1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
রাজশাহী – ৬ আসনে এক মঞ্চে সব প্রার্থী, নির্বাচনী ইশতেহার ও আচরণবিধি পালনের ঘোষণা শিবগঞ্জে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আত্রাইয়ে জামায়াতের জনসমাবেশ, দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোট চাইলেন খবিরুল ইসলাম আত্রাইয়ে আগাম আমের মুকুল, চাষিদের মাঝে আশার আলো নওগাঁর রাণীনগরে হাতপাখার প্রার্থীর গণসংযোগ ও পথসভা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্যাপকলের পানি নেয়কে কেন্দ্র করে পিটিয়ে হত্যা বাঘায় ব্যতিক্রম আয়োজনে ‘পিঠা-পুলি’র উৎসব মির্জাপুরে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে পাহাড়ি এলাকায় হাসপাতাল নির্মাণ হবে: আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী রাজনৈতিক শিষ্টাচারের অপমৃত্যু: বিবেকের কাঠগড়ায় আমাদের সংস্কৃতি রূপসায় ইজিবাইকের ধাক্কায় শিশু কন্যা নিহত

বাংলাদেশের আলোচিত ভয়াবহ ৮ ট্রেন দুর্ঘটনা, প্রতিরোধের উপায় নেই

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩১ জুলাই, ২০২২
  • ২৩৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

আবুল কালাম আজাদ …………………..

ভ্রমণের জন্য ট্রেনকে সবচেয়ে নিরাপদ মনে হলেও রেলপথে দুর্ঘটনার সংখ্যা কম নয়।

বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছিল ১৯৮৯ সালের ১৫ জানুয়ারি টঙ্গীতে। মুখোমুখি দুই ট্রেনের সংঘর্ষে ওই সময় ১৭০ জন নিহত হয়েছিলেন। ১৯৮৩ সালের ২২ মার্চ পাবনার ঈশ্বরদীর কাছে সেতুর স্প্যান ভেঙে একটি ট্রেনের কয়েকটি বগি শুকনো জায়গায় পড়ে যায়। ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় ৬০ জন নিহত হন।

১৯৮৫ সালের ১৩ জানুয়ারি খুলনা থেকে পার্বতীপুরগামী সীমান্ত এক্সপ্রেসের কোচে আগুন ধরে ২৭ জনের মৃত্যু হয়। ঠিক তার পরের বছরেই (১৯৮৬ সালের ১৫ মার্চ) কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার কাছে ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে নদীতে পড়ে ২৫ জন যাত্রী নিহত হন। ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারি রাতে হিলিতে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনের সঙ্গে অন্য একটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫০ জনের বেশি যাত্রী নিহত হয়।

২০১০ সালে নরসিংদীতে চট্টগ্রামগামী একটি ট্রেনের সঙ্গে ঢাকাগামী ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকসহ ১২ জন নিহত হন। ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর ভোররাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় সিগন্যাল অমান্য করে মূল লাইনে ঢুকে পড়ায় দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ১৬ জন নিহত হন। সবশেষ ২০২২ সালের ২৯ জুলাই চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ট্রেনের ধাক্কায় পর্যটকবাহী মাইক্রোবাসের ১১ যাত্রী নিহত হয়েছেন। তবে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

যে হারে ট্রেন দুঘর্টনা বাড়ছে তাতে করে ট্রেনে ভ্রমণ প্রিয়দের জন্য চরম আতংকের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।সবাই ট্রেনকে নিরাপদ ভ্রমণ মনে করে ইদানিং বাসের চেয়ে রেলপথে যাতায়াত করছে বেশি মানুষ। কিন্তু এভাবে ট্রেন দুঘটর্না বাড়তে থাকলে ট্রেনের প্রতি ভ্রমণ প্রিয়রা আস্থা হারাবে।এজন্য রেল বিভাগকে দুঘটর্না প্রতিরোধে আধুনিক পদক্ষেপ নিতে হবে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট