1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
বাংলাদেশের আলোচিত ভয়াবহ ৮ ট্রেন দুর্ঘটনা, প্রতিরোধের উপায় নেই - দৈনিক সবুজ নগর
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
দেবহাটা উপজেলাকে শিশুশ্রম ও স্কুল বহির্ভূত শিশুমুক্ত ঘোষণা কোভিড প্রকল্পে জালিয়াতি: সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের ৬ মামলা অপপ্রচার চালিয়ে জনগণের দৃষ্টি উন্নয়ন থেকে সরানোর চেষ্টা চলছে: রুহুল কবির রিজভী এমপি চাঁদকে সংবর্ধনা দিল মনিগ্রাম কলেজ; শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ কুষ্টিয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলায় দুই আসামির জামিন: আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের তীব্র বিক্ষোভ শিবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবারো অনিয়ম ও দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য, ম্যানেজের চেষ্টার অভিযোগ নাচোলে কৃষি ডিপ্লোমা কলেজ জামে মসজিদে ওযুখানা ও টয়লেট নির্মাণকাজের উদ্বোধন পোরশায় নিরাপদ ও মানসম্মত মাংস উৎপাদনে কসাইদের প্রশিক্ষণ রাজশাহী প্রেসক্লাব সভাপতি সাইদুর রহমানের জানাজা সম্পন্ন জাকের মঞ্জিল দরবার শরীফের উরস শরীফ ২০২৭ উপলক্ষ্যে কালীগঞ্জে দাওয়াতী জলসা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশের আলোচিত ভয়াবহ ৮ ট্রেন দুর্ঘটনা, প্রতিরোধের উপায় নেই

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩১ জুলাই, ২০২২
  • ৩১৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

Table of Contents

আবুল কালাম আজাদ …………………..

ভ্রমণের জন্য ট্রেনকে সবচেয়ে নিরাপদ মনে হলেও রেলপথে দুর্ঘটনার সংখ্যা কম নয়।

বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছিল ১৯৮৯ সালের ১৫ জানুয়ারি টঙ্গীতে। মুখোমুখি দুই ট্রেনের সংঘর্ষে ওই সময় ১৭০ জন নিহত হয়েছিলেন। ১৯৮৩ সালের ২২ মার্চ পাবনার ঈশ্বরদীর কাছে সেতুর স্প্যান ভেঙে একটি ট্রেনের কয়েকটি বগি শুকনো জায়গায় পড়ে যায়। ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় ৬০ জন নিহত হন।

১৯৮৫ সালের ১৩ জানুয়ারি খুলনা থেকে পার্বতীপুরগামী সীমান্ত এক্সপ্রেসের কোচে আগুন ধরে ২৭ জনের মৃত্যু হয়। ঠিক তার পরের বছরেই (১৯৮৬ সালের ১৫ মার্চ) কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার কাছে ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে নদীতে পড়ে ২৫ জন যাত্রী নিহত হন। ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারি রাতে হিলিতে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনের সঙ্গে অন্য একটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫০ জনের বেশি যাত্রী নিহত হয়।

২০১০ সালে নরসিংদীতে চট্টগ্রামগামী একটি ট্রেনের সঙ্গে ঢাকাগামী ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকসহ ১২ জন নিহত হন। ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর ভোররাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় সিগন্যাল অমান্য করে মূল লাইনে ঢুকে পড়ায় দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ১৬ জন নিহত হন। সবশেষ ২০২২ সালের ২৯ জুলাই চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ট্রেনের ধাক্কায় পর্যটকবাহী মাইক্রোবাসের ১১ যাত্রী নিহত হয়েছেন। তবে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

যে হারে ট্রেন দুঘর্টনা বাড়ছে তাতে করে ট্রেনে ভ্রমণ প্রিয়দের জন্য চরম আতংকের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।সবাই ট্রেনকে নিরাপদ ভ্রমণ মনে করে ইদানিং বাসের চেয়ে রেলপথে যাতায়াত করছে বেশি মানুষ। কিন্তু এভাবে ট্রেন দুঘটর্না বাড়তে থাকলে ট্রেনের প্রতি ভ্রমণ প্রিয়রা আস্থা হারাবে।এজন্য রেল বিভাগকে দুঘটর্না প্রতিরোধে আধুনিক পদক্ষেপ নিতে হবে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট