1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
বাগমারায় দারিদ্র্যকে হার মানিয়ে একসঙ্গে প্রাথমিক বৃত্তি পেল জমজ ভাই-বোন - দৈনিক সবুজ নগর
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
নবনিযুক্ত স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর সাথে রাসিক প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ সিটি কর্পোরেশনের খেলার মাঠের সুব্যবস্থাকরণের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হরিপুর কালিগঞ্জ বাজারে পূবালী ব্যাংক পিএলসির বাংলা কিউআর বুথ উদ্বোধন  বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এ্যাড. রুহুল কবির রিজভীর সাথে রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনের সৌজন্য সাক্ষাৎ   মির্জাপুরে বিয়ের প্রলোভনে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ, অন্তঃসত্ত্বা ৫ মাসের হঠাৎ বন্ধ পাগলা নদীর সেতুর নির্মাণকাজ—দুর্ভোগে শিবগঞ্জের লাখো মানুষ আত্রাইয়ে হাটকালুপাড়া-কালিকাপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে কাজীহাটা ১ নং পুরাতন জামে মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজশাহীর বিদায়ী বিভাগীয় কমিশনারকে রাসিকের বিদায় সংবর্ধনা রাজশাহীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শুরু হলো ‘জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬

বাগমারায় দারিদ্র্যকে হার মানিয়ে একসঙ্গে প্রাথমিক বৃত্তি পেল জমজ ভাই-বোন

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬
  • ২১৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

# বাগমারা প্রতিনিধিঃ বাগমারা (রাজশাহী) প্রতিনিধি: জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন অন্যের জমিতে শ্রম দেন বাবা। সংসারের অভাব-অনটনের মাঝেও দুই সন্তানের পড়াশোনা যেন থেমে না যায়—সেই স্বপ্ন বুকে নিয়ে সংগ্রাম করে চলেছেন বাবা-মা। সেই ত্যাগ, কষ্ট আর অদম্য ইচ্ছাশক্তিরই স্বীকৃতি মিলেছে আজ।

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার একডালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমজ ভাই-বোন শামিউল ইসলাম শামস ও শুহরাত জাহান শাম্মী একসঙ্গে প্রাথমিক বৃত্তি অর্জন করে পরিবারের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। জানা যায়, দুই সন্তানের বাবা শামীম প্রামাণিক একজন দিনমজুর। অন্যের জমিতে কাজ করে যা আয় হয়, তা দিয়েই কোনোমতে চলে সংসার। অভাবের কারণে অনেক সময় পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদাও পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। তবুও সন্তানদের পড়াশোনার ক্ষেত্রে কখনো আপস করেননি বাবা-মা। নিজেদের কষ্ট লুকিয়ে রেখে বই-খাতা, স্কুলের খরচ এবং লেখাপড়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করার চেষ্টা করেছেন সবসময়। সন্তানদের এই অর্জনের কথা বলতে গিয়ে আবেগে কেঁদে ফেলেন মা আফরোজা।

তিনি বলেন, “আমরা খুব গরিব মানুষ। আমার স্বামী অন্যের জমিতে কাজ করে যা রোজগার করেন, তা দিয়ে কোনো রকমে সংসার চলে। অনেক সময় নিজের জন্য কিছু কিনিনি, শুধু ভেবেছি ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা যেন বন্ধ না হয়। কত রাত চিন্তায় কেটেছে, কীভাবে তাদের পড়ার খরচ দেব। আজ আমার জমজ ছেলে-মেয়ে একসঙ্গে বৃত্তি পেয়েছে। এই আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। মনে হচ্ছে, আমাদের সব কষ্ট আজ সার্থক হয়েছে। আমি চাই, তারা পড়াশোনা করে মানুষের মতো মানুষ হোক।”

একডালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বাহাদুর রহমান বকুল বলেন, “শামিউল ইসলাম শামস ও শাম্মী অত্যন্ত মেধাবী, নিয়মিত ও পরিশ্রমী শিক্ষার্থী। আর্থিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও তারা যেভাবে পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রেখেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। একসঙ্গে দুই শিক্ষার্থীর বৃত্তি অর্জন আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য গর্বের বিষয়।”

এলাকাবাসীর মতে, শামিউল ইসলাম শামস ও শাম্মীর এই সাফল্য প্রমাণ করে—দারিদ্র্য কখনো মেধা ও স্বপ্নকে থামিয়ে রাখতে পারে না। সঠিক সুযোগ ও আন্তরিক প্রচেষ্টা থাকলে প্রত্যন্ত গ্রামের একটি সংগ্রামী পরিবার থেকেও জাতির জন্য গর্ব বয়ে আনা সম্ভব।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট