1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
শিবগঞ্জে ১৫৯ টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রথম দুই ঘন্টায় ভোট পড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ ​ষোলো বছরের প্রতীক্ষা ও জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন: একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পথচ্ছবি ঈশ্বরদী ও পাবনা জেলার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন বেশ তৎপর পুঠিয়ায় ট্রাক-ভটভটি সংঘর্ষে নিহত ২ আহত ২ বিজিবি-বিএসএফ’র উদ্যোগ: ভারতে মারা যাওয়া মাকে শেষবারের মতো দেখলেন ২ মেয়ে রাজশাহীতে নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন,আগামিকাল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট  রূপসায় ৬৬ কেন্দ্রে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা.সেনাসহ ভ্রাম্যমান পুলিশ মোতায়েন কড়া নিরাপত্তায় আত্রাইয়ের ভোট কেন্দ্রে পৌঁছানো হলো ব্যালট বাক্স ও সরঞ্জাম আগামীর নির্বাচন: প্রত্যাশা ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ

 দুর্ঘটনায় নিহত প্রবাসী চঞ্চলের দাফন সম্পন্ন

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২১ মে, ২০২৫
  • ১৪১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ বিশেষ প্রতিনিধিঃ ধার দেনা পরিশোধ করে নতুন স্বপ্নে বিয়ে করে ঘর বাঁধার ইচ্ছা ছিল প্রবাসীর । তার আগেই দুর্ঘটনায় স্বপ্ন ভেঙে দেশে ফিরলো লাশ হয়ে । মালোশিয়ায় নিহতের বিশ দিন পর শাহ আলম চঞ্চল(২৫) এর মরদেহ দেশের নিজ গ্রামে এনে দাফন করা হয়েছে।

বুধবার(২১-০৫-২০২৫) সকাল ১০টায় জানাযার নামাজ শেষে দাফন করা হয়। শাহ আলম চঞ্চল রাজশাহীর বাঘা উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের মহদীপুর গ্রামের জফির উদ্দীন মৃধার ছেলে। গত ৩০ এপ্রিল’২৫ বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮ টায় ভেকু (এক্সকাভেটর) মেশিনের ধাক্কায় পড়ে গিয়ে নিহত হন শাহ আলম চঞ্চল ।

সরেজমিন বুধবার (২১-০৫-২০২৫) তার গ্রামের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়,মরদেহের অপেক্ষায় থাকা স্বজনদের আহাজারি। দাফন শেষেও চলছিল কান্নার রোল। বাক রুদ্ধ মা-বাবা। বুক চাপড়িয়ে কাঁদছিল একমাত্র ছোট বোন সুমি খাতুনও।Open photo

জানা যায়,দুই বছর আগে শ্রমিকের ভিসা নিয়ে মালোশিয়া গিয়েছিলেন শাহ আলম চঞ্চল।সেখানকার একটি কোম্পানিতে কাজ করছিলেন ভেকু (এক্সকাভেটর) মেশিন চালকের সহকারি (হেল্পার) হিসেবে। সবে মাত্র সেই ধারদেনা পরিশোধ করে নতুন করে স্বপ্ন দেখছিলেন পরিবার। কিন্তু ওই ভেকু মেশিনেই প্রাণ গেছে তার। স্বপ্ন ভেঙে চুরমার পরিবারের।

নিহতের পিতা জফির উদ্দীন কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন,কোরবানীর ঈদের পরে ছুটিতে বাড়িতে এসে বিয়ে করার কথা ছিল ছেলের। মৃত্যুর আগের দিন রাতেও ছেলের সাথে কথা হয়েছে তাদের। তার সাথে কথা বলে জানা গেল, মালোয়েশিয়ায় যে কোম্পানীতে কাজ করছিলেন,সেই কোম্পানীর খরচেই মরদেহ ঢাকার বিমান বন্দরে পৌঁছে দিয়েছেন। সেখান থেকে মরদেহ নিজ বাড়িতে নিয়ে আসা পর্যন্ত তার খরচ হয়েছে ১৭ হাজার টাকা।

মা সাথী বেগম বলছিলেন,ছেলেকে বিয়ে দিয়ে বউ ঘরে এনে সংসার করাবেন। ছেলের বউ রান্না করে আমাদের খাওয়াবেন, দেখ ভাল করবেন। সেই আশা আর পূর্ণ হলোনা। ছেলে লাশ হয়ে বাড়িতে ফিরবেন ভাবতেও পারিনি। #

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট