
বিশেষ প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাঘায় স্টিয়ারিং চালিত তিন চাকার করিমন গাড়ীর সাথে থ্রীহুইলার (সিএনজি) গাড়ীর মুখোমুখি সংঘর্ষে সিএনজি চালক ও ১নারিসহ ৩জন নিহত নিহত হয়েছেন। সোমবার(০৯-০৩-২০২৬) বানেশ্বর-ইশ্বরদী মহাসড়কের বাঘা উপজেলার বাজুবাঘা ইউনিয়নের বড়ছয়ঘটি গ্রামের পল্লী চিকিৎসক রয়েদ আলীর বাড়ির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর করিমন গাড়ীর চালক পালিয়ে যায়।
নিহত তিনজন হলেন- লালপুর উপজেলার বিলমাড়িয়া ফতেপুর গ্রামের নজির দফাদারের ছেলে সিএনজি চালক শরিফুল ইসলাম(৪০), একই উপজেলার বুধপাড়া গ্রামের নিরাপদ দাসের ছেলে সিএনজি যাত্রী বিধান দাস (৫৫), আন্দীপাড়া গ্রামের মৃত নাজিম উদ্দীনের স্ত্রী রকেনা বেওয়া (৯০)। এদের মধ্যে সিএনজি চালক শরিফুল ইসলাম,যাত্রী বিধান দাস ঘটনাস্থলেই মারা যান। অপর সিএনজি যাত্রী রকেনা বেওয়াকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাঘা থানা পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শী ও বাঘা থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সিএনজি চালক শরিফুল ইসলাম লালপুর থেকে ৫জন যাত্রী নিয়ে বানেশ্বর-ইশ্বরদী মহাসড়ক হয়ে পূর্ব দিক থেকে পশ্চিম দিকে বাঘায় আসছিলেন। এসময় পশ্চিম দিক থেকে পূর্ব দিকে যাওয়া লালপুরগামী দ্রুতগতির একটি তিন চাকার স্টিয়ারিং চালিত করিমনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সিএনজি চালক শরিফুল ইসলাম, সিএনজি যাত্রী বিধান দাস ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত তিনজনকে উদ্ধার করে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাদের তিনজনকেই রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। পথিমধ্যে রকেনা বেওয়া মারা যান। সিএনজির অপর দুই যাত্রী লালপুরের চক যাদুরিয়া গ্রামের হান্নানের স্ত্রী সিমা বেগম(৫০) ও নিহত রফেনার ছেলে আন্দী পাড়া গ্রামের সাহাজান (৩৫) কে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত তিনজনকে রামেকে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ হাসিবুল ইসলাম।
বাঘা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুপ্রভাত মন্ডল বলেন, নিহত দুইজনসহ দুর্ঘটনার কবলে পড়া গাড়ী জব্দ করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ব্যাপারে সড়ক পরিবহন আইনে মামলা দায়ের করা হবে বলে জানান তিনি।#