
সাব্বির আলম বাবু: বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে চলতি বছরে উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। এ বছর বোর্ডের ১১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। অন্যদিকে, মাত্র ৩টি প্রতিষ্ঠানে পাসের হার শতভাগ।
শনিবার (৩১ অক্টোবর ২০২৬) দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শরীফ মোরশেদ রেজা।
যেসব প্রতিষ্ঠানে পাসের হার শূন্য:
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে না পারা ১১টি প্রতিষ্ঠান হলো—
১. কদভানু মেমোরিয়াল সেকেন্ডারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ (বেতাগী, বরগুনা) – পরীক্ষার্থী ২ জন।
২. চরমানিকা জালাল আহমেদ কলেজ (চরফ্যাশন, ভোলা) – পরীক্ষার্থী ৫ জন।
৩. রমাগঞ্জ সেকেন্ডারি স্কুল অ্যান্ড কলেজ (লালমোহন, ভোলা) – পরীক্ষার্থী ৪ জন।
৪. বিপিসি সেকেন্ডারি স্কুল অ্যান্ড কলেজ (গলাচিপা, পটুয়াখালী) – পরীক্ষার্থী ৩ জন।
৫. মজিদবাড়ি কলেজ (মীরগঞ্জ, পটুয়াখালী) – পরীক্ষার্থী ১ জন।
৬. আউলিয়াপুর সাবিনা আক্তার হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ (পটুয়াখালী সদর) – পরীক্ষার্থী ১ জন।
৭. দিঘিরজান সেকেন্ডারি স্কুল অ্যান্ড কলেজ (নাজিরপুর, পিরোজপুর) – পরীক্ষার্থী ৫ জন।
৮. কদমতলা জর্জ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ (পিরোজপুর সদর) – পরীক্ষার্থী ৩ জন।
৯. অ্যাডভোকেট এইচ আর কে ফাউন্ডেশন কৃষি প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট অ্যান্ড কলেজ (নলছিটি, ঝালকাঠি) – পরীক্ষার্থী ১০ জন।
১০. হোগলাপাশা কলেজ (পাথরঘাটা, বরগুনা) – পরীক্ষার্থী ৩ জন।
১১. মেদুয়া কলেজ (ভোলা সদর) – পরীক্ষার্থী ৭ জন।
ধারাবাহিকভাবে কমছে জিপিএ-৫:
বরিশাল বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক বছর ধরে জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে কমছে। ২০২৪ সালে এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৪ হাজার ১৬৭ জন, ২০২৫ সালে তা কমে দাঁড়ায় ১ হাজার ৬৭৪ জনে এবং চলতি বছরে জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ৯৫০ জন পরীক্ষার্থী।
জেলাওয়ারি পাসের হার:
পাসের হারে বরিশাল বোর্ডের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে পিরোজপুর জেলা।
পিরোজপুর: ৫১.৫৫%, বরিশাল: ৪৯.৯৫%, বরগুনা: ৪৪.৬৬%, ভোলা: ৩৯.৫৪%, পটুয়াখালী: ৩৮.৫১% ও ঝালকাঠি: ৩৭.০৯%।