
এসআই টিটুল,ঈশ্বরদী: পাবনা জেলা বিএনপির আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব গ্রুপের আটঘরিয়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আতাউর রহমান রানার ভাতিজা মিরাজুল ইসলাম সাজুকে আটঘরিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করার প্রতিবাদে ও পুনরায় সকল মহলের গ্রহণযোগ্য নতুন কমিটি গঠনের দাবিতে আটঘরিয়ার আওয়ামীলীগ,যুবলীগ ও ছাত্রলীগের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। একইসাথে বিএনপির মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টিহয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্বশরীরে ঈশ্বরদীতে এসে ও মোবাইল ফোনে আটঘরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীেগ,যুবলীগ ও ছাত্রলীগের দেওয়া একাধিক অভিযোগ সূত্রে এসব তথ্য জানানো হয়।
সূত্রমতে, প্রতিবাদ,নিন্দা জ্ঞাপন,পকেট কমিটি বাতিল করণের জোর দাবি করে অভিযোগে জানানো হয়,গত ২২শে জুন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান সাক্ষরিত আটঘরিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে যাহা অত্যন্ত পক্ষ পাত দুষ্ট।
উপজেলা ছাত্রলীগের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকা ছাত্রনেতা কর্মীদের বাদ দিয়ে সূত্রমতে, প্রতিবাদ,নিন্দা জ্ঞাপন,পকেট কমিটি বাতিল করণের জোর দাবি করে অভিযোগে জানানো হয়,গত ২২শে জুন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান সাক্ষরিত আটঘরিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে যাহা অত্যন্ত পক্ষ পাত দুষ্ট।

উপজেলা ছাত্রলীগের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকা ছাত্রনেতা কর্মীদের বাদদিয়ে বিএনপি নেতার ভাতিজাকে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করায় বিএনপি ও অঙ্গসহযোগি সংগঠন এবং আওয়ামীলগের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি ১৯ জুন বিদেশ থেকে ডেকে এনে মোঃ আশরাফুল ইসলামকে সভাপতি এবং আটঘরিয়া উপজেলা বিএনপির আহবায়কের ভাতিজা মিরাজুল ইসলাম সাজুকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। মিরাজুল ইসলাম সাজুর আটঘরিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের রাজনীতিতে কোন কার্যক্রম ছিলোনা।
উল্লেখ থাকে যে,পরিকল্পিতভাবে ছাত্রলীগকে ধাবংস করার অশুভ লক্ষ্য নিয়ে পাবনা জেলা বিএনপির আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব গ্রুপের আটঘরিয়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ও আটঘরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান রানার ভাতিজা হওয়া সত্বেও মিরাজুল ইসলাম সাজুকে বেশীরভাগ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মতামতকে উপেক্ষা করে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত করে কমিটি অনুমোদন দেওয়া অত্যান্ত দুঃখ জনক এবং দলের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির কারণ সৃষ্টি করা হয়েছে।
সুত্রটি আরও জানায়, নানা বাধা থাকা সত্বেও আটঘরিয়াতে ছাত্রলীগের ত্যাগী নেতাকর্মীরা সক্রিয়ভাবে ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। অবিলম্বে পকেট কমিটি বাতিল করে প্রকৃত সংখ্যা গরিষ্ট ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে নতুন করে কমিটি গঠণ ও অনুমোদনের মাধ্যমে দলের মধ্যে সৃষ্ট অসন্তুষ্টি দূরীকরণ করা উচিত বলে সূত্রটি দাবি করেছে ।#