1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
শিবগঞ্জে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, রাজশাহী সিটি ইউনিটের উদ্যোগে কর্মশালা সিরাক বাংলাদেশ এর উদ্যোগে রাজশাহীতে নগর জলবায়ু ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অ্যাডভোকেসি সভা সচেতনতা বৃদ্ধি বিষয়ে রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে কল্পনা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থার নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ নগর ভবনে Reverse Osmosis  বিশুদ্ধ পানি ব্যবস্থাপনার উদ্বোধন করলেন রাসিক প্রশাসক গুরুদাসপুর ও বড়াইগ্রাম এলাকা হতে লালপুরে ইয়াবা সাপ্লাই দিতে এসে ৭০ পিস ইয়াবা সহ আটক-২ ফ্যামিলি কার্ড সবাই পাবে-বাঘায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ অনুষ্ঠানে এমপি চাঁদ ‎মির্জাপুর দেওহাটা আলহাজ্ব জোনাব আলী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় আয়োজিত আন্ত: শ্রেণি ফুটবল ও হ্যান্ডবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে কোর্ট দলিল লেখক সমিতির নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময়

শ্যামনগরে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬
  • ১০৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

# শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলাম, তার ছেলে এবং কয়েকজনের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ এনে মামলা করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আর-রাদ কর্পোরেশন। তবে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে অভিযোগের সঙ্গে ভিন্ন চিত্র পাওয়া গেছে। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, জাইকা (JICA)-এর অর্থায়নে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে পূর্ব দুর্গাবাটি এলাকায় সরকারি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ পরিচালনা করছে আর-রাদ কর্পোরেশন।

অভিযোগে বলা হয়, চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলাম ৫ আগস্ট ২০২৪ সালের পর থেকে বিভিন্নভাবে চাঁদা দাবি করে আসছেন এবং চাঁদা না দেওয়ায় প্রকল্পের কাজ বন্ধের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া ১৪ এপ্রিল ২০২৬ সালের পর থেকে তার দাবিকৃত চাঁদা না দেওয়ায় প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে বলেও এজাহারে দাবি করা হয়। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, বিষয়টি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হলে ১৩ মে ২০২৬ তারিখে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ দেওয়া হয়। এরপরও অভিযুক্তরা বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন। ১৯ মে রাতে প্রকল্প এলাকায় এসে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং কাজ চালিয়ে গেলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রাণনাশ ও স্থাপনা পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া ২৩ মে দুপুরে চেয়ারম্যান, তার ছেলে এবং স্থানীয় কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ২০-২৫টি মোটরসাইকেলে করে প্রকল্প এলাকায় এসে কাজ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আর-রাদ কর্পোরেশনের নির্মাণকাজ স্বাভাবিকভাবেই চলমান রয়েছে। স্থানীয় উন্নয়নকর্মী তুহিন মণ্ডল বলেন, “আর-রাদ কর্পোরেশন যে অভিযোগে মামলা করেছে, সেটি সঠিক নয়। আমরা এখানে কখনো চাঁদাবাজির কারণে কাজ বন্ধ হতে দেখিনি। যেদিন ও যে সময়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেদিন চেয়ারম্যানসহ আমরা অনেকেই ইউনিয়ন পরিষদে বাজেট সভায় উপস্থিত ছিলাম।”

স্থানীয় বাসিন্দা রহিম আকন্দ বলেন, “বরং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পরিবেশের ক্ষতি করে কাজ করছে। এসব বিষয়ে কেউ কথা বলতে গেলে তাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হয়।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া গেলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা। আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য এ ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে। আইনগতভাবে আমি বিষয়টি মোকাবিলা করব।” তবে মামলার অভিযোগের বিষয়ে আর-রাদ কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে আনীত অভিযোগের সত্য বলে জানিয়েছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট