1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
রাজশাহীর বাগমারায় কারেন্টজালে মৎস শূন্য হয়ে পড়ছে নদীনালা - দৈনিক সবুজ নগর
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
পোরশায় ১০ মাসের শিশুকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, চাকুসহ বাবা গ্রেপ্তার নাচোলে ২ নং ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের নির্বাচনী গণসংযোগ সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযান: ৮ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ নাটোরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে হেলপার নিহত বগুড়ার শিশু আবু বক্করের চোখের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী বাঘায় পিজিআই ইন্টারন্যাশনাল ও সালাফী ট্রাভেলসের সেবা পরিচিতি সভা পত্নীতলায় শহীদ জিয়াউর রহমান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত পত্নীতলায় পরিবেশ রক্ষা ও বজ্রপাত মোকাবিলায় তালবীজ রোপণ কালীগঞ্জে মাদক কারবারিকে ধরে ফেরার পথে কাভার্ডভ্যানের চাপায় এসআইসহ নিহত ২, আহত ২ উপ সম্পাদকীয়: জাতিসংঘের ৮১ বছর: প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন ও বর্তমান বাস্তবতার হিসাব-নিকাশ

রাজশাহীর বাগমারায় কারেন্টজালে মৎস শূন্য হয়ে পড়ছে নদীনালা

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৪ জুন, ২০২২
  • ৫০২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

# নাজিম হাদসান………………………………

বর্ষা মৌসুম রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার বৃহতম বারনই,রানী ফকিন্নী নদীসহ বিভিন্ন জায়গায় অবৈধ ভাবে কারেন্ট জালের মাধ্যমে মাছ শিকার হচ্ছে। নদীতে অবৈধ জালের কারনে বড় মাছের পাশা পাশি ছোট পোনা মাছও শিকার করা হচ্ছে ফলে মাছের বংশ অনেকটাই ধ্বংশ হতে চলেছে নদিনালাতে।

 

এলাকা সূত্রে জানাগেছে জেলার বাগমারা উপজেলার ১৫টি ইউপি ও ২টি পৌরসভা এলাকা এক সময় মাছের অঞ্চল হিসেবে খ্যাত ছিলো। কিন্তু এখন প্রায় মৎস শূন্য হয়ে পড়েছে নদি,নালা খাল,বিল। চাহিদার তুলনায় বর্তমানে যে সামান্য মাছ বাজারজাত হয় তা সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে। এখন বামারায় মাছের দাম স্বর্ণের দামের সঙ্গে তুলনীয়। স্থানীয় মৎস্য বিভাগ থেকে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির চমকপ্রদ ফিরিস্তি পাওয়া গেলেও তা সংশি¬ষ্ট বিভাগের ফাইলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ এবং বছরে এক বার জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষ্যে র‌্যালী এবং সরকারী কোন পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করণ ও একটি সেমিনার করেই দায় সারছেন এখানকার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

ফলে বাস্তবে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি না পাওয়ায় মাছের জোগান প্রতিদিনের চাহিদার তুলনায় হ্রাস পাচ্ছে। একদিকে অন্যান্য স্থান থেকে মাছের আমদানি না হলে মৎস্য ব্যবসায়ীদের ব্যবসা অচল হয়ে পড়েন। অথচ বিভিন্ন খাল-বিলে কারেন্ট জালের মহোৎসব চললেও সংশ্লিষ্ট মৎস্য বিভাগ রয়েছে উদাসিন। বর্তমানে যে পরিমান জলাশয় বা মৎস্য ভান্ডার রয়েছে এর মধ্যে এক শ্রেণরি অসাধু মৎস্য ব্যবসায়ীরা নিষিদ্ধ ঘোষিত কারেন্ট জাল ব্যবহার করে মাছের প্রজননের বাধা গ্রস্থ করছে এবং দেশীয় ছোট ছোট বিভিন্ন প্রজাতীয় মাছ ও ডিম ওয়ালা মাছ বিলুপ্ত করছে।

 

উপজেলার তাহেরপুর,রামরামা, তালতলী, ামারখালি,ভবানীগঞ্জ,বাংগালপাড়া,মোহনগঞ্জ,একডালা এলাকার নদীতে স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বর্তমানে যে পরিমান জলাশয় বা মৎস্য ভান্ডার রয়েছে এর মধ্যে এক শ্রেনীর অসাধু মৎস্য ব্যবসায়ীরা নিষিদ্ধ ঘোষিত কারেন্ট জাল ব্যবহার করে মাছের প্রজননের বাধা গ্রস্থ করছে এবং দেশীয় ছোট ছোট বিভিন্ন প্রজাতীয় মাছ ও ডিম ওয়ালা মাছ বিলুপ্ত করছে। বিষয়টি প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করছে। প্রতিদিন এসব জাল থেকে প্রায় পনের থেকে বিশ মন বিভিন্ন প্রকারের মাছ বাজারের আড়ৎগুলোতে উঠছে।কিন্তু আড়ৎগুলো আড়ৎদারেরা তাদের বেশী মোনাফরি লোভে বাহির থেকে মাছ ব্যবসায়ীদের ধরে এনে ট্রাক ভরে বিভিন্ন জেলা শহরে সরবরাহ করায় এভাবে মাছ শিকারের ফলে দিন দিন নদ-নদী খালবিলেতে মাছ শূন্য হয়ে পড়ছে। এতে করে একদিকে যেমন মাছের বংশ হচ্ছে ধ্বংশ। অন্যদিকে নদী হচ্ছে মাছ শূন্য।

 

এদিকে, বর্ষা মৌসুমে মা মাছগুলো ডিম ছাড়ে। কিন্তু ওই সময় এক শ্রেণির মৎস্য শিকারি এগুলো ধরায় ব্যস্ত থাকেন। এতে মাছের প্রজনন সীমিত হয়ে পড়েছে। তাছাড়া অতি মুনাফার লোভে কতিপয় মৎস্য চাষি জলাশয় ইজারা নিয়ে কীটনাশক ব্যবহার করে মাছের বংশবিস্তার ধ্বংস করে ফেলছেন। এতেও হারিয়ে গেছে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ।

 

অপরদিকে,নদ-নদীর নাব্যতা ধবংস,জলাশয় বেদখল,অপরিকল্পিত বসতি নির্মাণ, কৃষি কাজে ব্যবহার করা কীটনাশক এর জন্য দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে এবিষয়ে আর কোনো ধরনের মাছ নিধন না করার জন্য উর্ধতন প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা চেয়েছেন এলাকার সুধী সমাজ মহল।#
এডটি: সান

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট