1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
শিবগঞ্জে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, রাজশাহী সিটি ইউনিটের উদ্যোগে কর্মশালা সিরাক বাংলাদেশ এর উদ্যোগে রাজশাহীতে নগর জলবায়ু ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অ্যাডভোকেসি সভা সচেতনতা বৃদ্ধি বিষয়ে রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে কল্পনা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থার নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ নগর ভবনে Reverse Osmosis  বিশুদ্ধ পানি ব্যবস্থাপনার উদ্বোধন করলেন রাসিক প্রশাসক গুরুদাসপুর ও বড়াইগ্রাম এলাকা হতে লালপুরে ইয়াবা সাপ্লাই দিতে এসে ৭০ পিস ইয়াবা সহ আটক-২ ফ্যামিলি কার্ড সবাই পাবে-বাঘায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ অনুষ্ঠানে এমপি চাঁদ ‎মির্জাপুর দেওহাটা আলহাজ্ব জোনাব আলী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় আয়োজিত আন্ত: শ্রেণি ফুটবল ও হ্যান্ডবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে কোর্ট দলিল লেখক সমিতির নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময়

পোরশায় গরুর বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভার দেখা দিয়েছে, প্রাণী সম্পদ বিভাগ নজর দিচ্ছে না

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৯ জুলাই, ২০২৩
  • ৩৩৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

পোরশা(নওগাঁ)প্রতিনিধি………………………………………………….

নওগাঁর পোরশা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গরুর ভাইরাস জনিত ‘লাম্পি স্কিন ডিজিজ’(এলএসডি), খুরা ও পেট ফোলা রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে সহস্রাধিক গরু এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে এবং মারাও গেছে। এ সংক্রমণ রোগ ধীরে ধীরে বেড়ে যাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়ছে স্থানীয় খামারী ও গরুর মালিকরা। তবে প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর থেকে কার্যকরা কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছেনা বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে।

 

উপজেলার ঘাটনগর ইউনিয়নের নিস্কিনপুর, মোল্লাপাড়া, নিতপুর ইউনিয়নের সোহাতী, তেতুলিয়া ইউনিয়নের জালুয়া, গাংগুরিয়া ইউনিয়নের আমদা সহ বিভিন্ন গ্রামে দেখা গেছে গরুর লাম্পি স্কিন ডিজিজ ও খুরা রোগের প্রদুর্ভাব। নিস্কিনপু গ্রামের রেজাউল করিম ও সাইফুদ্দিনের একটি করে গরু মারা যাওয়ায় তারা সহ গ্রামের অনেকই দিশেহারা হয়ে পড়ছেন। খামারীরাও গরু নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন বলে জানাগেছে।

 

এ রোগগুলোর লক্ষণ সম্পর্কে স্থানীয় পশু মালিকরা জানান, প্রথমে আক্রান্ত গরুর জ্বর, ব্যথা ও খাওয়া খেতে চায় না।। এরপর শরীরের বিভিন্ন অংশে ফুলে যাওয়াসহ মুখ দিয়ে লালা পড়তে শুরু করে। গরুর শরীরের বিভিন্ন স্থানে চামড়ায় গুটি গুটি ক্ষত হয়। এতে করে গরু দুর্বল হয়ে যায়।

 

উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে “লাম্পি স্কিন ডিজিজ” ছড়িয়ে পড়ার কথা স্বীকার করেন। এ বিষয়ে তারা স্থানীয় গরু মালিকদের সচেতন করার লক্ষ্যে কাজ করছেন বলে তিনি জানান। তবে চিকিৎসা দিলে গরু সুস্থ্ হয়ে যায় বলেও তিনি জানান। তবে উপজেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়নি এবং প্রতিকারের কোনরুপ পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।এতে স্থানীয়া ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট