1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
কুষ্টিয়ায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগ, প্রতিবেশী দাদা গ্রেপ্তার মান্দায় লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯ রাণীশংকৈলে গণসংবর্ধনায় সিক্ত সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মুকুল  বাঘায় জামায়াত-শিবিরের অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিএনপির পাল্টা বিক্ষোভ মিছিল প্রধান উপদেষ্টা ব্যাংকক পৌঁছেছেন  রাজধানীতে নারী সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগে তিনজন গ্রেফতার জামায়াতকে চাঁদা-অস্ত্রবাজ ও রগকাটার দল বলায় বিএনপি নেতা চাঁদের বিরুদ্ধে রাজশাহী জেলা জামায়াতের তীব্র প্রতিবাদ বাঘায় জাতীয় নাগরিক পার্টি(এনসিপি)’র কেন্দ্রীয় সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) ইমরান ইমনের সৌজন্য সাক্ষাত-মতবিনিময় গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কতিপয় সন্ত্রাসীরা সাংবাদিক সুমার প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে মনের টানে বাঘায় আধ্যাত্বিক দরবেশের ওরশ অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষ

আজও মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাইনি নাটোরের লালপুরের মোজাম্মেল, মানবতের জীবন-যাপন তার পরিবারের

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২২
  • ২৩৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মেহেরুল ইসলাম মোহন, লালপুর, নাটোর…………………………….,,

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীরাঙ্গনে এক লড়াকু সৈনিক ছিলেন নাটোরের লালপুর উপজেলার ওয়ালিয়া ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া গ্রামের মৃত বাহার উদ্দিন মন্ডলের ছেলে মোজাম্মেল হক। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ৭ নম্বর সেক্টরের অধীনে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের এতদিন পেরিয়ে গেলেও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হকের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সকল কাগজপত্র,ডকুমেন্টস ও বিভিন্ন সনদপত্র থাকলেও আজও বীর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাইনি এই মুক্তিযোদ্ধা।

 

এবিষয়ে মোজাম্মেল হকের স্ত্রী হাজেরা বেওয়া বলেন, আমার স্বামী মোজাম্মেল হক বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।তার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সকল ডকুমেন্টস আমাদের কাছে সংরক্ষিত আছে। যুদ্ধের পরে ফুলবাড়িয়াতে আমাদের কোন জমি জায়গা না থাকায় বাগাতিপাড়া উপজেলার দয়ারামপুর এলাকার নন্দীকুজা কাজীপাড়ায় সরকারি খাস জমিতে কোন মতে টিনের বেড়া দিয়ে ঘর তৈরি করে বসবাস করা অবস্থায় আমার স্বামী মোজাম্মেল হক গত ২০০০ সালের ৬ জানুয়ারীতে মৃত্যু বরণ করেন এবং নন্দীকুজা কবর স্থানে তাকে দাফন করা হয়। তার মৃত্যুর পরে আদ্যবধি আমি আমার ১ছেলে(মোরজেম)ও ১ মেয়ে(মর্জিনা) নিয়ে কখনো অনাহারে কখনো অর্ধহারে আবার কখনো উপোবাসের মাধ্যমে মানবতের জীবন যাপন করছি।

 

তিনি আরোও বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নিকট আকুল আবেদন, যদি আমার স্বামীর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সকল ডকুমেন্টস গুলোর সঠিকতা যাচাই করে তাকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি প্রদান করে মুক্তিযোদ্ধা ভাতার ব্যবস্থা করে দিতেন তবে এই শেষ জীবনে আমি ও আমার পরিবার নিয়ে কোন মতে স্বস্তি পেতাম।

 

সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ফুলবাড়িয়াতে তাদের নিজস্ব বাড়ি ছিল কিন্তু বর্তমানে সেখানে তাদের নিজের কোন জমি জায়গা না থাকায় নন্দকুজা কাজীপাড়া এলাকার সরকারি খাস জমিতে বাড়ি করা সেই টিনের বেড়ার ছোট্ট একটি ঘরে ছেলে মেয়ে নিয়ে কোন মতে বসবাস করলেও টিনের ফোঁক-ফাকড় দিয়ে যেকোন সময় সাপ,বিচ্ছু পোকা-মাকড় অনায়াসেই ঘরে প্রবেশ করে দূর্ঘটনা ঘটাতে পারে এবং বর্ষাকালে ঘরের চারিদিকে পানি বদ্ধ হয়ে চলাচলের অসুবিধা হয়।

 

এদিকে মেয়ে মর্জিনার বিবাহ হলেও শ্বশুরবাড়িতে স্বামী ও তার পিতার সাথে বনিবনা না হওয়ায় জামাই ও মেয়ে বর্তমানে ঐ মুক্তিযোদ্ধার ভাঙ্গা ঘরেই আশ্রয় নিয়েছে। অপরদিকে ছেলে মোরজেমও বৈদ্যুতিক শর্ট খেয়ে ১ যুগ ধরে কর্মহীন হয়ে পড়ে রয়েছে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট