# ফারুক হোসেন নয়ন, বদরগঞ্জ ( রংপুর) প্রতিনিধি:
রংপুরের বদরগঞ্জে ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের কাছে তথ্য চাওয়ায় দুর্নীতি আড়াল করতে অফিসিয়াল ল্যাপটপ এবং নাটক সাজিয়ে দুর্নীতি আড়াল করার অপচেষ্টা ১৫ নং লোহানীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ সচিব আশিকুর রহমান ও কয়েকজন ইউপি সদস্য। একাধিক তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (২৬-জুন)সকাল সাড়ে এগারোটার দিকে উপজেলার লোহানীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে সচিব আশিকুর রহমানের কাছে v w b কার্ড বিতরণের তথ্য চাইলে সচিব আশিকুর রহমান রহমান সাংবাদিক ফারুক হোসেন নয়নের উপরে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন এবং কয়েকজন ইউপি সদস্যের মিলে সাংবাদিক নয়ন কে অফিস কক্ষেই তাদের হাতে হেনস্থার শিকার হয় সাংবাদিক নয়ন। এ ঘটনা পরে দৈনিক আমার দেশের বদরগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি এম এ সালাম বিশ্বাস সহ কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মী ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে সাংবাদিকদের দেখেই আশিকুর রহমান এবং ইউপি সদস্যরা ইউনিয়ন পরিষদ ত্যাগ করেন।
চলতি বছরে লোহানী পাড়া ইউনিয়ন পরিষদ উইম্যান বেনিফিট’ (ভি ডাব্লাউ বি) কর্মসূচির আওতায় অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন জমা পড়ে ৫৩৪টি ।ভালনারেবল উইম্যানবেনিফিট’ (ভিডব্লিউবি )কর্মসূচিরতার মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ কার্ড বরাদ্দ পায় ২৯৪ টি। এই কার্ড বিতরণে লাগামহীন দুর্নীতির তথ্য আসে গণমাধ্যম কর্মীদের হাতে। সে তথ্য ও চূড়ান্ত তালিকার সূত্র সাংবাদিক নয়ন তথ্য সংগ্রহে মাঠে নামেন ও অনিয়মের প্রমাণ মিলে।এসব কার্ড যাচাই বাছাই করার কথা থাকলেও তা করা হয়নি।
তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিক ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, আপনাকে কেন তথ্য দিবো একথা বলেই উত্তেজিত হয়ে সাংবাদিকের হাতে থাকা মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ভেঙ্গে ফেলেন। উইম্যান বেনিফিট’ (ভিডব্লিউবি) কর্মসূচি। ইউপি সদস্য ইউনুস আলী জানান. সচিব সহ আমরা রাজনৈতিক দলের নেতাদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা করে দিয়েছি। জামায়াতকে দেয়া হয় ১০টি, বিএনপির নেতাকর্মীকে দেওয়া হয়েছে ৩৪টি, ছাত্রদলকে ১০টি, বৈষম্যে ১০টি চৌকিদার ১০টি, ইউনিয়নের সচিবের ভাগে ১০টি গেলো ২৬ জুন লটারির মাধ্যমে যাচাই বাছাই করার কথা ছিল।
দৈনিক পল্লী বাংলা বদরগঞ্জ প্রতিনিধি সবুজ আহমেদ বলেন, কার্পেটের নিচেই রয়েছে দুর্নীতির খনি। তথ্য চাওয়া চরম ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সহ কয়েকজন ইউপি সদস্য। দুস্থ মাতার কার্ডে ভাগ বসিয়েছেন জামাত ও বিএনপি। খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে এই চিত্র শুধু লোহানি পাড়া ইউনিয়নের উপজেলার সব গুলো ইউনিয়নের অবস্থা একই রকমের।
বিএনপির লোহানীপাড়া সভাপতি নিপুল সরকার বলেন আমি শুনেছি যে বিএনপির ছেলেপেলেরা কার্ড নিয়েছে। লোহানীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সমাজসেবা কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, সামান্য কিছুটা অনিয়ম হয়েছে। অনিয়ম যে হয়নি সেটা বলবো না।
এ ঘটনায় সাংবাদিক মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।#