1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
রাসিক প্রশাসকের সাথে নারী উদ্যোক্তা সমাজ কল্যাণ সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন দই, মিষ্টি ও ঘি বিক্রেতাকে জরিমানা চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎ এর লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন,বিঘ্ন ঘটছে কৃষি   ও কলকারখানাতেও রাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্ত্রী অপহরণ-হত্যাচেষ্টার মামলা: ১৭ দিনেও গ্রেফতার নন অভিযুক্ত রাজশাহীতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ সমাবেশ ডিবি পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজি করতে এসে জনতার হাতে ধরা   মির্জাপুরে এক নারীর সঙ্গে আলতাব হোসেনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখার ঘটনায় চাকরি থেকে বরখাস্ত রাজশাহীতে পাঁচ দিনব্যাপী রাজশাহীর উদ্যোক্তা মেলার সমাপনী অনুষ্ঠিত জুলাই বিপ্লবী রাজশাহীর শহীদ রায়হান-সাকিব হত্যার বিচার দুই বছরেও হয়নি, নেই মামলার ভাল অগ্রগতি লালপুরে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় আটক ২

বাগমারায় দারিদ্র্যকে হার মানিয়ে একসঙ্গে প্রাথমিক বৃত্তি পেল জমজ ভাই-বোন

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬
  • ২০৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

# বাগমারা প্রতিনিধিঃ বাগমারা (রাজশাহী) প্রতিনিধি: জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন অন্যের জমিতে শ্রম দেন বাবা। সংসারের অভাব-অনটনের মাঝেও দুই সন্তানের পড়াশোনা যেন থেমে না যায়—সেই স্বপ্ন বুকে নিয়ে সংগ্রাম করে চলেছেন বাবা-মা। সেই ত্যাগ, কষ্ট আর অদম্য ইচ্ছাশক্তিরই স্বীকৃতি মিলেছে আজ।

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার একডালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমজ ভাই-বোন শামিউল ইসলাম শামস ও শুহরাত জাহান শাম্মী একসঙ্গে প্রাথমিক বৃত্তি অর্জন করে পরিবারের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। জানা যায়, দুই সন্তানের বাবা শামীম প্রামাণিক একজন দিনমজুর। অন্যের জমিতে কাজ করে যা আয় হয়, তা দিয়েই কোনোমতে চলে সংসার। অভাবের কারণে অনেক সময় পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদাও পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। তবুও সন্তানদের পড়াশোনার ক্ষেত্রে কখনো আপস করেননি বাবা-মা। নিজেদের কষ্ট লুকিয়ে রেখে বই-খাতা, স্কুলের খরচ এবং লেখাপড়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করার চেষ্টা করেছেন সবসময়। সন্তানদের এই অর্জনের কথা বলতে গিয়ে আবেগে কেঁদে ফেলেন মা আফরোজা।

তিনি বলেন, “আমরা খুব গরিব মানুষ। আমার স্বামী অন্যের জমিতে কাজ করে যা রোজগার করেন, তা দিয়ে কোনো রকমে সংসার চলে। অনেক সময় নিজের জন্য কিছু কিনিনি, শুধু ভেবেছি ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা যেন বন্ধ না হয়। কত রাত চিন্তায় কেটেছে, কীভাবে তাদের পড়ার খরচ দেব। আজ আমার জমজ ছেলে-মেয়ে একসঙ্গে বৃত্তি পেয়েছে। এই আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। মনে হচ্ছে, আমাদের সব কষ্ট আজ সার্থক হয়েছে। আমি চাই, তারা পড়াশোনা করে মানুষের মতো মানুষ হোক।”

একডালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বাহাদুর রহমান বকুল বলেন, “শামিউল ইসলাম শামস ও শাম্মী অত্যন্ত মেধাবী, নিয়মিত ও পরিশ্রমী শিক্ষার্থী। আর্থিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও তারা যেভাবে পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রেখেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। একসঙ্গে দুই শিক্ষার্থীর বৃত্তি অর্জন আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য গর্বের বিষয়।”

এলাকাবাসীর মতে, শামিউল ইসলাম শামস ও শাম্মীর এই সাফল্য প্রমাণ করে—দারিদ্র্য কখনো মেধা ও স্বপ্নকে থামিয়ে রাখতে পারে না। সঠিক সুযোগ ও আন্তরিক প্রচেষ্টা থাকলে প্রত্যন্ত গ্রামের একটি সংগ্রামী পরিবার থেকেও জাতির জন্য গর্ব বয়ে আনা সম্ভব।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট