
নিজস্ব প্রতিবেদক, নাটোর: নাটোরের স্থানীয় দৈনিক বারবেলা পত্রিকার সহকারী সম্পাদক মেহেরুল ইসলামের (মোহন) বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইনে মিথ্যা, বানোয়াট, কুরুচিপূর্ণ এবং মানহানিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ৪ জনের বিরুদ্ধে লালপুর থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক।
অভিযোগে জানানো হয়, গত ২৩ আগস্ট সকাল ৭টা থেকে ২৪ আগস্ট সকাল ১১টা পর্যন্ত অভিযুক্তরা পরস্পর যোগসাজশে নিজেদের ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে মেহেরুল ইসলাম এবং ‘দৈনিক বারবেলা’র প্রকাশক ও সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলেক উদ্দিন শেখের বিরুদ্ধে মানহানিকর বক্তব্য প্রচার করেন।
সাংবাদিক মেহেরুল ইসলাম জানান, অভিযুক্তরা তাদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিষয় নিয়ে আপত্তিকর অসত্য তথ্য ছড়ানোর পাশাপাশি দৈনিক জয় সাগর ও দৈনিক লাখো কণ্ঠসহ একাধিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করে। পরবর্তীতে সেগুলো মেসেঞ্জার, ফেসবুক গ্রুপ এবং বিভিন্ন প্রোফাইলে ট্যাগ ও কমেন্টের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এর ফলে সমাজে তাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও পেশাগত ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

ইতোমধ্যে ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট ফেসবুক পোস্ট, কমেন্ট, অনলাইন সংবাদের লিংক ও স্ক্রিনশটসহ প্রয়োজনীয় ডিজিটাল প্রমাণ সংরক্ষণ করা হয়েছে, যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জমা দেওয়া হবে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে লালপুর ও বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে।
লালপুর থানার ওসি বলেন, “অভিযোগটি আমরা পেয়েছি। এতে উল্লিখিত তথ্য ও ডিজিটাল প্রমাণগুলো যাচাই-বাছাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
অন্যদিকে বড়াইগ্রাম থানার ওসি বলেন, “যেহেতু বিষয়টি দুই থানা এলাকার সাথে জড়িত, তাই লালপুর ও বড়াইগ্রাম থানা যৌথভাবে সমন্বয় করে তদন্ত কার্যক্রম চালাচ্ছে। সত্যতা পাওয়া গেলে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ভুক্তভোগী সাংবাদিক মেহেরুল ইসলাম ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অপপ্রচারের উৎস শনাক্ত করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।#