# মো: আরাফাতুজ্জামান, নিয়ামতপুর প্রতিনিধি: নওগাঁর নিয়ামতপুরে চারজনকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচজনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড বলে ধারনা করছে পুলিশ। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহত পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন। বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে নিয়ামতপুর থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশি হেফাজতে থাকারা হলেন, নিহত হাবিবুর রহমানের বাবা নমির উদ্দিন (৭০), বোন ডালিমা ও হালিমা, ভাগনে সবুজ রানা (২৫) এবং ভগ্নিপতি শহিদুল। নিয়ামতপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান বলেন, গতকাল (মঙ্গলবার) হত্যাকাণ্ডের পর থেকে আমরা ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন ধরনের আলামত সংগ্রহ করি। পুলিশের একাধিক তদন্ত সংস্থা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং আলামত সংগ্রহ করে। আলামতগুলো বিশ্লেষণ এবং পুলিশি হেফাজতে থাকাদের জিজ্ঞাসাবাদ যে তথ্য বেরিয়ে আসছে তাতে মনে হচ্ছে এই হত্যাকাণ্ড জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই হয়েছে বলে আমরা ধারণা করছি। অধিকতর তদন্তের স্বার্থে আমরা বিষয়টিকে এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলছি না৷ আমরা তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নিয়েছি এবং বিভিন্ন ইন্টেলিজেন্সের সহায়তা নিয়ে ঘটনার সঠিক কারণ উদঘাটনের চেষ্টা করছি। আরও কাউকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন মনে করলে তাদেরকেও পুলিশি হেফাজতে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

মঙ্গলবার বিকেলে মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। আজ (বুধবার) ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে৷ প্রসঙ্গত, গত সোমবার মধ্যরাতে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে একই পরিবারের চারজনকে গলাকেটে হত্যা করা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।#







