
রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) উদ্যোগে মহানগরের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কলিমনগর সেন্ট লুইসপাড়া ও কয়েরদাঁড়া খ্রিস্টানপাড়ার প্রধান ফটক এবং ফটক থেকে পবিত্র পরিবার ক্যাথলিক গির্জার সীমানাপ্রাচীর পর্যন্ত ইউনিব্লক রাস্তা নির্মাণ কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর ২০২৬) বিকেল ৩টায় ফলক উন্মোচন ও ফিতা কেটে কয়েরদাঁড়া খ্রিস্টানপাড়ার প্রধান ফটক ও নবনির্মিত ইউনিব্লক রাস্তার শুভ উদ্বোধন করেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন। উদ্বোধন শেষে প্রধান ফটকের পাশেই একটি স্মারক গাছের চারা রোপণ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, “কয়েরদাঁড়া খ্রিস্টানপাড়ার বাসিন্দারা আমার কাছে প্রায় ১৬টি দাবি জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে প্রধান ফটক ও সড়ক নির্মাণ এবং আলোকায়নসহ প্রায় ১৪টি দাবি ইতিমধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয়েছে। অবশিষ্ট দাবিগুলোও পর্যায়ক্রমে পূরণ করা হবে।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন রাসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আহমদ আল মঈন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মো. মামুন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফএএম আঞ্জুমান আরা বেগম, নির্বাহী প্রকৌশলী (উন্নয়ন) মাহমুদুর রহমান ইমন, নির্বাহী প্রকৌশলী (উন্নয়ন) নিলুফার ইয়াসমিন, সহকারী প্রকৌশলী ইউসুফ আলী ঈশা ও উপসহকারী প্রকৌশলী সানোয়ার ইসলাম ছবি।

ধর্মীয় ও স্থানীয় সামাজিক প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পবিত্র পরিবার ক্যাথলিক গির্জার পালপুরোহিত ফাদার লিটন কস্তা, গ্রামপ্রধান রাফায়েল মুর্মু, মাইকেল মারান্ডি ও মঞ্জু বিশ্বাস।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবেদুর রেজা রিপন, মহানগর যুবদলের সাবেক শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ রনি হোসেন রাহুল, মহানগর মহিলা দলের ক্রীড়া সম্পাদিকা বীথী মনি এবং মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সারওয়ার পারভেজ রকিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।
প্রধান ফটক নির্মাণ, সড়ক উন্নয়ন ও আলোকায়নসহ বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা বাস্তবায়ন করায় রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটনের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এলাকার অধিবাসীরা। এসব অবকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে এলাকার নান্দনিকতা বৃদ্ধির পাশাপাশি যাতায়াত ব্যবস্থা আরও সহজ ও আরামদায়ক হবে বলে স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন।#