1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
কালীগঞ্জে বিএনপি নেতা স্বপনের মৃত্যুতে ফজলুল হক মিলনের শোক  ​ইরানের বর্তমান রাজনৈতিক সংকট ও বাংলাদেশের ইসলামি দলগুলোর ওপর এর প্রভাব: একটি বিশ্লেষণাত্মক পর্যালোচনা নওগাঁয় উদ্ধারকৃত ৪৬টি হারানো মোবাইল ফোন মালিকদের কাছে হস্তান্তর থানা হবে সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভরসার কেন্দ্রস্থল : আত্রাইয়ে এসপি তারিকুল ইসলাম ​ খুলনায় নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে অংশীজনদের সমন্বয় কর্মশালা সারিয়াকান্দি পৌরসভার উন্নয়নমূলক কাজে নানা অনিয়মের সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশের পর পরিদর্শন করলেন পৌর প্রশাসক মো. আতিকুর রহমান বাগমারায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ভূয়া ডাক্তারের ৬মাসের কারাদন্ড নাচোলে বালাই নাশক ডিলারের কাছ থেকে অবৈধভাবে মজুদ ১৭১ বস্তা সার জব্দ ও জরিমানা মিথ্যা মামলার  প্রতিবাদে ও পরিবারের নিরাপত্তার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন শিবগঞ্জে ফসলি জমিতে অবৈধ পুকুর খনন, ভ্রাম্যমাণ আদালতে  এক লাখ টাকা জরিমানা

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় অবৈধ বালু উত্তোলন অভিযানে ১৭ যানবাহন আটক 

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ মে, ২০২৫
  • ১৪১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

# ফজলুল হক, ধোবাউড়া, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলায় অবৈধভাবে বালু বহনের দায়ে ৫টি ট্রাক ও ১২টি লড়ি আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার রাতভর অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিশাত শারমিনও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালাহ উদ্দিন বিশ্বাস।

সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি এলাকায় গুজব রটে উপজেলা প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে প্রতি ট্রাক বা লড়ি থেকে ১ হাজার থেকে ১৫  শ’ টাকা চাঁদা আদায়ের মাধ্যমে বালুবাহী যান চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের অভিযোগ ও গুজব ছড়িয়ে পড়ার পরই প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুরু হয় সাঁড়াশি অভিযান। অভিযানে আটককৃত যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ইউএনও নিশাত শারমিন।

তিনি বলেন, “কোনো প্রকার চাঁদাবাজি বা অনুমোদনহীনভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহন সহ্য করা হবে না। জনস্বার্থে নিয়মিত অভিযান চলবে।”

এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে রাতের আঁধারে পুনরায় নদীতে ড্রেজার বসিয়ে চলছে বালু উত্তোলন। দিনে ড্রেজার অন্যত্র সরিয়ে রাখা হলেও রাত গভীর হলেই তা ফের নদীতে বসানো হয়। এতে একদিকে যেমন নদীভাঙনের আশঙ্কা বাড়ছে, অন্যদিকে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর পড়ছে বিরূপ প্রভাব।

পরিবেশবিদরা বলছেন, অনিয়ন্ত্রিতভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে ভবিষ্যতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হবে, যা জনজীবনে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হতে পারে। উল্লেখ্য, ধোবাউড়ার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই বালু খেকো চক্র সক্রিয়। প্রশাসনের এ ধরনের উদ্যোগে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে এলাকাবাসীর মধ্যে। তবে তারা চান, নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর শাস্তির মাধ্যমে স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত হোক।

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ অনুযায়ী অনুমোদনহীনভাবে বালু উত্তোলন দণ্ডনীয় অপরাধ। এছাড়া খনিজ সম্পদ উন্নয়ন আইন অনুযায়ীও পরিবেশ ছাড়পত্র ও সংশ্লিষ্ট অনুমতি ছাড়া ড্রেজিং সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ বলেও দাবী পরিবেশবাদীদের।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট