1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ কর্তৃক  শিক্ষার্থী নির্যাতন, ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন  - দৈনিক সবুজ নগর
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
ক্লাস চলাকালীন কোচিং সেন্টার বন্ধের নির্দেশ রাজশাহী জেলা প্রশাসনের ভিসার আবেদনে দালালদের খপ্পরে পড়বেন না, নিজে আবেদন করুন: মনোজ কুমার রাসিক প্রশাসকের প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন: অবশেষে সম্পন্ন হেতেমখাঁ-বর্ণালী সড়কের সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ শিবগঞ্জে ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে তুলা ব্যবসায়ী নিহত নাচোলে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রধান শিক্ষকদের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত, ৮৮টি বিদ্যালয়ে ফুটবল বিতরণ যন্তর মন্তরে ককরোচদের নাটকীয় ঝটিকা অভিযান: রাঙ্কা-সৌরভসহ ১৪ জন আটক, পটনায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ নিউ ইয়র্ক বিমানবন্দরে তীব্র বিক্ষোভের মুখে ড. মুহাম্মদ ইউনূস: ‘সন্ত্রাসবাদী’ স্লোগান ও আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ঢাকার বজ্রপাত প্রতিরোধ ও পরিবেশ রক্ষায় আত্রাইয়ে আনসার-ভিডিপির উদ্যোগে ১ হাজার তাল বীজ রোপণ আত্রাইয়ে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, ৫৪টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজার সুসংগঠিত প্রস্তুতি রাজশাহীতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভ্যর্থনা জানালেন রাসিক প্রশাসক

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ কর্তৃক  শিক্ষার্থী নির্যাতন, ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন 

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৪৩৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ববি প্রতিনিধি……………………….

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীকে মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে৷ সিট দখলকে কেন্দ্র করে এই মারধরের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে৷ এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রক্টর ও হল প্রভোস্টের কাছে লিখিত অভিযোগ দিলেও ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন।

 

মারধরের শিকার ওই দুই শিক্ষার্থী হলেন আইন বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তারেকুজ্জামান তারেক এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান দোলন।

 

গত ২৩ আগস্ট মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে সিট দখলকে কেন্দ্র করে শের-ই বাংলা হলের পঞ্চম তলায় আবাসিক শিক্ষার্থী এবং আইন বিভাগের ৪র্থ বর্ষের ছাত্র তারেকুজ্জামান তারেককে মারধোর করে ছাত্রলীগ কর্মীরা।

 

এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী দেলোয়ার হোসেন, মার্কেটিং বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের সোহাগ, বাংলা বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের রাকিবুল হাসান। তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী মহিউদ্দীন আহমেদ সিফাতের অনুসারী।

 

মহিউদ্দিন আহমেদ সিফাতকে বঙ্গবন্ধু হল থেকে নামিয়ে দিলে বর্তমানে তিনিও শেরে-ই বাংলা হলের ৪০১৮নং রুম অবৈধভাবে দখল করে আছেন।

 

এর আগে গত ৫ জুলাই মধ্যরাতে হলের সিট দখলকে কেন্দ্র করে লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী ও শেরে-ই বাংলা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান দোলনকে ডেকে নিয়ে ক্যাম্পাসের মাঠে মারধোর করেন একাউন্টিং এ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের শিক্ষার্থী ছাত্রলীগ নেতা সৈয়দ রুম্মান ইসলাম। গুরুতর আহত শিক্ষার্থী দোলনকে সেদিন রাতেই শের-ই বাংলা মেডিকেলে ভর্তি করে তার বন্ধুরা।

 

এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোন প্রতিকার পাননি বলে জানান মারধরের শিকার মাহমুদুল হাসান দোলন।

 

২৩ আগস্ট রাতের ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বিচার চেয়ে শের-ই বাংলা হলের প্রভোস্ট বরাবর গত ২৮ আগস্ট একটি লিখিত অভিযোগ দেন।

 

মারধরের ঘটনার একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তারেকুজ্জামান তারেককে মারতে মারতে রুম থেকে বের করে নিয়ে যাচ্ছেন অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেন এবং সোহাগ। রুমের বাইরে নিয়ে এলে তাদের সাথে মারধরে যোগ দেয় আরেক অভিযুক্ত রাকিবুল হাসান।

 

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী প্রভোস্ট বরাবর লিখিত অভিযোগে বলেন, গত ২৩ আগস্ট মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে হলের সিট দখলকে কেন্দ্র করে সঙ্গবদ্ধভাবে ৫০১২নং রুমের সামনে আমার উপর নির্বিচারে হামলা, মারধর ও নির্যাতন চালায় গণিত বিভাগের দেলোয়ার (কক্ষ নং ৫০০১), মার্কেটিং বিভাগের সোহাগ (কক্ষ নং ২০০৩) এবং বাংলা বিভাগের রাকিবুল হাসান (কক্ষ নং ৫০০৯)। অভিযোগপত্রে আরও বলেন, উক্ত ঘটনায় আরও কেউ জড়িত থাকতে পারে। তদন্তপূর্বক এর সুষ্ঠু বিচার চাই৷

 

প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্যমতে, ওইদিন রাত আনুমানিক ১২টার দিকে দেলোয়ার ও সোহাগ বিভিন্ন রুমে গিয়ে সিট ফাঁকা আছে কিনা তল্লাশী চালায়৷ এক পর্যায়ে ৫০১২নং কক্ষের এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে বেধরক মারপিট করে৷

 

শের-ই বাংলা হলের কয়েকজন আবাসিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, “সাধারণ ছাত্রদের জন্য হল এখন আতঙ্কের নাম। বেশ কিছুদিন ধরে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী হলের বিভিন্ন রুমে রুমে গিয়ে ফাঁকা সিট আছে কিনা এমন খোঁজখবর নিচ্ছেন। বিভিন্ন সময় জোরপূর্বক ফাঁকা সিটে অবৈধভাবে ছাত্র উঠাচ্ছে। এমতাবস্থায় আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা আতঙ্কে আছি।”

 

এ বিষয়ে অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেনের বলেন, “আমি ওই আবাসিক হলের ছাত্র কিন্তু এই মারামারির বিষয়ে কিছুই জানিনা। ওইদিন হলে ছিলাম না এবং মারামারির সাথে জড়িত ছিলাম না।”

 

অভিযুক্ত সোহাগ বলেন, “আমি মারামারির সাথে জড়িত নই। এরকম কোন ঘটনা ঘটেছে কিনা তাও আমার জানা নেই। এগুলো মিথ্য অভিযোগ’’।

 

আরেক অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা সৈয়দ রুম্মান ইসলামের কাছে মাহমুদুল হাসান দোলনকে মারধরের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এসব তথ্য আপনি কোথায় পেয়েছেন, যেখান থেকে এই তথ্য পেয়েছেন তার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করেন। এসব বিষয়ে কথা বলার মতো সময় আমার নেই।”

 

শের-ই বাংলা হলের প্রভোস্ট আবু জাফর মিয়া বলেন, “কতিপয় শিক্ষার্থী কর্তৃক ২ জন আবাসিক ছাত্রকে মারধরের ঘটনা শুনেছি। একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। হলে ছাত্র উঠানোর দায়িত্ব কাউকে দেওয়া হয়নি। হলে সিট বরাদ্দ দেয়ার ক্ষমতা একমাত্র হল প্রশাসনের।”

 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. খোরশেদ আলম বলেন, “আমি মাহমুদুল হাসান দোলনের বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছি, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনানুযায়ী তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে প্রয়োজনে আর সময় লাগতে পারে।”

 

দ্বিতীয়বার গত ২৩ আগস্টের হামলার ঘটনার কোন অভিযোগ তার কাছে আসেনি বলে উল্লেখ করেন তিনি।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট