1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কয়েদির মৃত্যুর অভিযোগ - দৈনিক সবুজ নগর
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
নবনিযুক্ত স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর সাথে রাসিক প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ সিটি কর্পোরেশনের খেলার মাঠের সুব্যবস্থাকরণের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হরিপুর কালিগঞ্জ বাজারে পূবালী ব্যাংক পিএলসির বাংলা কিউআর বুথ উদ্বোধন  বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এ্যাড. রুহুল কবির রিজভীর সাথে রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনের সৌজন্য সাক্ষাৎ   মির্জাপুরে বিয়ের প্রলোভনে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ, অন্তঃসত্ত্বা ৫ মাসের হঠাৎ বন্ধ পাগলা নদীর সেতুর নির্মাণকাজ—দুর্ভোগে শিবগঞ্জের লাখো মানুষ আত্রাইয়ে হাটকালুপাড়া-কালিকাপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে কাজীহাটা ১ নং পুরাতন জামে মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজশাহীর বিদায়ী বিভাগীয় কমিশনারকে রাসিকের বিদায় সংবর্ধনা রাজশাহীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শুরু হলো ‘জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬

রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কয়েদির মৃত্যুর অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬
  • ১৮৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ নাজিম হাসান,রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিরাজুল ইসলাম (৫০) নামের এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে। তিনি পাবনা জেলা কারাগারের বন্দী ছিলেন। বাড়ি পাবনা সদরের দাপুলিয়া গ্রামে। রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সকাল ৯টায় তিনি
মারা যান।

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আখেরুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, মারামারির একটি মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সিরাজুল ইসলামের বাড়ি পাবনা সদর উপজেলার দাপুলিয়া গ্রামে। তিনি বলেন, অসুস্থ হয়ে পড়লে পাবনা জেলা কারাগার থেকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে হাসপাতালে ভর্তি করার পর বুধবার সকাল ৯টার দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

জেলার আরও বলেন, সিরাজুল ইসলাম ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। তার মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

উল্লেখ্য,বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসার অবস্থা লাজুক হওয়ায় প্রতিদিন গড়ে ৭/৮ টি রোগী মারা যাছ্ধসঢ়;ছ। যার কারণ সময় মত ডাক্তার না আসায়। উন্নত চিকিৎসার আশায় দূরদূরান্ত থেকে মানুষ এখানে এলেও সেবা নিতে গিয়ে অনেকেই পড়ছেন ভোগান্তিতে। প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে জটিলতা এবং দায়িত্বপ্রাপ্তদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে কিছু ক্ষেত্রে নার্সিং সেবায় অনাগ্রহ বা রূঢ় আচরণের অভিযোগ উঠেছে, যদিও অনেক নার্স আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট