
মোহা: সফিকুল ইসলাম,শিবগঞ্জ(চাঁপাইনবাবগঞ্জ)সংবাদদা
আকলিমা বেগম স্বাক্ষরিত এজাহার সূত্রে জানা গেছে নয়নী গৃহপরিচালকা হিসাবে নোমানীর পিতার গৃহে অবস্থান করার সময় তার ওপর লোলুপ দৃষ্টি পড়ে এবং বিভিন্ন প্রলোভনের মাধ্যমে অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং এ ঘটনাটি নোমানের বাড়ির লোকজন সহ অন্যান্য আসামীরা জানতে পেরে তারা সকলে নয়নীর ওপর শারীরিক নির্যাতন চালায়। এক পর্যায়ে ১ জুন সোমবার বিকাল ৩টার পরে তারা নয়নীকে হত্যার করে তাদের বাড়ির দোতলায় একটি সিলিং ফানের সাথে ওড়না দিয়ে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে আবার তারাই ফাঁসি থেকে নামিয়ে রাখে। রাত ১১টার দিকে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে এবং ২জুন মঙ্গলবার সদর হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায়। ময়না তদন্ত শেষে ২জুন মঙ্গলবার রাত প্রায় আটটার দিকে দূর্লভপুর শেরপুর ভান্ডার বিজিপাড়া গ্রামে দাফন করা হয়।এজাহারে আরো বলা হয়েছে যে, আসামীরা নয়নীকে হত্যা করে নাটকীয়ভাবে অন্যখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে।
উল্লেখ্য যে এ হত্যা ঘটনায় নয়নীর আত্মীয়রা থানায় মামলার উদ্দেশ্যে এজাহার করতে গেলে থানা পুলিশ এজাহার গ্রহন না করে বারবার হয়রানী করে। ঘটনাটি শিবগঞ্জ উপজেলা সচেতন শিক্ষার্থী সমাজ জানতে পেরে ৭জুন রবিার দুপুরে সচেতন শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে ফাইয়াজ রহামান তনয়, আল বশরী সোহান, সাইমুন ইসমালাম সাদাব ও শাহাদাত হোসেন এক টিম ভুক্তভোগীদের বাড়িতে ছুটে যান এবং খোঁজ খবর নেন। তাদের সহযোগিতায় অবশেষে ৮জুন সোমবার সন্ধ্যায় পুলিশ এজাহার জমা নিয়েছে।
এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মতিউর রহমান বলেন সোমবার ৮জুন সন্ধ্যায় মোসা: আকলিমা বেগম একটি এজাহার দিয়েছেন। আমরা এটিকে মামলা হিসাবে রুজু করার পর তদন্ত শেষে আইননুগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।#