1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫, ০২:২৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
 সাদুল্যাপুরের কামারপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ আনিছুর রহমান সরকারের নামে ইএফটি চালু করে বেতন ভাতা প্রদানের দাবি আত্রাইয়ের বান্দাইখাড়াতে আর যাওয়া হলনা নিলি বিবির নিয়ামতপুরের ত্রাস ছাত্রলীগ নেতা তাওফিক গ্রেপ্তার বাঘায় অবিক্রিত টিসিবির পণ্য ও পুলিশের বাড়ির সোনার গহনা চুরি গাজায় ইসরায়েলী গণহত্যার প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অপরাধ স্পট শ্যামনগরঃ টাকার বিনিময়ে মিথ্যা সাক্ষী হযরতের পেশা, মামলার কারিগর পতিতা শাহানারা গাজায় তীব্র ইসরাইলি হামলার পরিণতির আশঙ্কায় জিম্মি পরিবারগুলো রংপুরে বদরগঞ্জে প্রায় ইবতেদায়ী মাদ্রাসা গুলোতে নেই  ছাত্র -ছাত্রী, তবুও পাচ্ছে  সরকারি অনুদান ও বেতন ভাতা  বাংলাবান্ধা দিয়ে নেপাল গেল আরও ৩১৫ টন আলু চলতি বছর বাংলাদেশকে এক বিলিয়ন ডলারের ঋণ দেবে এনডিবি

ধুমপান করায় ৬ষ্ঠ শ্রেণির তিন ছাত্র বহিস্কার করেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সরকারি মডেল হাইস্কুল

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৯ জুলাই, ২০২২
  • ২৭৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মন্তব্য প্রতিবেদন……………………….

এক সময় এ বয়সের ছেলে-মেয়েরো সারাদিন হৈ-চৈ করে খেলে বেড়াতো। তাদের ছিল মাত্র দু’টো কাজ ১. খাওয়া আর ২. হৈ- চৈ করে ডানপিঠে ছেলের মত ঘুরে বেড়ানো আর খেলাধুলা করা। তাই সেকালের বাপ-মায়েরা ঐসব ছেলেকে বাড়ির কাজে লাগাতো। তাই বলে লেখাপড়া নয়। তারাও সেসময় লেখাপড়ার কথা জানতোই না। কিন্তু কালক্রমে বিশাল পরিবতর্ন এসেছে। প্রতিটি মানুষ আজ শিক্ষার গুরুত্ব বুঝতে শিখেছে।প্রতিটি মানুষ হাঁড়ে হাঁড়ে উপলব্ধি করতে পারছে যে, “লেখাপড়া করে যে গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে”।- সেকারণে শিক্ষাকে অধিক গুরুত্ব দিয়েছেন সকল বাবা-মা।

 

সবাই আজ বুঝতে শিখেছে যে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই।সে কারণে শিক্ষিত বলেন আর অশিক্ষিত বলেন কোন বাবা- মা তার আদরের সন্তানকে  বাড়ির কাজে বা গরু-ছাগল চরানো কাজে বা ব্যবসা বাণিজ্য কিংবা জমি চাষাবাদের কাজে আর উৎসাহিত করেন না। তারা ছোট থেকেই তার সন্তানকে উচ্চ শিক্ষিত করার জন্য নানান পরিকল্পনা করেন। তার আদরের সন্তান বা তাঁর আদরে নাতি-নাতনি কেমনভাবে গড়ে উঠবে, কোন আদর্শে আদর্শিত হবে, কোন স্কুলে পড়বে, ইংলিশ মিডিয়াম না বাংলা না আরবী ইত্যাদি।

 

তাদের এ সন্তানটি কি খেলবে তাও ঠিক করে রাখেন বতর্মান যুগের অভিভাবকরা।ক্রিকেট না ফুটবল, লং টেনিস না টেবিল টেনিস, রেসলিং না কুফ কারাত ইত্যাদি। এত পরিকল্পনার পরও যদি তাদের লক্ষ্য অজির্ত না হয় তবে কেমন লাগবে একবার ভাবুন তো। যে ছোট্ট ছেলেটি প্রাইমারি গোন্ডি পেরিয়ে কেবল  মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পা দিয়েছে সে আর যাইহোক ধুমপান করার সুয়োগ কিভাবে পেলো তা আমাদের মনে হয় কারো বোধগম্য নয়।তাহলে তারা ধুমপানে অভ্যস্ত হলো বা কি করে। নাকি এর পিছনে উস্কানিদাতা রয়েছে, যদি থাকে তবে কেন বা কারা?

 

কেবল ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। বয়স আর কত ৯ বা ১০ বছর। এরকম বাচ্চারা কি ধুমপান করতে পারে, ভাবতে অবাক লাগে। কি করে সম্ভব হলো। তিন বন্ধু মিলে এরকম একটি সমাজ বিরোধী কাজ করলো কিভাবে তা সবাইকে খতিয়ে তলিয়ে দেখতে হবে।প্রথমে খুঁজে বের করতে হবে কে বা কারা এ কাজটি করতে উৎসাহিত করেছে। যদি পাওয়া যায় তবে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত বিচার করতে শিবগঞ্জ মডেল সরকারি হাইস্কুল-এর প্রধান শিক্ষককে। আর যদি তা না পারেন তবে তাকে বিদ্যালয় ছেড়ে চলে যাওয়া যুক্তিযুক্ত হবে বলে মনে করেন অভিভাবক মহল।

 

সামাজিক প্রচার মাধ্যমে প্রকাশিত শিবগঞ্জ সরকারি মডেল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো: সাইফুল মালেক স্বাক্ষরিত ২৮.০৭.২২ইং নোটিশে জানা গেছে  গত ২৬.০৭.২২ইং তারিখের বিজ্ঞপ্তি নং- ৩১ এর অনুচ্ছেদ-৩ এর সিদ্ধান্ত মোতাবেক শ্রেণি কাযর্ক্রম থেকে বহিস্কার করা হয়।কিন্তু সেব সব ছাত্র ক্লাশ রুমে ধুমপান করছিল না ক্লাশ রুমের বাইরে ধুমপান করেছিল তা নোটিশে উল্লেখ করা হয়নি। প্রধান শিক্ষক এ সিদ্ধান্ত একা নিয়েছেন না স্কুল পরিচালনা কমিটির সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক এ হটকারি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা জানি না।

 

প্রধান শিক্ষক ধুমপানের জন্য শাস্তিমূলক যে ব্যবস্থা নিয়েছে তা কতটুকু আইস সঙ্গত তা ভেবে দেখার সময় এসেছে। তিনি নিজে ধুমপান করেন কি, অথবা অন্য শিক্ষকরা কি কেউ ধুমপান করেন, আর করলে তাদের বিরুদ্ধে কি এরকম শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছেন কখনও তা জানা দরকার। তিনি গোটা স্কুল ক্যাম্পাসকে ধুমপান মুক্ত করতে পেরেছেন বা করার কোন চেস্টা করছেন? যদি না হয় তবে কোমলমতি শিশুর উপর এধরণের সিদ্ধান্ত সত্যি আমাদের জন্য সমাজের জন্য বড়ই দু:খজনক।

 

  একটি শিশুও যেন ড্রপ আউট না হয় তার জন্য সরকার আপ্রান চেস্টা করছে। শিশুরা কিভাবে তাদের ক্যারিয়ার আরো ভাল করবে এ নিয়ে সকল স্কুলের শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষা দপ্তরে যারা নিয়োজিত রয়েছেন সবাই তৎপর।সেখান প্রধান শিক্ষক কিভাবে ৩জন ছাত্রের ভবিষ্যতের ইতি টানলেন তা ভেবে দেখা দরকার। প্রধান শিক্ষক যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেটা নেয়া আদৌ কি সঠিক হয়েছে না হয়নি তা প্রশাসন এবং সচেত অভিভাবকমহলকে ভেবে দেখা দরকার।এধরণের হটকারি সিদ্ধন্ত এসমাজ মেনে নিতে পারেনা।স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বিভাগকে আইনত ব্যবস্থা এখনই নিতে হবে। আমরা মনে করি প্রধান শিক্ষক এ অনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে মারাত্মক ভুল করেছেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট