
মোঃ ফিরোজ আহমেদ, বিশেষ প্রতিনিধিঃ পবিত্র শবে বরাতে করনীয় আল্লাহ তায়ালা শাবানের মধ্যে রজনীতে বান্দাদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করবেন। তবে এক্ষেত্রে আমাদের কিছু কারণীয় রয়েছে। কুরআন তিলাওয়াত যে কোন সূরা দিয়ে নফল নামায যিকির আযকার, দু’আ ইস্তিগফার কবর জিয়ারত মৃত ব্যক্তিদের মাগফেরাতের দোয়া করাও সাওয়াবের কাজ। উক্ত রাতে কোন ধরা বান্ধা নিয়মে নফল নামায পড়া হাদীস দ্বারা প্রমাণিত নয়।
উল্লেখ্য লাইলাতুল বারা’আতের পরদিন রোযা রাখা নফল ইবাদত, কেউ শা’বানের ১৩,১৪,১৫ তারিখে রোযা রাখতে পারলে উত্তম। আর অবশ্যই বিভিন্ন কুসংস্কার বর্জন করতে হবে। শিরিক হতে বেঁচে থাকতে হবে – কেননা আল্লাহতালা যে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করবেন সেখান থেকে মুশরিকদের কে ক্ষমা করা হবেনা । মা-বাবার নাফরমানি হতে বেঁচে থাকা – মা-বাবার নাফরমানি করা বা তাদেরকে কষ্ট দেয়া কবিরা গুনাহ। তাই আমাদেরকে এটা থেকে সদা সর্বদা বেঁচে থাকতে হবে।
টাখনুর নিচে কাপড় পরিধান করা থেকে বিরত থাকা – হাদিসে আছে – যে টাখনুদ্বয়ের নীচে কাপড় ঝুলিয়ে পরা হয় তা আগুনের মধ্যে জ্বলবে। নেশা করা, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা এবং হিংসা বিদ্বেষ থেকেও আমাদের বেঁচে থাকতে হবে, যাতে আমরা আল্লাহতালার ক্ষমা পায়।#