1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
দক্ষিণাঞ্চলের নৌপথে 'রোটেশন প্রথা': চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা, বাতিলের দাবি - দৈনিক সবুজ নগর
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
বাংলাদেশে পরিকল্পিত সাংস্কৃতিক আগ্রাসন চলছে: রিজভী খুলনায় ৩ মণ ঘোড়ার মাংসসহ বিক্রেতা আটক, ৩ মাসের কারাদণ্ডখুলনায় ৩ মণ ঘোড়ার মাংসসহ বিক্রেতা আটক, ৩ মাসের কারাদণ্ড ‘অধিকারে নয়, শক্তিতে নয়, দায়িত্বে সচেতন’— নওগাঁ ১৬ বিজিবির তৎপরতায় সীমান্তে শান্তিতে পালিত হলো দুর্গাপূজা নাচোলে ১২ পয়েন্টের ওযুখানা ও ৩টি টয়লেটের উদ্বোধন করেন মেয়র প্রার্থী মনিরুল ইসলাম রাজশাহীতে সরকারি রাস্তা দখল নিয়ে সংঘর্ষ: সংবাদকর্মীসহ আহত ৩, চন্দ্রিমা থানায় এজাহার ভবানীগঞ্জ দলিল লেখক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি মামুন, সম্পাদক পলাশ ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়িঘর ও আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান রাজশাহী ডিসির দক্ষিণাঞ্চলের নৌপথে ‘রোটেশন প্রথা’: চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা, বাতিলের দাবি শিবগঞ্জে এসআরবি ও বিজিবির পৃথক অভিযান: জাল টাকা, ফেনসিডিল ও ইনজেকশনসহ আটক ৩ পোরশায় ১০ মাসের শিশুকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, চাকুসহ বাবা গ্রেপ্তার

দক্ষিণাঞ্চলের নৌপথে ‘রোটেশন প্রথা’: চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা, বাতিলের দাবি

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সাব্বির আলম বাবু: দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম নৌপথ। বিশেষ করে ভোলা জেলার লালমোহন ও চরফ্যাশনসহ উপকূলীয় এলাকার মানুষের যাতায়াত, ব্যবসা-বাণিজ্য ও জরুরি প্রয়োজনে বেতুয়া-ঢাকা নৌপথের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে এ রুটে লঞ্চ মালিকদের নিজেদের মধ্যে চালু করা ‘রোটেশন পদ্ধতি’র কারণে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক যাত্রীসেবা।

নিয়ম মেনে লঞ্চ না চলায় কেবিন সংকট, টিকিট পেতে হয়রানি এবং সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারাসহ নানা মুখী ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ যাত্রীরা। এ পরিস্থিতিতে রোটেশন প্রথার আইনি ভিত্তি প্রকাশের পাশাপাশি অবিলম্বে তা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

আইন উপেক্ষা করে কৃত্রিম সংকট!

অনুসন্ধানে জানা যায়, বেতুয়া-ঢাকা নৌপথে দৈনিক তিনটি কোম্পানির—

  • এমভি কর্ণফুলী

  • এমভি টিপু

  • এমভি তাসরিফ

লঞ্চ চলাচলের জন্য বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) থেকে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী রুট পারমিট নেওয়া হয়। শুরুতে কয়েক মাস নিয়ম মেনে চললেও পরবর্তীতে মালিকপক্ষ পারস্পরিক সমঝোতায় রোটেশন পদ্ধতি চালু করে।

অভিযোগ রয়েছে, বিআইডব্লিউটিএর সময়সূচি তোয়াক্কা না করে মালিকরা ইচ্ছামতো রোটেশনের মাধ্যমে একেক দিন একেক কোম্পানির লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখে। ফলে নৌপথে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে এবং সাধারণ যাত্রীরা জিম্মি হয়ে পড়ছেন।

যাত্রীদের আক্ষেপ ও তীব্র ক্ষোভ

রোটেশন পদ্ধতির কারণে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে সৃষ্টি হয়েছে চরম বিশৃঙ্খলা। ভুক্তভোগীদের অভিজ্ঞতা ও অভিযোগ:

  • মো. কামাল হোসেন (বাসিন্দা, ৫ নং ওয়ার্ড, লালমোহন পৌরসভা):

“প্রতিদিনের সিডিউলে তিনটি কোম্পানির লঞ্চ চলাচলের কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। রোটেশন পদ্ধতি কি যাত্রীসেবার জন্য, নাকি সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের সুযোগ তৈরির জন্য? নির্ধারিত কেবিন শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে লঞ্চ স্টাফদের ছোট কেবিন বুকিং করতে হয়।”

  • জাহিদুল ইসলাম (বাসিন্দা, আছলামপুর ইউনিয়ন):

“বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও কেবিনের টিকিট না পাওয়ায় দীর্ঘ সরকারি ছুটিতেও পরিবার নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারিনি। এ ধরনের ভোগান্তি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ এবং অনিয়মের জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।”

লঞ্চমালিকদের যুক্তি

অন্যদিকে, লঞ্চমালিকদের দাবি পদ্মা সেতু চালুর পর চিত্র বদলে গেছে। ভোলা-বরিশাল হয়ে সড়কপথে যাতায়াত বাড়ায় নৌপথে যাত্রী কমেছে প্রায় ৩০ শতাংশ। ফলে প্রতিদিন নিয়মিত লঞ্চ চালালে বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের আশঙ্কা থাকে। এই লোকসান এড়াতেই মূলত রোটেশন পদ্ধতি চালু রাখা হয়েছে বলে তাদের দাবি।

আইনি নোটিশ ও বিআইডব্লিউটিএর বক্তব্য

রোটেশন প্রথাকে বেআইনি উল্লেখ করে তা বাতিলের দাবিতে ইতোমধ্যে জনস্বার্থে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল বাছেদ। নোটিশে রোটেশনের কারণে প্রতিযোগিতামূলক যাত্রীসেবা বাধাগ্রস্ত হওয়া এবং অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক মো. কবির হোসেন জানান, যাত্রীদের ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে লঞ্চ মালিকদের এই রোটেশন পদ্ধতি বাতিল করা প্রয়োজন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট