1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
ডিজির নির্দেশে ঈশ্বরদীর ইক্ষু গবেষণাগারে গুড় উৎপাদন ও অনিয়মের অভিযোগ - দৈনিক সবুজ নগর
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
দেবহাটা উপজেলাকে শিশুশ্রম ও স্কুল বহির্ভূত শিশুমুক্ত ঘোষণা কোভিড প্রকল্পে জালিয়াতি: সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের ৬ মামলা অপপ্রচার চালিয়ে জনগণের দৃষ্টি উন্নয়ন থেকে সরানোর চেষ্টা চলছে: রুহুল কবির রিজভী এমপি চাঁদকে সংবর্ধনা দিল মনিগ্রাম কলেজ; শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ কুষ্টিয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলায় দুই আসামির জামিন: আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের তীব্র বিক্ষোভ শিবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবারো অনিয়ম ও দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য, ম্যানেজের চেষ্টার অভিযোগ নাচোলে কৃষি ডিপ্লোমা কলেজ জামে মসজিদে ওযুখানা ও টয়লেট নির্মাণকাজের উদ্বোধন পোরশায় নিরাপদ ও মানসম্মত মাংস উৎপাদনে কসাইদের প্রশিক্ষণ রাজশাহী প্রেসক্লাব সভাপতি সাইদুর রহমানের জানাজা সম্পন্ন জাকের মঞ্জিল দরবার শরীফের উরস শরীফ ২০২৭ উপলক্ষ্যে কালীগঞ্জে দাওয়াতী জলসা অনুষ্ঠিত

ডিজির নির্দেশে ঈশ্বরদীর ইক্ষু গবেষণাগারে গুড় উৎপাদন ও অনিয়মের অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬
  • ২০৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ স্টাফ রিপোর্টার,ঈশ্বরদী,পাবনা : ঈশ্বরদীতে অবস্থিত বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষনা ইনস্টিটিউট (বিএসআরআই)। এর প্রদর্শনী প্লটের আখ দিয়ে উৎপাদিত গুড়ের গুনগত মান পরীক্ষা-নীরিক্ষা শেষে পৌঁছে যায় ভোক্তা মহলে। সেই ইক্ষু গবেষনা কেন্দ্রের অভ্যন্তরে শারীরিকতত্ব রসায়নিক বিভাগের আওতাধীন গবেষনার আড়ালে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশেই তৈরি হচ্ছে এসব আখের গুড় এবং সেখান থেকেই বাজারজাতকরণ করা হচ্ছে। শুধু তাই নয় গুড় তৈরিতে ব্যবহার হচ্ছে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কেমিক্যালও। সেখানে সাংবাদিকের উপস্থিতি দেখে দায়িত্বরত ইনচার্জ মোঃ হাসান তারেক ক্ষিপ্ত হয়ে ভিডিও ধারনে বাঁধা ও বাকবিতন্ডা করে বলেন “কার পারমিশন নিয়ে এখানে এসেছেন”। সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে ঈশ্বরদী সুগারক্রপ গবেষনা ইনস্টিটিউটের ভিতরে গুড় তৈরির স্থানে গেলে এ ঘটনা ঘটে ।

জানা গেছে, বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষনা ইনস্টিটিউটের অভ্যন্তরে ফিজোলোজিয়াম সুগার কেমিস্ট বিভাগের আওতায় (শারীরিকতত্ব রসায়নিক) তিনটি সেডে দীর্ঘদিন গুড় উৎপাদন হয়ে আসছে এবং সেখানে আবাদকৃত আখ থেকে প্রতিদিন প্রায় দেড় মন গুড় উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ করা হতো। কিন্তু হটাৎ করে কয়েকদিন যাবত আখ আসা বন্ধ হয়ে সেখানে গুড় উৎপাদন কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে। গত তিনদিন যাবত সেই গুড় উৎপাদন চলছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খামার বিভাগের আওতায়। তবে কেন বা কি কারণে হটাৎ করে খামার বিভাগের আওতায় গুড় উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হলো তা শারীরিকতত্ব রসায়নিক বিভাগের দায়িত্বরত কেউই বলতে পারেননি। এদিকে ফিজোলোজিয়াম বিভাগের নিয়োগপ্রাপ্ত দক্ষ গুড় উৎপাদক দুলাল হোসেনকে বাদ দিয়ে বাহির থেকে গুড় উৎপাদক এনে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে সেটিও আবার নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে যা নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্রের অভ্যন্তরে খামার বিভাগের পেছনে টয়লেটের ট্যাংকি ও খোলা ড্রেনের মাঝখানে নতুন চুল্লি করে দুটি কড়াইয়ে আখের রস জ্বালিয়ে গুড় তৈরি করছেন শ্রমিকরা। পাশেই পাত্রে রাখা রয়েছে ক্ষতিকর কেমিক্যাল। এদিকে ড্রেনের নোংরা পানির দূর্গন্ধে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকাও ছিল বেশ দুষ্কর। জ্বালানি আখের রসের উপরের ফ্যানটা পাশেই ফেলা হচ্ছে সেগুলোও পঁচে মাছি উড়তে দেখা গেছে। তবুও দেদারসে চলছে এমন নোংরা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্রের মত দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের গুড় উৎপাদন কার্যক্রম।

এদিকে সাংবাদিকের উপস্থিতি দেখে খামার বিভাগের দায়িত্বরত ইনচার্জ মোঃ হাসান তারেক এসে ভিডিও ধারনে বাঁধা দিয়ে ক্ষিপ্ততার সুরে বলেন “কার পারমিশন নিয়ে এখানে এসেছেন”। এসময় নোংরা পরিবেশে এমন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের গুড় তৈরি করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সরাসরি বলেন, মহাপরিচালকের নির্দেশক্রমে ও দেখানো স্থানেই কাজ হচ্ছে।
গুড় জ্বালানি কাজে নিয়োজিত শ্রমিক নুরুল ইসলাম বলেন, আমরা এসব বিষয়ে কিছুই জানিনা। নোংরা পরিবেশ সেটা তো দেখাই যাচ্ছে কিন্তু আমরা তো কিছু বলতে পারিনা। আমরা শ্রমিক আমাদের যা করতে বলবে তাই করতে বাধ্য। আমরা নিজ হাতে গুড় জ্বালাচ্ছি আমাদের কাছে ভালোই মনে হচ্ছে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট