এছাড়াও সরকারী রাস্তা কেটে বালু-ভরাট পরিবহন করায় অন্তত লক্ষাধিক টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে উক্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। উল্লেখ্য যে,গত ১৪/১৫ই মার্চ কয়েকটি জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন পত্রিকায় লালপুরের পদ্মায় ব্যাপক হারে অবৈধ ভাবে উত্তোলন হচ্ছে বালু ভরাট,নিরব প্রশাসন শিরোনামে সংবাদ প্রচার হয়। সংবাদে প্রভাবশালীরা প্রতিদিন অন্তত ৭০টি ড্রাম ট্রাকে করে বালু নিয়ে যাচ্ছে। বালু পরিবহনের জন্য চরের কৃষি জমি নষ্ট করে ৪কিলোমিটার লম্বা রাস্তাও বানানো হয়েছে। বালু উত্তোলনের কারণে আগামী বর্ষায় কৃষি জমি নদীগর্ভে বিলিন হওয়ার আশঙ্কা স্থানীয়দের।

 

ঠিকাদার শরিফুল ইসলাম ও মতিউর রহমান ওরফে মতি বাঙ্গাল অবৈধভাবে বালু উত্তোলণ করছে মর্মেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছিল,এভাবে পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলনের কারণে রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। পরিবর্তন হতে পারে নদীর গতিপথও। এছাড়া ১০ই এপ্রিলে অন্য একটি ওয়েব সাইটের প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, নাটোরের লালপুরে পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলন কোন ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না। রাতের আধারে দিনের পর দিন বালু উত্তোলন করছে প্রভাবশালীরা। কখনও কখনও সরকারি প্রকল্পে বালু ভরাটের নাম করে বালু লিজ ছাড়াই পদ্মা নদী থেকে লাখ লাখ টাকার বালু লুট করে নিচ্ছে প্রভাবশালীরা।

 

এছাড়া রিজভী কনস্ট্রাকশন নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নবীনগর গ্রামে নদীর তীর রক্ষাবাঁধের নিচে ফসলি জমি থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করছে। কোন ধরণের অনুমোদন ছাড়াই গত দেড় মাস ধরে পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলণ করছেন বনপাড়ার ঠিকাদার আব্দুল্লাহ।আর এ বালু উত্তোলনে প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন লালপুরের ঠিকাদার শরিফুল ইসলাম এবং জেলা পরিষদ সদস্য মতিউর রহমান। পরে সংবাদ গুলো গভীর ভাবে বিশ্লেষণ করে স্বপ্রণোদিত হয়ে নাটোরের আদালত আমলে নিয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধানে কারা বালু উত্তোলনের সাথে জড়িত তা খুঁজে বের করার জন্য পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেয় নাটোর আদালত।

 

এছাড়া তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্তকালে আসামীদের সনাক্তকরণ, সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ, ঘটনাস্থলের খসড়া মানচিত্র ও সুচিপত্র প্রস্তুতের পাশাপাশি অবৈধ বালু উত্তোলনের কাছে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি পাওয়া গেলে তা জব্দ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। পরে আদালতের সেই নির্দেশে ১৯শে এপ্রিল দুপুরে নাটোর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর ইন্সপেক্টর ফরিদ উদ্দিন,তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক নিতাইসাহা সহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তদন্তে নামেন।এ সময় তারা আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আসামিদের শনাক্ত, সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ, ঘটনাস্থলের খসড়া মানচিত্র এবং সূচিপত্র প্রস্তুতের কাজ শুরু করেন।#

 

এডিট: আরজা/০৩

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট