1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
বাঘায় সিজারিয়ানের পর নবজাতকের মৃত্যু: দায়ভার এড়াতে জননী ক্লিনিকের রেফার্ড , ভিডিও করতে সাংবাদিককে বাধা - দৈনিক সবুজ নগর
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
“ইরানকে সাহায্য করলে চীন-রাশিয়ার অনেক কিছু হারানোর আছে”: ট্রাম্প কেমিক্যাল ও কাপড়ের রঙ দিয়ে তৈরি হচ্ছিল গুড়: বাঘায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, সচেতন মহলের ক্ষোভ নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন নিশ্চিতে গোদাগাড়ীতে ডাসকো ফাউন্ডেশনের গণতান্ত্রিক সংলাপ অনুষ্ঠিত পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম জোরদারে রাসিকের মতবিনিময় সভা নাচোলে দুই ইউপি চেয়ারম্যানের বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার, গণসংবর্ধনা দিল বিএনপি দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাসিকে পরিচ্ছন্ন বিভাগের সঙ্গে প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ায় প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ছাত্রদলের দুই গ্রুপে হাতাহাতি, সাংবাদিকদের মারধর ও মোবাইল ছিনতাই বিনা নোটিশে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন: শিবগঞ্জে পল্লী বিদ্যুৎ ডিজিএমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন একদিন পরই শারদীয় দুর্গোৎসব: বাঘার ৪৭ মণ্ডপে প্রতিমা পৌঁছে দিতে চরম ব্যস্ততা ক্লাস চলাকালীন কোচিং সেন্টার বন্ধের নির্দেশ রাজশাহী জেলা প্রশাসনের

বাঘায় সিজারিয়ানের পর নবজাতকের মৃত্যু: দায়ভার এড়াতে জননী ক্লিনিকের রেফার্ড , ভিডিও করতে সাংবাদিককে বাধা

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৯৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ বিশেষ প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বেসরকারি ‘জননী ক্লিনিকে’ সিজারিয়ান অপারেশনের পর এক নবজাতকের মৃত্যুর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। মুমূর্ষু অবস্থায় রাজশাহী শহরে নেওয়ার পথেই শিশুটির মৃত্যু হয়। অভিযোগ উঠেছে, নিজেদের দায়ভার এড়িয়ে ঘটনা আড়াল করতেই তড়িঘড়ি করে শিশুটিকে শহরের হাসপাতালে রেফার্ড করেছিল ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুর ৩টায় বাঘা পৌর সদরের জননী ক্লিনিকে এক প্রসূতির সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়। অপারেশনের পরপরই নবজাতকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে তাকে দ্রুত রাজশাহী শহরের একটি হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। কিন্তু পথেই শিশুটি মারা যায়।

এদিকে রেফার্ডের সময় ঘটনার ভিডিও ধারণ করায় ক্লিনিকের এক নার্স বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানান। খবর পেয়ে ক্লিনিকের ডা. আকতারুজ্জামান সংবাদকর্মী আব্দুল হামিদকে ডেকে ভিডিওটি ডিলিট করার জন্য চাপ দেন এবং এক পর্যায়ে মোবাইলটি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে তিনি সফল হননি।

ঘটনার সময় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, জননী ক্লিনিকের সামনে একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাস দাঁড়িয়ে রয়েছে এবং ক্লিনিক থেকে একে একে নারী ও শিশুরা বের হয়ে গাড়িতে উঠছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “এই ক্লিনিকে এর আগেও অপারেশনের পর বিভিন্ন জটিলতার অভিযোগ উঠেছে। এখন তারা ভিডিও করতেও বাধা দিচ্ছে। তারা আসলে কী আড়াল করতে চায়?” ঘটনাটি তদন্ত করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

শিশুটির স্বজন ও উপজেলার খায়ের হাট গ্রামের শিমুল হোসেন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ আমাদের জানিয়েছিল নবজাতকের সামান্য সমস্যা হয়েছে, শহরের হাসপাতালে নিলে ঠিক হয়ে যাবে। শিশুটি যে পথেই মারা গেছে, তা তারা আমাদের জানায়নি।”

ঘটনার বিষয়ে সংবাদকর্মী আব্দুল হামিদ বলেন, “মৃতপ্রায় অবস্থায় শিশুটিকে পাঠানো হচ্ছিল। জনস্বার্থে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতেই ভিডিও করি। কিন্তু ক্লিনিক পরিচালনা কমিটির ডা. আকতারুজ্জামান আমাকে ডেকে ভিডিও ডিলিট করার জন্য জোরজবরদস্তি করেন।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ক্লিনিকের ডা. আকতারুজ্জামান বলেন, “আমি ও অ্যানাসথেসিয়ার চিকিৎসক ডা. তুহিন যৌথভাবে অপারেশনটি করেছি। অপারেশন সফল ছিল। তবে শিশুটির গলায় নাড়ির প্যাঁচ থাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে শহরে রেফার্ড করা হয়েছিল।”

এ বিষয়ে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান জানান, “লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে পেশাগত দায়িত্ব পালনে সাংবাদিককে বাধা প্রদান ও ভিডিও ডিলিটের চেষ্টার ঘটনায় বাঘা প্রেস ক্লাবের নেতারা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা ক্লিনিকটির বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থার দাবি করেন।

উল্লেখ্য, উপজেলা নির্বাহী অফিসার অসুস্থ থাকায় এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট