1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
ধুমপান করায় ৬ষ্ঠ শ্রেণির তিন ছাত্র বহিস্কার করেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সরকারি মডেল হাইস্কুল - দৈনিক সবুজ নগর
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
কোভিড প্রকল্পে জালিয়াতি: সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের ৬ মামলা অপপ্রচার চালিয়ে জনগণের দৃষ্টি উন্নয়ন থেকে সরানোর চেষ্টা চলছে: রুহুল কবির রিজভী এমপি চাঁদকে সংবর্ধনা দিল মনিগ্রাম কলেজ; শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ কুষ্টিয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলায় দুই আসামির জামিন: আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের তীব্র বিক্ষোভ শিবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবারো অনিয়ম ও দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য, ম্যানেজের চেষ্টার অভিযোগ নাচোলে কৃষি ডিপ্লোমা কলেজ জামে মসজিদে ওযুখানা ও টয়লেট নির্মাণকাজের উদ্বোধন পোরশায় নিরাপদ ও মানসম্মত মাংস উৎপাদনে কসাইদের প্রশিক্ষণ রাজশাহী প্রেসক্লাব সভাপতি সাইদুর রহমানের জানাজা সম্পন্ন জাকের মঞ্জিল দরবার শরীফের উরস শরীফ ২০২৭ উপলক্ষ্যে কালীগঞ্জে দাওয়াতী জলসা অনুষ্ঠিত দেবহাটায় ৮৭ শিশুকে শিক্ষায় ফিরিয়ে শিশুশ্রম ও ঝরেপড়ামুক্ত উপজেলা ঘোষণা

ধুমপান করায় ৬ষ্ঠ শ্রেণির তিন ছাত্র বহিস্কার করেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সরকারি মডেল হাইস্কুল

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৯ জুলাই, ২০২২
  • ৪৬৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

Table of Contents

মন্তব্য প্রতিবেদন……………………….

এক সময় এ বয়সের ছেলে-মেয়েরো সারাদিন হৈ-চৈ করে খেলে বেড়াতো। তাদের ছিল মাত্র দু’টো কাজ ১. খাওয়া আর ২. হৈ- চৈ করে ডানপিঠে ছেলের মত ঘুরে বেড়ানো আর খেলাধুলা করা। তাই সেকালের বাপ-মায়েরা ঐসব ছেলেকে বাড়ির কাজে লাগাতো। তাই বলে লেখাপড়া নয়। তারাও সেসময় লেখাপড়ার কথা জানতোই না। কিন্তু কালক্রমে বিশাল পরিবতর্ন এসেছে। প্রতিটি মানুষ আজ শিক্ষার গুরুত্ব বুঝতে শিখেছে।প্রতিটি মানুষ হাঁড়ে হাঁড়ে উপলব্ধি করতে পারছে যে, “লেখাপড়া করে যে গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে”।- সেকারণে শিক্ষাকে অধিক গুরুত্ব দিয়েছেন সকল বাবা-মা।

 

সবাই আজ বুঝতে শিখেছে যে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই।সে কারণে শিক্ষিত বলেন আর অশিক্ষিত বলেন কোন বাবা- মা তার আদরের সন্তানকে  বাড়ির কাজে বা গরু-ছাগল চরানো কাজে বা ব্যবসা বাণিজ্য কিংবা জমি চাষাবাদের কাজে আর উৎসাহিত করেন না। তারা ছোট থেকেই তার সন্তানকে উচ্চ শিক্ষিত করার জন্য নানান পরিকল্পনা করেন। তার আদরের সন্তান বা তাঁর আদরে নাতি-নাতনি কেমনভাবে গড়ে উঠবে, কোন আদর্শে আদর্শিত হবে, কোন স্কুলে পড়বে, ইংলিশ মিডিয়াম না বাংলা না আরবী ইত্যাদি।

 

তাদের এ সন্তানটি কি খেলবে তাও ঠিক করে রাখেন বতর্মান যুগের অভিভাবকরা।ক্রিকেট না ফুটবল, লং টেনিস না টেবিল টেনিস, রেসলিং না কুফ কারাত ইত্যাদি। এত পরিকল্পনার পরও যদি তাদের লক্ষ্য অজির্ত না হয় তবে কেমন লাগবে একবার ভাবুন তো। যে ছোট্ট ছেলেটি প্রাইমারি গোন্ডি পেরিয়ে কেবল  মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পা দিয়েছে সে আর যাইহোক ধুমপান করার সুয়োগ কিভাবে পেলো তা আমাদের মনে হয় কারো বোধগম্য নয়।তাহলে তারা ধুমপানে অভ্যস্ত হলো বা কি করে। নাকি এর পিছনে উস্কানিদাতা রয়েছে, যদি থাকে তবে কেন বা কারা?

 

কেবল ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। বয়স আর কত ৯ বা ১০ বছর। এরকম বাচ্চারা কি ধুমপান করতে পারে, ভাবতে অবাক লাগে। কি করে সম্ভব হলো। তিন বন্ধু মিলে এরকম একটি সমাজ বিরোধী কাজ করলো কিভাবে তা সবাইকে খতিয়ে তলিয়ে দেখতে হবে।প্রথমে খুঁজে বের করতে হবে কে বা কারা এ কাজটি করতে উৎসাহিত করেছে। যদি পাওয়া যায় তবে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত বিচার করতে শিবগঞ্জ মডেল সরকারি হাইস্কুল-এর প্রধান শিক্ষককে। আর যদি তা না পারেন তবে তাকে বিদ্যালয় ছেড়ে চলে যাওয়া যুক্তিযুক্ত হবে বলে মনে করেন অভিভাবক মহল।

 

সামাজিক প্রচার মাধ্যমে প্রকাশিত শিবগঞ্জ সরকারি মডেল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো: সাইফুল মালেক স্বাক্ষরিত ২৮.০৭.২২ইং নোটিশে জানা গেছে  গত ২৬.০৭.২২ইং তারিখের বিজ্ঞপ্তি নং- ৩১ এর অনুচ্ছেদ-৩ এর সিদ্ধান্ত মোতাবেক শ্রেণি কাযর্ক্রম থেকে বহিস্কার করা হয়।কিন্তু সেব সব ছাত্র ক্লাশ রুমে ধুমপান করছিল না ক্লাশ রুমের বাইরে ধুমপান করেছিল তা নোটিশে উল্লেখ করা হয়নি। প্রধান শিক্ষক এ সিদ্ধান্ত একা নিয়েছেন না স্কুল পরিচালনা কমিটির সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক এ হটকারি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা জানি না।

 

প্রধান শিক্ষক ধুমপানের জন্য শাস্তিমূলক যে ব্যবস্থা নিয়েছে তা কতটুকু আইস সঙ্গত তা ভেবে দেখার সময় এসেছে। তিনি নিজে ধুমপান করেন কি, অথবা অন্য শিক্ষকরা কি কেউ ধুমপান করেন, আর করলে তাদের বিরুদ্ধে কি এরকম শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছেন কখনও তা জানা দরকার। তিনি গোটা স্কুল ক্যাম্পাসকে ধুমপান মুক্ত করতে পেরেছেন বা করার কোন চেস্টা করছেন? যদি না হয় তবে কোমলমতি শিশুর উপর এধরণের সিদ্ধান্ত সত্যি আমাদের জন্য সমাজের জন্য বড়ই দু:খজনক।

 

  একটি শিশুও যেন ড্রপ আউট না হয় তার জন্য সরকার আপ্রান চেস্টা করছে। শিশুরা কিভাবে তাদের ক্যারিয়ার আরো ভাল করবে এ নিয়ে সকল স্কুলের শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষা দপ্তরে যারা নিয়োজিত রয়েছেন সবাই তৎপর।সেখান প্রধান শিক্ষক কিভাবে ৩জন ছাত্রের ভবিষ্যতের ইতি টানলেন তা ভেবে দেখা দরকার। প্রধান শিক্ষক যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেটা নেয়া আদৌ কি সঠিক হয়েছে না হয়নি তা প্রশাসন এবং সচেত অভিভাবকমহলকে ভেবে দেখা দরকার।এধরণের হটকারি সিদ্ধন্ত এসমাজ মেনে নিতে পারেনা।স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বিভাগকে আইনত ব্যবস্থা এখনই নিতে হবে। আমরা মনে করি প্রধান শিক্ষক এ অনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে মারাত্মক ভুল করেছেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট