1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
শিবগঞ্জে ভয়াবহ পদ্মা নদী ভাঙন: ঘরবাড়ি হারিয়ে মানববন্ধনে গ্রামবাসী - দৈনিক সবুজ নগর
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে শেকেরচক মহলদারপাড়া মসজিদ কমিটির সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় ভোলাহাটে পারিবারিক কলহের জেরে সৎ ছেলের ছুরিকাঘাতে মায়ের মৃত্যু ডেঙ্গুমুক্ত খুলনা গড়তে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ডিজেল রপ্তানি বন্ধের পথ থেকে সরল যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ায় প্লেগে ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ানের মৃত্যু, আইসোলেশনে ২০০ জন ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক তৃতীয় কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল নয়: দিনেশ ত্রিবেদী নাটোরে ৩ পাখি শিকারির কারাদণ্ড ও জরিমানা, ৫০টি বক অবমুক্ত পত্নীতলায় অবৈধ ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ১ লাখ টাকা জরিমানা ডেঙ্গু মুক্ত রাজশাহী গড়তে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান রাজশাহীতে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

শিবগঞ্জে ভয়াবহ পদ্মা নদী ভাঙন: ঘরবাড়ি হারিয়ে মানববন্ধনে গ্রামবাসী

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২১০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ আব্দুল বাতেনঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার উজিরপুর, পাকা, ও দুর্লভপুর এই তিনটি ইউনিয়নে পদ্মা নদীর ভাঙন এখন এক ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। প্রতিদিনই নদীর গর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি আর মানুষের জীবনের স্বপ্ন। এই ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবিতে মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় দুর্লভপুর ইউনিয়নের মনোহরপুর পদ্মা নদীর তীরে এলাকাবাসী মানববন্ধন করেন।

মানববন্ধনে অংশ নিয়ে স্থানীয় কৃষক মতিউর রহমান কণ্ঠ ভারী করে বলেন, “পদ্মার ভাঙনে তিন বিঘা জমি নদীতে চলে গেছে। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় থাকব, কীভাবে খাব তা বুঝতে পারছি না। সরকার যদি বাঁধ না দেয়, তাহলে আমাদের সবকিছুই হারাতে হবে।” এলাকার গৃহবধূ রহিমা বেগম বলেন, “গত মাসেই আমাদের ঘরটা ভেঙে পড়ল নদীতে। এখন স্বামী-সন্তান নিয়ে আত্মীয়ের বাড়িতে ঠাঁই নিয়েছি। প্রতিদিন আতঙ্কে আছি, আর কতটুকু ভাঙবে কে জানে!”

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মতে, গত পাঁচ বছরে দুর্লভপুর, পাকা উজিরপুর এই তিনটি ইউনিয়নের অন্তত কয়েক হাজারের বেশি পরিবার পদ্মার ভাঙনে গৃহহীন হয়েছে। কয়েক হাজারএকর উর্বর কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এর পাশাপাশি কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান , কয়েকটি মসজিদ ও বেশ কিছু কবরস্থানও নদীর ভাঙনে তলিয়ে গেছে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, এখনই পদক্ষেপ না নিলে পুরো ঝালপাড়া গ্রাম ও আশপাশের এলাকা মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে পারে। তাই অবিলম্বে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান তারা।

স্থানীয় শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, “নদী ভাঙনের কারণে শিশুরা স্কুলে যেতে পারছে না। প্রতিদিন ভয় থাকে, আজকে হয়তো স্কুলটাই নদীতে চলে যাবে।” মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়ে একটাই দাবি তুলেছেন, “স্থায়ী বাঁধ চাই, ভাঙন রুখতে হবে এখনই।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট