1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
রাজশাহীতে অবৈধ প্লাস্টিক কারখানা, স্বাস্থ্যঝুঁকি ও পরিবেশ দূষণে ভুগছে স্থানীয়রা - দৈনিক সবুজ নগর
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
প্রবীণ শিক্ষক আবু সাঈদ মাস্টার আর নেই শাপলা সৃজনমঞ্চ নজরুল উৎসবের উদ্বোধন করলেন রাসিক প্রশাসক রাসিক প্রশাসক রিটন মহিষবাথান পূর্বপাড়া জামে মসজিদের উন্নয়ন কাজ ও ঈদগাহ পরিদর্শন শিবগঞ্জে পুলিশি অভিযানে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক: উদ্ধার পিস্তল, গুলি ও ম্যাগজিন নওগাঁর পত্নীতলায় নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ সামন্তসেনা মাদ্রাসায় নবীন বরণ ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সৈয়দ মিজানুর রহমানকে অশ্রুসিক্ত বিদায় নওগাঁর আত্রাইয়ে অস্থিতিশীলতার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ কোনো অরাজকতা, সহিংসতা ও নাশকতা চায় না: ফজলুল হক মিলন এমপি ভোলায় পারিবারিক বিরোধে স্ত্রীকে এসিড নিক্ষেপ: স্বামী আটক এনসিপির ভোলা জেলার নতুন কমিটি ঘোষণার পরই সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ

রাজশাহীতে অবৈধ প্লাস্টিক কারখানা, স্বাস্থ্যঝুঁকি ও পরিবেশ দূষণে ভুগছে স্থানীয়রা

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৫৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ মমিনুল ইসলাম মুন বিশেষ প্রতিনিধি : রাজশাহীর পবা উপজেলার হড়গ্রাম ইউনিয়নের বড়বাড়িয়া এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই গড়ে উঠেছে প্লাস্টিক ও পলিথিন রিসাইক্লিং কারখানা। দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত এ কারখানার কারণে কয়েক হাজার মানুষ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, কারখানার বিষাক্ত ধোঁয়া, বর্জ্য ও দুর্গন্ধে তারা নাজেহাল।

জানা যায় , মেসার্স ইমন প্লাস্টিক’ নামের এই কারখানায় শ্রমিকরা কোনোরকম সুরক্ষা ছাড়াই পলিথিন ও প্লাস্টিক বাছাই করছেন। খোলা আকাশে শুকানো হচ্ছে প্লাস্টিকের আবর্জনা, যা বাতাসে উড়ে আশপাশের বাড়িঘরে গিয়ে পড়ছে। শ্রমিকরা মাস্ক বা গ্লাভস ছাড়াই কাজ করছেন। এছাড়া কারখানায় অগ্নিনির্বাপণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই, ফলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

এলাকাবাসীরা জানান, “কারখানার বর্জ্য রাস্তায় ফেলা হয়। দুর্গন্ধে চলাচল কষ্টকর হয়ে পড়েছে। পরিবেশ দূষণের কারণে আমরা নানা রোগ-জীবাণুর আক্রমণের শিকার হচ্ছি।” কারখানার মালিক মো. শরিফ আলী দাবি করেন, ফ্যাক্টরি পরিচালনার জন্য সার্টিফিকেট রয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার স্বীকার করেছেন, তাদের কাছে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই। শুধু ফায়ার সার্ভিসের পুরোনো কাগজপত্র দিয়েই ব্যবসা চালানো হচ্ছে।

স্থানীয় সচেতন মহল জানান প্লাস্টিকের বিষাক্ত বর্জ্য রাস্তায় ফেলায় এই সড়কে যাতায়াত করা হাজার সাধারণ মানুষ সহ আমাদেরকে রোগ-জীবাণু আক্রমণ করছে। এছাড়া এ এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ বিপর্যয়ের সম্মুখীন হচ্ছে। আমরা অতিদ্রুত এই কারখানা বন্ধের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট