1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
অবিরাম বৃস্টিতে ভোলায় বিস্তীর্ণ এলাকা, সড়ক ও জনপদ পানির নীচে, দূর্ভোগে কয়েক হাজার গ্রামবাসী - দৈনিক সবুজ নগর
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
ক্লাস চলাকালীন কোচিং সেন্টার বন্ধের নির্দেশ রাজশাহী জেলা প্রশাসনের ভিসার আবেদনে দালালদের খপ্পরে পড়বেন না, নিজে আবেদন করুন: মনোজ কুমার রাসিক প্রশাসকের প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন: অবশেষে সম্পন্ন হেতেমখাঁ-বর্ণালী সড়কের সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ শিবগঞ্জে ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে তুলা ব্যবসায়ী নিহত নাচোলে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রধান শিক্ষকদের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত, ৮৮টি বিদ্যালয়ে ফুটবল বিতরণ যন্তর মন্তরে ককরোচদের নাটকীয় ঝটিকা অভিযান: রাঙ্কা-সৌরভসহ ১৪ জন আটক, পটনায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ নিউ ইয়র্ক বিমানবন্দরে তীব্র বিক্ষোভের মুখে ড. মুহাম্মদ ইউনূস: ‘সন্ত্রাসবাদী’ স্লোগান ও আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ঢাকার বজ্রপাত প্রতিরোধ ও পরিবেশ রক্ষায় আত্রাইয়ে আনসার-ভিডিপির উদ্যোগে ১ হাজার তাল বীজ রোপণ আত্রাইয়ে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, ৫৪টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজার সুসংগঠিত প্রস্তুতি রাজশাহীতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভ্যর্থনা জানালেন রাসিক প্রশাসক

অবিরাম বৃস্টিতে ভোলায় বিস্তীর্ণ এলাকা, সড়ক ও জনপদ পানির নীচে, দূর্ভোগে কয়েক হাজার গ্রামবাসী

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬
  • ১৪৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ সাব্বির আলম বাবু, বিশেষ প্রতিনিধিঃ গত কয়েকদিন টানা বৃষ্টিতে ভোলা পৌর এলাকাসহ কয়েকটি উপজেলায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে বৃষ্টির পানিতে ভোলা সদর, বোরহানউদ্দিন, দৌলতখান, লালমোহন ও মনপুরা উপজেলার কয়েকটি সড়কসহ বিভিন্ন এলাকা পানিতে ডুবে যায়। এতে উপকূলের হাজারো মানুষ পানিবন্দী রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের কথা জানা গেছে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরা থেকে।

উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম, সড়ক, ফসলের মাঠ ও নিম্নাঞ্চল হাঁটুসমান পানিতে তলিয়ে গেছে। মনপুরা উপজেলার কলাতলী ইউনিয়নের ঢালচর, কাজীরচর ও কলাতলী চরের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল তিন থেকে চার ফুট পানিতে ডুবে গেছে। এসব এলাকার বাসিন্দারা প্রয়োজনীয় কাজেও ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। মনপুরা উপকূলের মূল ভূখণ্ডের পাশাপাশি বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলেও জলাবদ্ধতা দেখা দেওয়ায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের রহমানপুর গ্রাম ও দক্ষিণ সাকুচিয়া এলাকার বিভিন্ন গ্রামে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

হাজিরহাট ইউনিয়নের দাসেরহাট ও চরযতিনের নিম্নাঞ্চল, সোনারচর গ্রামের পূর্ব ও পশ্চিম অংশেও পানি জমে রয়েছে। জমে থাকা পানির কারণে বহু মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ঘর থেকে বের হতে না পারায় দোকানপাট, ব্যবসা-বাণিজ্য ও দৈনন্দিন কাজকর্মে ভাটা পড়েছে। আর কাজ বন্ধ থাকায় খেটে খাওয়া দরিদ্র মানুষের চুলায় হাঁড়িও উঠছে না।

হাজিরহাট ইউনিয়নের বাসিন্দা সফিজল, হেলাল ও ইউসুফ; দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের রাকিব; উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের সজীব ও হাসান এবং মনপুরা ইউনিয়নের নাহিদ ও মোস্তফা বলেন, পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না করেই চারপাশে বেড়িবাঁধের কাজ চলছে। ফলে বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা দেখা দেয়।

তাদের অভিযোগ, উপজেলার বেশ কয়েকটি স্লুইসগেট দীর্ঘদিন ধরে অকেজো হয়ে পড়ে আছে। ফলে খাল দিয়ে দ্রুত পানি নামতে না পারায় বৃষ্টির পানি লোকালয়ে আটকে যাচ্ছে। দ্রুত স্লুইসগেট মেরামত এবং কার্যকর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

লালমোহন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল জানান, টানা বৃষ্টিতে উপজেলার বেশীর ভাগ ইউনিয়নের ওয়ার্ডগুলোতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে ওই এলাকার সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্প সহ কয়েক সহস্রাধিক পরিবার পানিবন্দী রয়েছেন। পরে সেখানে পানি নিষ্কাশনের জন্য স্থানীয়দের সহায়তায় একটি মোটা পাইপ স্থাপন করা হয়েছে। এতে জলাবদ্ধতা কিছুটা কমবে বলেও তিনি মনে করেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট