1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
বাগমারায় দারিদ্র্যকে হার মানিয়ে একসঙ্গে প্রাথমিক বৃত্তি পেল জমজ ভাই-বোন বদরগঞ্জে আহমাদিয়া  সম্প্রদায়ের উপর হামলার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে শিবপুর  ও বসন্তপুর  গ্রামবাসীরা  ভোলাহাটে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা পঞ্চগড়ের রূপকার চিরশায়িত হলো না নিজ জেলার নয়াবাড়ি গ্রামে, জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গনেই দাফন তানোরে গভীর রাতে দোকান পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, ফ্রিজ-টিভি চুরিরও অভিযোগ, ৫জনের বিরুদ্ধে মামলা ‎মির্জাপুরে রাস্তার কাজে অনিয়ম, বিল আটকে দিলেন উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল সাজ রিজন ‎ সারিয়াকান্দি পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের সভাপতি হিসেবে আবারও পলাশ মন্ডলকে চান শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা ‎ তাহেরপুর টু নলডাঙ্গা সড়ক এখনো মরণ ফাঁদ, যেনো দেখার কেউ নেই! নকল করতে না দেয়ায় ভোলায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ পঞ্চগড়ে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে ,মাছ ,মুরগি ও কাঁচা বাজারের দাম

বাগমারায় দারিদ্র্যকে হার মানিয়ে একসঙ্গে প্রাথমিক বৃত্তি পেল জমজ ভাই-বোন

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬
  • ৬৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

# বাগমারা প্রতিনিধিঃ বাগমারা (রাজশাহী) প্রতিনিধি: জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন অন্যের জমিতে শ্রম দেন বাবা। সংসারের অভাব-অনটনের মাঝেও দুই সন্তানের পড়াশোনা যেন থেমে না যায়—সেই স্বপ্ন বুকে নিয়ে সংগ্রাম করে চলেছেন বাবা-মা। সেই ত্যাগ, কষ্ট আর অদম্য ইচ্ছাশক্তিরই স্বীকৃতি মিলেছে আজ।

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার একডালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমজ ভাই-বোন শামিউল ইসলাম শামস ও শুহরাত জাহান শাম্মী একসঙ্গে প্রাথমিক বৃত্তি অর্জন করে পরিবারের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। জানা যায়, দুই সন্তানের বাবা শামীম প্রামাণিক একজন দিনমজুর। অন্যের জমিতে কাজ করে যা আয় হয়, তা দিয়েই কোনোমতে চলে সংসার। অভাবের কারণে অনেক সময় পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদাও পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। তবুও সন্তানদের পড়াশোনার ক্ষেত্রে কখনো আপস করেননি বাবা-মা। নিজেদের কষ্ট লুকিয়ে রেখে বই-খাতা, স্কুলের খরচ এবং লেখাপড়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করার চেষ্টা করেছেন সবসময়। সন্তানদের এই অর্জনের কথা বলতে গিয়ে আবেগে কেঁদে ফেলেন মা আফরোজা।

তিনি বলেন, “আমরা খুব গরিব মানুষ। আমার স্বামী অন্যের জমিতে কাজ করে যা রোজগার করেন, তা দিয়ে কোনো রকমে সংসার চলে। অনেক সময় নিজের জন্য কিছু কিনিনি, শুধু ভেবেছি ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা যেন বন্ধ না হয়। কত রাত চিন্তায় কেটেছে, কীভাবে তাদের পড়ার খরচ দেব। আজ আমার জমজ ছেলে-মেয়ে একসঙ্গে বৃত্তি পেয়েছে। এই আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। মনে হচ্ছে, আমাদের সব কষ্ট আজ সার্থক হয়েছে। আমি চাই, তারা পড়াশোনা করে মানুষের মতো মানুষ হোক।”

একডালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বাহাদুর রহমান বকুল বলেন, “শামিউল ইসলাম শামস ও শাম্মী অত্যন্ত মেধাবী, নিয়মিত ও পরিশ্রমী শিক্ষার্থী। আর্থিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও তারা যেভাবে পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রেখেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। একসঙ্গে দুই শিক্ষার্থীর বৃত্তি অর্জন আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য গর্বের বিষয়।”

এলাকাবাসীর মতে, শামিউল ইসলাম শামস ও শাম্মীর এই সাফল্য প্রমাণ করে—দারিদ্র্য কখনো মেধা ও স্বপ্নকে থামিয়ে রাখতে পারে না। সঠিক সুযোগ ও আন্তরিক প্রচেষ্টা থাকলে প্রত্যন্ত গ্রামের একটি সংগ্রামী পরিবার থেকেও জাতির জন্য গর্ব বয়ে আনা সম্ভব।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট