1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
রাজশাহী অঞ্চল থেকে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মাটির বাড়িঘর - দৈনিক সবুজ নগর
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মায় নৌকাডুবি: বিএসএফের উদ্ধার ১০ বাংলাদেশিকে ফেরত আনল বিজিবি পবার হরিপুর ইউপি চত্ত্বরে সাংবাদিককে হত্যাচেষ্টা ও মানহানির অভিযোগ ঠাকুরগাঁওয়ে সেন্ট মাদার তেরেজা স্কুলে বিজ্ঞান মেলা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা উদ্বোধন চলমান সংকট মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান রিজভীর বাঘায় প্লাবিত চকরাজাপুরে ১০০ বন্যার্ত পরিবারের মাঝে আনসার-ভিডিপির ত্রাণ বিতরণ নাচোলে জামায়াতে ইসলামীর ‘যুব সমাবেশ–২০২৬’ ও বনভোজন অনুষ্ঠিত লালপুরে গ্রামীণফোন টাওয়ারের চুরি হওয়া তামার তার উদ্ধার, গ্রেফতার ১ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নজরে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ ইকোনমিক জোন ও বন্ধ চিনিকল নওগাঁর আত্রাইয়ে তিন মাসব্যাপী জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের শুভ উদ্বোধন সরকারি কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজ ছাত্রদলের দিবা-রাত্রি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

রাজশাহী অঞ্চল থেকে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মাটির বাড়িঘর

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬
  • ১৩০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ নাজিম হাসান,রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি: রাজশাহী অঞ্চলের বিভিন্ন মফস্বল এলাকা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার চির ঐতিহ্যের নিদর্শন সবুজ শ্যামল ছায়া-ঘেরা শান্তির নীড় মাটির বাড়ি। যা এক সময় ছিল গ্রামের মানুষের কাছে মাটির ঘর গরীবের এসি বাড়ি নামে পরিচিত। কিন্তু কালের আর্বতে আজ হারিয়ে যাচ্ছে এই ঐতিহ্যবাহী মাটির বাড়ি।বেশিদিনের কথা নয়, বাংলার প্রতিটি গ্রামে নজরে পড়তো এই মাটির বাড়ি। ঝড়-বৃষ্টি থেকে বাঁচার পাশাপাশি প্রচুর গরম ও শীতে বসবাস উপযোগী মাটির তৈরি এসব বাড়ি এখন আর তেমন একটা নজরে পড়ে না। আধুনিকতার ছোঁয়ায় আর সময়ের পরিবর্তনে গ্রামবাংলা থেকে ঐতিহ্যবাহী মাটির তৈরি বাড়ি বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। এই বাড়ি শীত ও গরম মৌসুমে আরামদায়ক বলে গ্রামের গরীব ও দরিদ্র মানুষের পাশাপাশি অনেক বিত্তবানও এই মাটির দ্বিতল বাড়ি তৈরি করতেন।

জানা যায়, অতি প্রাচীনকাল থেকেই মাটির বাড়ির প্রচলন ছিল। গ্রামের মানুষের কাছে এই বাড়ি ঐতিহ্যের প্রতীক ছিল। গ্রামের বিত্তবানরা এক সময় অনেক অর্থ ব্যয় করে মাটির দ্বিতল মজবুত বাড়ি তৈরি করতেন যা এখনও কিছু কিছু গ্রামে চোখে পড়ে। এঁটেল বা আঠালো মাটি কাদায় পরিণত করে ২-৩ ফুট চওড়া করে দেয়াল বা ব্যাট তৈরি করা হয়। ১০-১৫ ফুট উঁচু দেয়ালে কাঠ বা বাঁশের সিলিং তৈরি করে তার ওপর খড় বা টিনের ছাউনি দেয়া হয়। মাটির বাড়ি অনেক সময় দোতলা পর্যন্ত করা হতো। সব ঘর বড় মাপের হয় না। গৃহিণীরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মাটির দেয়ালে বিভিন্ন রকমের আল্পনা এঁকে ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বর্ষা মৌসুমে মাটির ঘরের ক্ষতি হয় বলে বর্তমান সময়ে দীর্ঘস্থায়ীত্বের কারণে গ্রামের মানুষরা ইট-সিমেন্টের বাড়ি নির্মাণে আগ্রহী হচ্ছেন। ভূমিকম্প বা বন্যা না হলে একটি মাটির বাড়ি শত বছরেরও বেশি স্থায়ী হয়। কিন্তু বর্তমান সময়ে কালের বির্বতনে ইট-বালির দালান কোঠা আর বড় বড় অট্টালিকার কাছে হার মানছে মাটির বাড়ি।

রাজশাহীর গ্রাম এলাকার অনেকে জানান, মাটির তৈরি এই বাড়ি তারা পেয়েছেন পৈত্রিকভাবে। তাদের পূর্ব পুরুষরাও এই মাটির তৈরি বাড়িতেই জীবন কাটিয়ে গেছেন। তাই এখনও তারা এই বাড়িগুলো ভাঙেননি। মাটির বাড়ি বসবাসের জন্য আরামদায়ক হলেও যুগের পরিবর্তনে আধুনিকতার সময় অধিকাংশ মানুষ মাটির বাড়ি ভেঙে অধিক নিরাপত্তা ও স্বল্প জায়গায় দীর্ঘস্থায়ীভাবে অনেক লোকের নিবাস কল্পে গ্রামের মানুষরা ইটের বাড়ি-ঘর তৈরি করছেন বলে অনেকের ধারণা।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট