1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
পোরশায় অধিকাংশই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলিতে শহীদ মিনার নেই - দৈনিক সবুজ নগর
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
নিউ ইয়র্ক বিমানবন্দরে তীব্র বিক্ষোভের মুখে ড. মুহাম্মদ ইউনূস: ‘সন্ত্রাসবাদী’ স্লোগান ও আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ঢাকার বজ্রপাত প্রতিরোধ ও পরিবেশ রক্ষায় আত্রাইয়ে আনসার-ভিডিপির উদ্যোগে ১ হাজার তাল বীজ রোপণ আত্রাইয়ে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, ৫৪টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজার সুসংগঠিত প্রস্তুতি রাজশাহীতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভ্যর্থনা জানালেন রাসিক প্রশাসক আত্রাইয়ে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে বিশেষ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত শিবগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান কুষ্টিয়ায় সাহেব আলী হত্যা মামলায় ১২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৭ জন খালাস কুষ্টিয়ায় নিখোঁজের ৬ দিন পর ঢাকা থেকে চার কিশোরী উদ্ধার, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ বাঘায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও মহড়া অনুষ্ঠিত পত্নীতলায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত: র‍্যালি, আলোচনা সভা ও মহড়া অনুষ্ঠিত

পোরশায় অধিকাংশই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলিতে শহীদ মিনার নেই

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৩৮৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

পোরশা(নওগাঁ)প্রতিনিধি…………………………………………..

নওগাঁর পোরশা উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলিতে শহীদ মিনার নেই। ফলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবসে শহীদ মিনারের তাৎপর্য সম্পর্কে অকিবহাল নয় অনেক শিক্ষার্থী।

এ উপজেলায় ৬টি কলেজ, ২৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২৩টি মাদ্রাসা ও ৮৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। শহীদ মিনার রয়েছে ৫টি প্রতিষ্ঠানে। এর মধ্যে ২টি কলেজ, ৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার রয়েছে। আর মাদ্রাসা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটিতেও শহীদ মিনার নেই। পোরশা সরকারি কলেজ, গাঙ্গুরিয়া ডিগ্রি কলেজ, শিশা উচ্চ বিদ্যালয়, কড়িদহ উচ্চ বিদ্যালয় ও নিস্কিনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার থাকলেও নিজ অর্থায়নে নির্মিত শহীদ মিনারগুলোর প্রায় সব গুলোই অরক্ষিত রয়েছে। প্রতিবছর শহীদ দিবসে এগুলো ধুয়ে মুছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান শহীদ দিবস পালন করেন বলে জানাগেছে।

কাতিপুর কালিনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি একরামুল হক শাহ্ জানান, তাদের আন্তরিক ইচ্ছা থাকা সত্তেও প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে তারা স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ করতে পারছেন না। তিনি জানান, এ কারণে তারা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এবং তাৎক্ষনিক নিজ নিজ বিদ্যালয়ে কৃত্তিমভাবে শহীদ মিনার তৈরী করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং শহীদ দিবস পালন করেন। তিনি প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারিভাবে শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানান।

উপজেলা শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ জানান, উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের পত্রের আলোকে উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব জায়গায় শহীদ মিনার নির্মাণ করার জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশনা দেওয়া আছে। কিন্তু অনেক প্রতিষ্ঠানে জায়গার অভাব ও অর্থাভাবে তা করতে পারছেন না বলে বিদ্যালয় প্রধানগণ জানান।

তারপরেও সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার স্থাপন করতে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। আর শহীদ মিনার নির্মাণ করেনি এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত দেওয়া হয়। তবে শহীদ মিনার নির্মাণের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে বলে তারা জানান। #

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট