1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
উপকূল সুরক্ষায় বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান তানোর খাদ্যগুদামে দারোয়ানদের দৌরাত্ম্য বাঘায় পাল্টা পাল্টি কর্মসূচি আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের, সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক সিপিএসসি, র‌্যাব-৫, রাজশাহী কর্তৃক ভিকটিম উদ্ধার, অপহরণকারী  গ্রেফতার গাজা অফিসের কাছে হামলায় ২২ জন নিহত : রেডক্রস নয়াদিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা রাসেল ভাইপার নিয়ে আতঙ্ক নয়, বাড়াতে হবে সাবধানতা ও সচেতনতা : পরিবেশ মন্ত্রণালয় সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যায় ২০ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত : ইউনিসেফ গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের সেই গাছ কি আদৌ কথা বলে? আওয়ামী লীগ কচু পাতার উপর শিশির বিন্দু নয়: ওবায়দুল কাদের

রেলওয়ের বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী আন্ত:নগর ট্রেন বহরে চায়না কোচ যুক্ত করায় যাত্রী সাধারণের ভোগান্তি

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৭ জুন, ২০২৪
  • ২৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ক্যাপশন: রাজশাহী ও খুলনাসহ বিভিন্ন রুটে ঢাকার মধ্যে চলাচলকারী চায়না কোচ দিয়ে তৈরী ট্রেন।

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি: সদ্য চীন থেকে আমদানীকৃত যাত্রীবাহী ট্রেনের কোচ বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী আন্ত:নগর ট্রেন বহরে যুক্তকরায় দায়িত্বরত সকল ট্রেনের ইনচার্জ পরিচালক ও যাত্রীদের প্রতিনিয়ত নানাবিদ সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। শুধুমাত্র ডবিøউইসিডিআর এর ইনচার্জ পরিচালক ব্রেকভ্যান অংশে সর্বরাহকৃত কর্তব্যরত ট্রেন ইনচার্জ পরিচালকের বসার চেয়ার নিয়মমাফিক ফিক্সড না থাকা, ইনচার্জ পরিচালক ব্রেকভ্যান অংশ প্রয়োজনের তুলনায় ছোট হওয়া, ইনচার্জ পরিচালক ব্রেকভ্যান অংশের এক সাইডে খেলনা টাইপের ছোট বৈদ্যুতিক পাখা লাগানো,জানালার গ্লাস খোলার ব্যবস্থা না থাকায় কর্তব্যরত বেশ কয়েকজন ট্রেন ইনচার্জ পরিচালক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ।

আবার অনেক ট্রেন ইনচার্জ পরিচালক দায়িত্বপালন করতে গিয়ে অসুস্থ হওয়ার পথে । দরজা জানালার লক সিষ্টেম ঠিক না হওয়ায় ইতিমধ্যে হাতের আঙ্গুল কেটে কয়েকজন ট্রেন পরিচালক আহত হয়েছেন। ঢাকার রাজশাহীর ও ঈশ্বরদী হয়ে খুলনা ঢাকার মধ্যে চলাচলকারী আনন্নগর সিল্কসিটি ও চিত্রাসহ বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী দুরপাল্লার আন্ত:নগর ট্রেনের ইনচার্জ পরিচালক এবং যাত্রীদের দেওয়া অভিযোগ সূত্রে এসব তথ্য জানাগেছে।

সূত্রমতে,সম্প্রতি চীন থেকে আমদানীকৃত এসব যাত্রীবাহী কোচ বাংলাদেশের ট্রেন বহরে যুক্ত করে যাত্রী পরিবহণ করা হচ্ছে। বাহ্যিক দৃষ্টিতে কোচগুলো ইন্দোনেশিয়া,ভারতসহ অন্যান্য দেশ থেকে আমদানী করা কোচ গুলোর চেয়ে দেখতে কোন অংশে কম না হলেও এর বিভিন্ন অংশে অনেক ত্রুটি রয়েছে। যেমন, দরজা, লক, জানালা, ওয়াশরুম, বেচিন,ফ্যানের ব্যাপক সমস্যা রয়েছে। ইনচার্জ পরিচালক এর জন্য চেয়ারগুলি ফিক্সড না থাকায় মাঝে মধ্যে দূর্ঘটনার আশংকা রয়েছে। বেসিনে ট্যাপ ছাড়লে পানি ছিটে কাপড় নষ্ট হয়ে যায়। ওয়াশরুমের দরজা চাপা হওয়ায় মোটা মানুষের জন্য প্রবেশ করা কঠিন। আবার ওয়াশ রুমের ভিতরের স্পেসও প্রয়োজনের তুলনায় কম। শুধুকি তাই, ট্রেনের সম্মুখের অলস ব্রেকভ্যানের জিম্বাদার বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রচলিত বিধিবিধানের আলোকে ট্রেন ইনচার্জ পরিচালকের দায়িত্বে না থাকায় প্রতিটি ট্রেনের যাত্রী ও মালামালের ঝুঁকি রয়েছে।

উক্ত ব্রেকভানে বিভিন্ন ধরনের অসাধু উপায় অবলম্বন করা হচ্ছে। এসব ব্রেকভ্যানে বিনা টিকিটের যাত্রী ও অবৈধ মালামাল বহণ করা হচ্ছে। অবৈধ কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে অলস গার্ডব্রেকগুলির মূল্যবান সরঞ্জামাদি চুরিরও সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। একই সাথে ঐ ব্রেকভ্যানগুলিতে নাসকতার সুযোগসহ নানাবিদ সমস্যা সৃষ্টির আশংকাও দেখা দিয়েছে। সমস্যার এখানেই শেষ নয়,সাধারণ ও আনুসাঙ্গিক আইন বই এর ১৪৪ বিধি মোতাবেক ব্রেকভ্যানের পিছনের টেইলবোর্ড ও টেইল ল্যাম্প লাগানোর ব্্র্যাকেটটির প্রশস্থতা বেশী হওয়ায় নির্দিষ্ট ব্্র্যাকেটে এগুলো লাগানো সম্ভব হচ্ছেনা।

চাইনা কোচের গার্ডসব্রেকের এয়ার প্রেসার ব্যবহার করার পদ্ধতি ভিন্ন যা জিআর-১২৫ সাথে সাংঘর্ষিক। এসমস্ত সকল সমস্যা সমাধানের জন্য সম্প্রতি ঈশ^রদী,রাজশাহী,খুলনা ও পার্বতীপুর হেডকোয়ার্টারের ইনচার্জ পরিচালকবৃন্দের পক্ষ থেকে ডিটিও পাকশী ও পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের চীফ অপারেটিং সুপারিনটেন্ডেন্ট এর নিকট আবেদন করা হয় এবং আবেদনের অনুলিপি নিয়মানুযায়ি মহাপরিচালক থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন দায়িদত্বশীল কর্মকর্তাদের অবহিত করা হলেও অদ্যবধি কোন কাজ না হওয়ায় ইনচার্জ পরিচালকবৃন্দ হতাশায় ভুগছেন।

ট্রেন ইনচার্জ পরিচালকবৃন্দ ও যাত্রীদের এসব অভিযোগের বিষয়ে,বাংলাদেশ রেলওয়ে,রাজশাহীর মহা-ব্যবস্থাপক অসীম কুমার তালুকদার জানান,আমাদের দেশে ট্রেনগুলো যেভাবে তৈরী হয় সেই প্রেক্ষাপটে খাপখাইয়ে ট্রেনগুলো তৈরী করা হবে। এখানে এমন ডিজাইন করা হয়েছে তা ফেলে দেওয়ার মত না। তবে টুকটাক চলার মত। যেমন ফ্যান দিয়ে যে বাতাস আসে তাতে কাজ হয়না। এটা এসির আওতায় আনা যেত। ফ্যানটা আসলে সাইডে না দিয়ে উপরে লাগানো হলে ভাল হত। আমরা এটাকে মোডিফাই করার চিন্তা করেছি। মাথার উপর একটি র‌্যাক তৈরী করতে হবে যেখানে ফ্যান লাগানোর জায়গা থাকবে এবং চেয়ারগুলো যাতে উঠে না যায় সেভাবে ফিক্সড করতে হবে। এই কাজ গুলো করেন প্রজক্ট এর কর্মকর্তারা। আর আমরা আছি ওপেন লাইনে কাজ করার জন্য। ঐইটা আমাদের হাতে নেই।কোচের ডিজাইন ও আমাদের দেশের পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে সকল প্রকার সুবিধা সৃষ্টির লক্ষে্য ইঞ্জনিয়ার ও পিডি রয়েছেন। মূলত: তারাই আলাপ আলোচনা করে এই সমস্যা সমাধানের সিদ্ধান্ত নিবেন। যারা আমদানী করবেন তাদের কাছে এসবের পরামর্শ আছে। এই টুকটাক সমস্যার সমাধান তারাই করবেন।

একই অভিযোগের বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক সরদার সাহাদত আলী জানান, ভারত, চাইনা, কোরিয়া বা অন্যান্য দেশ থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ে যে সমস্ত কোচ আমদানী করছে এর ডিজাইন এর সাথে কিছু ভিন্ন প্রযুক্তিগত সুবিধা ও যাত্রীদের ভিন্ন ধরনের সুবিধা বিবেচনা করে ডিজাইন পরিবর্তন করে আমরা কোচগুলো আমাদের রেলওয়ে বহরে যুক্ত যাত্রীদের চলাচলের ব্যবস্থা করে থাকি। কোন কোন ক্ষেত্রে কিছু কিছু চিন্তা চেতনার কারণে আমরা যেভাবে ব্যবহার করতাম হয়ত সে ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন আসায় দেখা যাচ্ছে কিছু কিছু সমস্যা তৈরী হচ্ছে।

ইতি মধ্যে আমাদের  মন্ত্রী  নির্দেশনা দিয়েছেন যে, আগামিতে যে সমস্ত কোচ আমরা আমদানী করব সেটি সকল বিভাগীয় কর্মকর্তার সমন্বয়ে এই ডিজাইটি পরিকল্পনা করে একটি সমন্বিত নক্সা প্রনয়ন করা হবে। যেটি যাত্রীদের জন্য এবং আমাদের রেলের যারা ব্যবহারকারী থাকবে তাদের সকলের জন্য সুবিধা সম্পন্ন একটি নক্সা তৈরী করার নির্দেশনা দিয়েছেন । আমরা সেভাবেই কাজ করছি। আগামিতে যে কোচগুলো আমদানী করা হবে তাতে সকল সুযোগ সুবিধা সংরক্ষনের ব্যবস্থা করা হবে।#

 

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট