1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ১০:০৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
শ্যামনগর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি)-এর সঙ্গে উপজেলা জিএসএ-র সৌজন্য সাক্ষাৎ জনগণের প্রত্যাশা পূরণই পুলিশের প্রধান লক্ষ: আইজিপি বাঘায় জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা বৈমানিক থেকে মুক্তিযোদ্ধা,কিংবদন্তি নায়ক বীর উত্তম খাদেমুল বাশারের ৪৯তম প্রয়াণ দিবস আজ মির্জাপুরে নৌভ্রমণে এসে বিদ্যুতায়িত হয়ে প্রাণ গেল ২ যুবকের  ঠাকুরগাঁওয়ে মডেল টিটিসি বাস্তবায়নে সমন্বিত উন্নয়ন ও পরিকল্পনা বিষয়ক মত বিনিময় সভা  রাজশাহীতে দুই ধর্ষণের ন্যায় বিচারের দাবিতে মানববন্ধন উপজেলায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ সাফল্য শিবগঞ্জ ল্যাবরেটরি স্কুলের শিবগঞ্জে গৃহবধূ সুমাইয়া হত্যা নয়, এটি আত্মহত্যা, দাবি স্বামীর পরিবারের রাজশাহীতে শুরু হলো এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং প্রশিক্ষণ বিষয়ক বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন

রাজশাহীর বাগমারায় কারেন্টজালে মৎস শূন্য হয়ে পড়ছে নদীনালা

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৪ জুন, ২০২২
  • ৪৭৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

# নাজিম হাদসান………………………………

বর্ষা মৌসুম রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার বৃহতম বারনই,রানী ফকিন্নী নদীসহ বিভিন্ন জায়গায় অবৈধ ভাবে কারেন্ট জালের মাধ্যমে মাছ শিকার হচ্ছে। নদীতে অবৈধ জালের কারনে বড় মাছের পাশা পাশি ছোট পোনা মাছও শিকার করা হচ্ছে ফলে মাছের বংশ অনেকটাই ধ্বংশ হতে চলেছে নদিনালাতে।

 

এলাকা সূত্রে জানাগেছে জেলার বাগমারা উপজেলার ১৫টি ইউপি ও ২টি পৌরসভা এলাকা এক সময় মাছের অঞ্চল হিসেবে খ্যাত ছিলো। কিন্তু এখন প্রায় মৎস শূন্য হয়ে পড়েছে নদি,নালা খাল,বিল। চাহিদার তুলনায় বর্তমানে যে সামান্য মাছ বাজারজাত হয় তা সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে। এখন বামারায় মাছের দাম স্বর্ণের দামের সঙ্গে তুলনীয়। স্থানীয় মৎস্য বিভাগ থেকে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির চমকপ্রদ ফিরিস্তি পাওয়া গেলেও তা সংশি¬ষ্ট বিভাগের ফাইলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ এবং বছরে এক বার জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষ্যে র‌্যালী এবং সরকারী কোন পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করণ ও একটি সেমিনার করেই দায় সারছেন এখানকার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

ফলে বাস্তবে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি না পাওয়ায় মাছের জোগান প্রতিদিনের চাহিদার তুলনায় হ্রাস পাচ্ছে। একদিকে অন্যান্য স্থান থেকে মাছের আমদানি না হলে মৎস্য ব্যবসায়ীদের ব্যবসা অচল হয়ে পড়েন। অথচ বিভিন্ন খাল-বিলে কারেন্ট জালের মহোৎসব চললেও সংশ্লিষ্ট মৎস্য বিভাগ রয়েছে উদাসিন। বর্তমানে যে পরিমান জলাশয় বা মৎস্য ভান্ডার রয়েছে এর মধ্যে এক শ্রেণরি অসাধু মৎস্য ব্যবসায়ীরা নিষিদ্ধ ঘোষিত কারেন্ট জাল ব্যবহার করে মাছের প্রজননের বাধা গ্রস্থ করছে এবং দেশীয় ছোট ছোট বিভিন্ন প্রজাতীয় মাছ ও ডিম ওয়ালা মাছ বিলুপ্ত করছে।

 

উপজেলার তাহেরপুর,রামরামা, তালতলী, ামারখালি,ভবানীগঞ্জ,বাংগালপাড়া,মোহনগঞ্জ,একডালা এলাকার নদীতে স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বর্তমানে যে পরিমান জলাশয় বা মৎস্য ভান্ডার রয়েছে এর মধ্যে এক শ্রেনীর অসাধু মৎস্য ব্যবসায়ীরা নিষিদ্ধ ঘোষিত কারেন্ট জাল ব্যবহার করে মাছের প্রজননের বাধা গ্রস্থ করছে এবং দেশীয় ছোট ছোট বিভিন্ন প্রজাতীয় মাছ ও ডিম ওয়ালা মাছ বিলুপ্ত করছে। বিষয়টি প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করছে। প্রতিদিন এসব জাল থেকে প্রায় পনের থেকে বিশ মন বিভিন্ন প্রকারের মাছ বাজারের আড়ৎগুলোতে উঠছে।কিন্তু আড়ৎগুলো আড়ৎদারেরা তাদের বেশী মোনাফরি লোভে বাহির থেকে মাছ ব্যবসায়ীদের ধরে এনে ট্রাক ভরে বিভিন্ন জেলা শহরে সরবরাহ করায় এভাবে মাছ শিকারের ফলে দিন দিন নদ-নদী খালবিলেতে মাছ শূন্য হয়ে পড়ছে। এতে করে একদিকে যেমন মাছের বংশ হচ্ছে ধ্বংশ। অন্যদিকে নদী হচ্ছে মাছ শূন্য।

 

এদিকে, বর্ষা মৌসুমে মা মাছগুলো ডিম ছাড়ে। কিন্তু ওই সময় এক শ্রেণির মৎস্য শিকারি এগুলো ধরায় ব্যস্ত থাকেন। এতে মাছের প্রজনন সীমিত হয়ে পড়েছে। তাছাড়া অতি মুনাফার লোভে কতিপয় মৎস্য চাষি জলাশয় ইজারা নিয়ে কীটনাশক ব্যবহার করে মাছের বংশবিস্তার ধ্বংস করে ফেলছেন। এতেও হারিয়ে গেছে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ।

 

অপরদিকে,নদ-নদীর নাব্যতা ধবংস,জলাশয় বেদখল,অপরিকল্পিত বসতি নির্মাণ, কৃষি কাজে ব্যবহার করা কীটনাশক এর জন্য দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে এবিষয়ে আর কোনো ধরনের মাছ নিধন না করার জন্য উর্ধতন প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা চেয়েছেন এলাকার সুধী সমাজ মহল।#
এডটি: সান

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট