1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
শেখ মুজিব বহুদলীয় গণতন্ত্র ধ্বংস করে বাকশাল কায়েম করেছিল : অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম - দৈনিক সবুজ নগর
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
“ইরানকে সাহায্য করলে চীন-রাশিয়ার অনেক কিছু হারানোর আছে”: ট্রাম্প কেমিক্যাল ও কাপড়ের রঙ দিয়ে তৈরি হচ্ছিল গুড়: বাঘায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, সচেতন মহলের ক্ষোভ নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন নিশ্চিতে গোদাগাড়ীতে ডাসকো ফাউন্ডেশনের গণতান্ত্রিক সংলাপ অনুষ্ঠিত পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম জোরদারে রাসিকের মতবিনিময় সভা নাচোলে দুই ইউপি চেয়ারম্যানের বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার, গণসংবর্ধনা দিল বিএনপি দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাসিকে পরিচ্ছন্ন বিভাগের সঙ্গে প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ায় প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ছাত্রদলের দুই গ্রুপে হাতাহাতি, সাংবাদিকদের মারধর ও মোবাইল ছিনতাই বিনা নোটিশে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন: শিবগঞ্জে পল্লী বিদ্যুৎ ডিজিএমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন একদিন পরই শারদীয় দুর্গোৎসব: বাঘার ৪৭ মণ্ডপে প্রতিমা পৌঁছে দিতে চরম ব্যস্ততা ক্লাস চলাকালীন কোচিং সেন্টার বন্ধের নির্দেশ রাজশাহী জেলা প্রশাসনের

শেখ মুজিব বহুদলীয় গণতন্ত্র ধ্বংস করে বাকশাল কায়েম করেছিল : অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৯০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
৥ কুষ্টিয়া প্রতিনিধি-
শেখ মুজিব বহুদলীয় গণতন্ত্র ধ্বংস করে বাকশাল কায়েম করেছিল। সে সময় মানুষের কোন বাকস্বাধীনতা ছিল না। সংবাদ পত্রেরও কোন স্বাধীনতা ছিল না। বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান বাকশাল ধ্বংস করে বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন। তাই এদেশের মানুষ তাকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক হিসেবে জানে।
রবিবার (২৭ এপ্রিল ( বিকেলে মিরপুর উপজেলার আমলা ইউনিয়ন বিএনপি’র সম্মেলনে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, জেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, স্বৈরাচার শেখ হাসিনা পরিকল্পিতভাবে ভারতের সহযোহিতা নিয়ে ২০০৮ সালে কারচুপির মাধ্যমে নীল নক্সার নির্বাচন করে সরকার গঠন করেছিল। তার আমলে  (শেখ হাসিনা) ২০১৪ সালে বিনা ভোটে ১৫৪ জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিল। ২০১৮ সালে দিনের ভোট রাতে করে তার পিতার পথ ধরে বাকশাল কায়েম করেছিলেন। শেষে ২০২৪ সালে মামা-ভাগ্নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেই নির্বাচনের মেয়াদ ছিল মাত্র ৭ মাস।
বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী সহ বিএনপি’র হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে প্রশাসন দিয়ে গুম করে হত্যা করেছে হাসিনা। হাসিনার আমলে হাজার হাজার নেতাকর্মীকে পঙ্গত্ব বরণ করতে হয়েছে। এসবের জন্য স্বৈরাচার হাসিনার এদেশের মাটিতে বিচার হতে হবে।
সম্মেলনের উদ্বোধন করেন, মিরপুর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আশরাফুজ্জামান শাহীন। এসময় উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি ও বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপি’র হাজারো নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলন শেষে তোফাজ্জেল হোসেন কে সভাপতি, মজিবার রহমানকে সিনিয়র সহ সভাপতি, মাহফুজুর রহমান সুমনকে সাধারণ সম্পাদক, আহাদুল হক ও হাসান ইমামকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শাহীন আলমকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে আমলা ইউনিয়ন বিএনপি’র দ্বি-বার্ষিক কমিটি গঠন করা হয়।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট