1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
টিএমএসএস এনজিও’র হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন - দৈনিক সবুজ নগর
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
সাইবার আইনে সাংবাদিকদের হয়রানি করা হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশে ব্যাপক রদবদল পুজোর আগেই উধাও হবে মেচেতা! জেনে নিন ত্বকের দাগছোপ মোছার আধুনিক থেরাপি নওগাঁর পত্নীতলায় দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে শ্রমিক দলের বিক্ষোভ সমাবেশ আড়ানি পৌরসভায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির জোরদার বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলামের প্রয়াণে এমপি মিলনের শোক প্রকাশ খুলনা আর্ট একাডেমির ঐতিহ্য সংগ্রহশালা পরিদর্শনে ঝালকাঠির অতিথিরা স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে পোরশায় বিএনপির আলোচনা সভা রূপসায় ভূমিদস্যু ও মামলাবাজদের কবল থেকে রক্ষা পেতে সেনা সদস্যের সংবাদ সম্মেলন রাসিকে জাতীয় নগর নীতি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর সেবা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন

টিএমএসএস এনজিও’র হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৯ মে, ২০২৫
  • ২৭১২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠি শহরের টিএমএসএস এনজিও কর্তৃক হয়রানিমূলক মামলার পরিত্রাণে  সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী এক ব্যবসায়ী। সোমবার ১৯ মে দুপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা জেলা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ফায়ার সার্ভিস মোড়স্থ কনকচাঁপা ডিজিটাল মিডিয়ার প্রোপ্রাইটর মোস্তফা কামাল।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, “আমি একজন সামান্য আয়ের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। ঝালকাঠী ফায়ার সার্ভিস মোড়ের আব্দুল গণি মিয়ার পুত্র মো: নুর ইসলাম, টিএমএসএস এনজিও’র একটি লোন গ্রহন করেন। উক্ত লোনের বিপরীতে আমাকে দ্বিতীয় জামিনদার বানিয়ে আমার নিজ নামীয় ব্যাংকের একটি ব্লাংক চেক ও ব্লাংক ফরমে স্বাক্ষর নেয়। নুরুল ইসলাম লোনের সমস্ত টাকা পরিশোধ করার পর আমার চেক, জাতীয় পরিচয়পত্র, ছবিসহ যাবতীয় কাগজপত্র উক্ত সংস্থায় জমা থাকে। পরে জানতে পারি আমাকে না জানিয়ে জামাকৃত চেকের বিপরীতে নুরুল ইসলাম তার শ্যালীকা সাখাওয়াত হোসেন সোহেলের স্ত্রী আরিফা আক্তার এর নামে পূর্বের জমাকৃত কাগজপত্র দ্বারা পূনরায় আরেকটি লোন গ্রহণ করেন, যাহার প্রকৃত জামিনদার আমি নই এবং আমার স্বাক্ষরও নেই, এমনকি আরিফা আক্তারকে আমি চিনি না।

উক্ত লোনদানকারী টিএমএসএস এনজিওর কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা  লোন গ্রহিতা আরিফা আক্তারকে লোন আদায়ে নোটিশ না দিয়ে আমার বিরুদ্ধে বরিশাল কোতয়ালী আদালতে একটি ফৌজদারী মামলা দায়ের করে। সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী যদি লোন গ্রহীতা মৃত্যুবরণ,  নিরুদ্দেশ,পাগল হয় অথবা তার পরিবারের কোন সদস্যকে খুঁজে না পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে জামিনদার তাকে খুঁজে পেতে সাহায়তা করতে বাধ্য থাকবে।

উক্ত সংস্থা উপরোক্ত কোন আইন অনুস্মরণ না করে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আমার ব্লাংক চেকটি ডিজ-অর্নার করে আমার নামে মামলা দায়ের করে, যা অবৈধ আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে হয়েছে বলে আমি মনে করি। তিনি আরো জানান, লোন গ্রহীতা আরিফা আক্তার নিজ সন্তানসহ পিতার গ্রামের বাড়ীতে অবস্থান করেন। প্রথম জামিনদার আরিফার স্বামী সাখাওয়াত হোসেন সোহেল তার মা সহ  পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে শহরের স্ট্যান্ড রোডে বসবাস করে। লোন গ্রহীতা আরিফার ও তার স্বামী প্রথম জামিনদার সোহেল শহরে থাকা সত্ত্বেও এনজিও কর্তৃপক্ষ কিভাবে তাদের নামে মামলা না করে ২য় জামিনদার আমার নামে মামলা দায়ের করে। আমি মনে করি, লোন গ্রহীতা ও প্রথম জামিনদারের যোগসাজসে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে  আমার সহজ সরলতার সুযোগ নিয়ে এবং ব্যবসায়িক সুনাম নষ্ট করার জন্য  উদ্দেশ্যমূলকভাবে মামলাটি করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী মোস্তফা কামাল আইন বিচার ও প্রশাসনের নিকট প্রতিকার প্রার্থনা করেছেন। এব্যাপারে টিএমএসএস এনজিও কর্তৃপক্ষ জানান, “আমরা আইন অনুসারণ করে মামলা করেছি। লোন গ্রহীতা ও প্রথম জামিনদারকে খুজে না পেয়ে দ্বিতীয় জামিনদারের নামে মামলা দিতে বাধ্য হয়েছি।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট