
বিশেষ প্রতিনিধি: বাঘা থেকে ঈদে নতুন পোষাক (জামা) কিনে ম্যাচ থেকে বেরিয়ে চরের বাড়িতে ফেরার পথে মোটরসাইকেল থেকে পাকা রাস্তায় ছিটকে পড়ে মাথায় লেগে গুরুতর আহত মোসাঃ নুসরাত জাহান সাদিয়া খাতুন মা’রা গেছেন। তিনি বাঘা সদরে মোজাহার হোসেন মহিলা ডিগ্রি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী । আহতের ৬দিন পর বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) মারা যান বাঘা উপজেলার চকরাজাপুর ইউনিয়নের কালিদাশখালি গ্রামের বাসিন্দা মোঃ সায়েম শিকদারের একমাত্র মেয়ে সাদিয়া খাতুন। এদিন বৃহসপতিবার যোহর নামাজের পর গ্রামের বাড়িতে জানাযার নামাজের শেষে এলাকার কবরস্থানে দাফন করা হয়।
জানা যায়, ১৩ মার্চ দুপুরে সাদিয়া খাতুন মোটরসাইকেল যোগে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে মোটরসাইকেল থেকে পাকা রাস্তায় ছিটকে পড়ে গিয়ে মাথায় লেগে মারাত্মকভাবে আহত হন। তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাখা হয়। চিকিৎসা নেওয়ার পর তার অবস্থার উন্নতি হলে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। বৃহসপতিবার আবারও তার অবস্থার অবনতি হলে রামেক হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ইউনিয়নের ইউপি সদস্য সহিদুল ইসলাম। সাদিয়ার অকাল মৃত্যুতে শুধু পরিবারেই নয় তার এলাকায় নেমে আসে শোকের মাতম।
কলেজের অধ্যক্ষ নছিম উদ্দীন জানান, বাঘায় ম্যাচে থেকে সে পড়া লেখা করতো। ছাত্রীর মৃত্যুতে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন অধ্যক্ষ নছিম উদ্দীন। #