1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
 কতৃর্পক্ষের গাফলতির কারেণে রাজশাহী জেলায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ  পরীক্ষায় পাস করেও ৫০ জন চাকরিপ্রার্থী  মৌখিক পরীক্ষায় অংশ  নিতে পারছে না  - দৈনিক সবুজ নগর
শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
 তারেক রহমানের ভারত সফর এখনো অনিশ্চিত—চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কেন হয়নি? নওহাটা পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা শরীফের উঠান বৈঠক সাবেক উপসচিব আবু হেনা মোস্তফা কামালের মৃত্যুতে রাসিক প্রশাসকের শোক কাজলা বড় জামে মসজিদে পবিত্র জুমার নামাজ আদায় ও নির্মাণাধীন মসজিদ পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন দলের জার্সি উন্মোচন ও বিতরণ সারের বেশি দাম ও অব্যবস্থাপনায় জরিমানা গুনলেন বিসিআইসির ডিলার আশা ও মদিনা ট্রেডার্স চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুই কোটি ৩২লাখ টাকার হিরোইন ও মটরসহ আটক ২  নবনির্বাচিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাসিকের প্রশাসকের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মনোনীত হওয়ায় এ্যাড. রুহুল কবির রিজভীকে রাসিক প্রশাসকের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বাঘায় ১০ দিনব্যাপী ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ চলমান 

 কতৃর্পক্ষের গাফলতির কারেণে রাজশাহী জেলায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ  পরীক্ষায় পাস করেও ৫০ জন চাকরিপ্রার্থী  মৌখিক পরীক্ষায় অংশ  নিতে পারছে না 

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৫ মার্চ, ২০২৪
  • ৪৫৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

# আরাফাত হোসেন…………………………………………….

রাজশাহী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাইদুল ইসলামের গাফিলতিতে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০২৩ লিখিত পরীক্ষায় পাস করেও আগামী ২০-০৩-২০২৪ তারিখ থেকে শুরু হতে যাওয়া মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না ৫০ জন চাকরিপ্রার্থী। প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩ এর লিখিত পরীক্ষা  অতিসম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয় এবং ফলাফল প্রকাশিত হয়। ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর ফলাফল নোটিশ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইট এবং নোটিশ বোর্ডে টাঙানো হয়। কিন্তু এই সময়ে রাজশাহী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইটে অনেকেই সিকিউরিটি ইররের কারণে প্রবেশ করতে পারেননি। ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে না পারা এবং তথ্য না জানার কারণে তারা যথা সময়ে কাগজপত্র জমা দিতে পারেন নি এবং অনেকেই মৌখিক পরীক্ষার সময়সুচি প্রকাশের আগেও কাগজপত্র নিয়ে জমা দেওয়ার চেস্টা করেও জমা দিতে পারেননি। এক্ষেত্রে মানবিকতার আশ্রয় না নিয়ে নিয়মের বেড়াজালে ফেলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার লিখিত পরীক্ষায় পাস করার পরও গ্রামের সুবিধাবঞ্চিত মেধাবী চাকরি প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত রেখেছেন।

উল্লেখ থাকে যে ২য় গ্রুপে রাজশাহী, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩ একযোগে অনুষ্ঠিত হয় এবং তাদের মৌখিক পরীক্ষার জন্য কাগজ জমাদানের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। অন্যান্য জেলায় যারা কোন কারণবশত কাগজপত্র জমা দিতে পারেননি, পরবর্তীতে তাদের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ সাপেক্ষে প্রতিজন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীর কাগজপত্র জমাদান নিশ্চায়ন করা হয়েছে। রাজশাহী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ১৪-০৩-২০২৪ তারিখ প্রকাশিত মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচির নোটিশে ৯৯৯ জন পাসকৃত চাকরিপ্রার্থীর মধ্যে ৯৪৯ জনের কাগজপত্র জমা হয়েছে এবং বাকি ৫০ জনের কাগজপত্র জমা হয়নি এবং তাদের ৯৪৯ জনেরই এডমিট কার্ড ইস্যু হবে এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে।

বিভিন্ন জেলায় কথা বলে এবং সরেজমিনে চেক করে জানা গেছে যে, যারা কোন কারণবশত নির্ধারিত সময়ে কাগজপত্র জমা দিতে পারেনি তাদের জেলা শিক্ষা অফিস থেকে ফোনে যোগাযোগ করে কাগজপত্র জমা নেওয়া হয়েছে এবং অনেক জেলায় কাগজপত্র জমাদানের সময় বর্ধিত করা হয়েছে, যেমন খুলনা জেলায় কাগজপত্র জমা দেওয়ার তারিখ দুইবার পরিবর্তন করা হয়েছে ও শতভাগ কাগজপত্র জমা নিশ্চিত করা হয়েছে। কিন্তু রাজশাহী জেলা শিক্ষা অফিসের অধীনে যারা লিখিত পরীক্ষায় পাস করেছে এবং কোন কারণবশত নির্ধারিত সময়ে কাগজপত্র জমা দিতে পারেনি তারা কোন প্রকার মেসেজ বা ফোন কল রাজশাহী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে পাননি।এবং ওইভাবেই জেলা শিক্ষা অফিসার মৌখিক পরীক্ষার সময়সুচি প্রকাশ করে ফেলেছেন। তাদের সাথে কোন মাধ্যমে যোগাযোগ কেন করা হল না এই মর্মে রাজশাহী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাইদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে চাওয়া হলে তিনি এর কোন সদুত্তর দিতে পারেন নি।

এই বিষয়ে কয়েকজন সুধী নাগরিকের কাছে প্রশ্ন রাখা হলে, মো: আলম বলেন, মানুষের জীবনে বিভিন্ন ঘটনা ঘটতে পারে কারো বাবা মারা যেতে পারে, কেউ অসুস্থ থাকতে পারে, তাই বলে এরকম অমানবিক কাজ করা ঠিক হয়নি, ৫০ জন চাকরিপ্রার্থী মানে ৫% না জানার কারণেই বাদ, এইটা বিশাল গাফিলতি, তাদের সাথে অন্তত একটা ফোন কলে যোগাযোগ করা উচিৎ ছিল।

মাসুদ বলেন, তাদের এতজন কর্মচারী, কর্মকর্তা কী করেন অফিসে বসে যে ৫০ টা নাম্বারে ফোন দিয়ে এই মেসেজ টা পৌঁছে দিতে পারেননি? যেখানে অন্য সকল জেলার সবাই শতভাগ কাগজ জমা সম্পন্ন করলো সেখানে রাজশাহী জেলার বেলায় এত গাফিলতি কেন? এই বিষয়ে সঠিক তদন্ত করে দায়ীদের শাস্তির ব্যবস্থা করা এবং পাস করার পরও মোখিক পরীক্ষা বঞ্চিত মেধাবী চাকরিপ্রার্থীদের পরীক্ষার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিৎ।

সরকারি চাকুরীজিবি আমিনুল ইসলাম বলেন, এরকম নিয়ম আমি আগে কোথায় দেখিনি যে, লিখিত পরীক্ষায় পাস করার পরও শুধুমাত্র কাগজ জমাদান না করায় মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। এইটা ৫০ জন চাকুরীপ্রার্থীর জন্য অন্যায় হয়েছে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট