1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
মায়ের কোল খালি, ছেলের পথচলা থেমে গেল—৩ ঘণ্টার ব্যবধানে মা-ছেলের মৃত্যু, পাশাপাশি দাফন ঠাকুরগাঁওয়ে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে প্রেস ব্রিফিং  মৃত্যুর পর আমলনামা জারির প্রকৃত মাধ্যম ও প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণা ভোলাহাটে জ্বালানী তেলের সঙ্কটে দিশেহারা কৃষক, পর্যাপ্ত তেল না পেয়ে ধান ও আমের মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা বিঘ্নিত দৌলতপুর আলিম মাদ্রাসায় দাখিল পরীক্ষার্থীদের দোয়া অনুষ্ঠিত রূপসায় প্রফেসর আব্দুর রশিদ এর ২য় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত বিদায় অনুষ্ঠানে কাঁদালেন সবাইকে,  খুলনার তরুণ কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আমির হামজার হৃদয়স্পর্শী বক্তব্য সেই ৩৯ শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ সম্পন্ন, দুশ্চিন্তা কাটলো এসএসসি পরীক্ষার পোরশা উপজেলা প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন বাঘায় সুষ্ঠ সুন্দর পরিবেশে প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত.উপস্থিতির হারে বালিকা এগিয়ে

রাজশাহীতে অবৈধ প্লাস্টিক কারখানা, স্বাস্থ্যঝুঁকি ও পরিবেশ দূষণে ভুগছে স্থানীয়রা

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৯০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ মমিনুল ইসলাম মুন বিশেষ প্রতিনিধি : রাজশাহীর পবা উপজেলার হড়গ্রাম ইউনিয়নের বড়বাড়িয়া এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই গড়ে উঠেছে প্লাস্টিক ও পলিথিন রিসাইক্লিং কারখানা। দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত এ কারখানার কারণে কয়েক হাজার মানুষ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, কারখানার বিষাক্ত ধোঁয়া, বর্জ্য ও দুর্গন্ধে তারা নাজেহাল।

জানা যায় , মেসার্স ইমন প্লাস্টিক’ নামের এই কারখানায় শ্রমিকরা কোনোরকম সুরক্ষা ছাড়াই পলিথিন ও প্লাস্টিক বাছাই করছেন। খোলা আকাশে শুকানো হচ্ছে প্লাস্টিকের আবর্জনা, যা বাতাসে উড়ে আশপাশের বাড়িঘরে গিয়ে পড়ছে। শ্রমিকরা মাস্ক বা গ্লাভস ছাড়াই কাজ করছেন। এছাড়া কারখানায় অগ্নিনির্বাপণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই, ফলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

এলাকাবাসীরা জানান, “কারখানার বর্জ্য রাস্তায় ফেলা হয়। দুর্গন্ধে চলাচল কষ্টকর হয়ে পড়েছে। পরিবেশ দূষণের কারণে আমরা নানা রোগ-জীবাণুর আক্রমণের শিকার হচ্ছি।” কারখানার মালিক মো. শরিফ আলী দাবি করেন, ফ্যাক্টরি পরিচালনার জন্য সার্টিফিকেট রয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার স্বীকার করেছেন, তাদের কাছে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই। শুধু ফায়ার সার্ভিসের পুরোনো কাগজপত্র দিয়েই ব্যবসা চালানো হচ্ছে।

স্থানীয় সচেতন মহল জানান প্লাস্টিকের বিষাক্ত বর্জ্য রাস্তায় ফেলায় এই সড়কে যাতায়াত করা হাজার সাধারণ মানুষ সহ আমাদেরকে রোগ-জীবাণু আক্রমণ করছে। এছাড়া এ এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ বিপর্যয়ের সম্মুখীন হচ্ছে। আমরা অতিদ্রুত এই কারখানা বন্ধের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট