1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
পোরশায় গরুর বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভার দেখা দিয়েছে, প্রাণী সম্পদ বিভাগ নজর দিচ্ছে না - দৈনিক সবুজ নগর
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
কুষ্টিয়ায় দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অন্তত ১৫ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে ভাঙচুরে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু চাঁপাইনবাবগঞ্জে আধিপত্যের জেরে ককটেল বিস্ফোরণ: ১১টি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার বদরগঞ্জের সরলার বাজারে দোকানে হামলা-ভাঙচুর, পৌনে এক লাখ টাকার মালামাল লুট কুষ্টিয়ায় ভাইয়ের কোপে বড় ভাইয়ের মৃত্যু, পরিবারের দাবি দুর্ঘটনা চাঁপাইনবাবগঞ্জে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষের প্রস্তুতি: ১১টি ককটেল উদ্ধার বান্দাইখাড়ায় আত্রাই থানা পুলিশের অভিযান, ২১০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ নারী গ্রেফতার আদিবাসী অধিকার ও সংগঠন শক্তিশালীকরণের লক্ষ্যে পোরশায় বিশাল ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সারিয়াকান্দিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ক্ষতিগ্রস্ত ৩ পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা সিরাজুল ইসলাম ফুল চলচ্চিত্রে পা রাখলেন শেরপুরের ইয়াকুব আলী সরকার, অভিনয় করছেন ‘খোকন’ সিনেমায়

পোরশায় গরুর বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভার দেখা দিয়েছে, প্রাণী সম্পদ বিভাগ নজর দিচ্ছে না

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৯ জুলাই, ২০২৩
  • ৩৪৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

পোরশা(নওগাঁ)প্রতিনিধি………………………………………………….

নওগাঁর পোরশা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গরুর ভাইরাস জনিত ‘লাম্পি স্কিন ডিজিজ’(এলএসডি), খুরা ও পেট ফোলা রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে সহস্রাধিক গরু এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে এবং মারাও গেছে। এ সংক্রমণ রোগ ধীরে ধীরে বেড়ে যাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়ছে স্থানীয় খামারী ও গরুর মালিকরা। তবে প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর থেকে কার্যকরা কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছেনা বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে।

 

উপজেলার ঘাটনগর ইউনিয়নের নিস্কিনপুর, মোল্লাপাড়া, নিতপুর ইউনিয়নের সোহাতী, তেতুলিয়া ইউনিয়নের জালুয়া, গাংগুরিয়া ইউনিয়নের আমদা সহ বিভিন্ন গ্রামে দেখা গেছে গরুর লাম্পি স্কিন ডিজিজ ও খুরা রোগের প্রদুর্ভাব। নিস্কিনপু গ্রামের রেজাউল করিম ও সাইফুদ্দিনের একটি করে গরু মারা যাওয়ায় তারা সহ গ্রামের অনেকই দিশেহারা হয়ে পড়ছেন। খামারীরাও গরু নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন বলে জানাগেছে।

 

এ রোগগুলোর লক্ষণ সম্পর্কে স্থানীয় পশু মালিকরা জানান, প্রথমে আক্রান্ত গরুর জ্বর, ব্যথা ও খাওয়া খেতে চায় না।। এরপর শরীরের বিভিন্ন অংশে ফুলে যাওয়াসহ মুখ দিয়ে লালা পড়তে শুরু করে। গরুর শরীরের বিভিন্ন স্থানে চামড়ায় গুটি গুটি ক্ষত হয়। এতে করে গরু দুর্বল হয়ে যায়।

 

উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে “লাম্পি স্কিন ডিজিজ” ছড়িয়ে পড়ার কথা স্বীকার করেন। এ বিষয়ে তারা স্থানীয় গরু মালিকদের সচেতন করার লক্ষ্যে কাজ করছেন বলে তিনি জানান। তবে চিকিৎসা দিলে গরু সুস্থ্ হয়ে যায় বলেও তিনি জানান। তবে উপজেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়নি এবং প্রতিকারের কোনরুপ পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।এতে স্থানীয়া ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট