1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ৬ বছরে অবিশ্বাস্য ১২ কেজি স্বর্ণ! - দৈনিক সবুজ নগর
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে জিরো টলারেন্স: এসআরবি-৬ এর অভিযানে উদ্ধার ১৪ আগ্নেয়াস্ত্র খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী আরমানের সহযোগী একাধিক হত্যা মামলার আসামি ওসমান পাবনায় গ্রেফতার পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ৬ বছরে অবিশ্বাস্য ১২ কেজি স্বর্ণ! পোরশায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাবলম্বীতায় পোরশায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ সভা গাছের কাঠ পোড়ানো সব ইটভাটা বন্ধ করা হবে: ড. সাইমুম পারভেজ নাচোলে এ-১ স্পোর্টিং ক্লাবের হাতগোলী ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু, সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জনের প্রাণহানি ৫০ থেকে ৫১তম জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত বিএমএসএফ সভাপতি আহমেদ আবু জাফর

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ৬ বছরে অবিশ্বাস্য ১২ কেজি স্বর্ণ!

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে গত ৬ বছরে সর্বমোট ১২ কেজি ১৭৪ গ্রাম স্বর্ণ এবং ১২ কেজি ৬৯০ গ্রাম রুপা জমা পড়েছে। আজ সোমবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমের কাছে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ। তবে দানবাক্সে প্রাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রার গণনার কাজ এখনো চলমান রয়েছে।

এর আগে সকাল পৌনে ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে গত ছয় বছরে দানবাক্সে জমা হওয়া স্বর্ণ, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রার ওজন ও পরিমাণ নির্ধারণসহ গণনার কাজ শুরু হয়। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে গঠিত নয় সদস্যের উপ-কমিটির প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এ বিশাল গণনা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এ কাজে জেলা প্রশাসনের তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ পুলিশ, আনসার, ব্যাংক কর্মকর্তা ও পেশাদার স্বর্ণকারেরা সার্বিক সহযোগিতা করেন। তাছাড়া বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)-এর জেলা শাখার ১০ জন সদস্য স্বর্ণ ও রুপার সূক্ষ্ম ওজন নির্ধারণ ও পরিমাপের কাজ সম্পন্ন করেন।

ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ বাংলাদেশের অন্যতম সুপরিচিত ও অলৌকিক সুখ্যাতিসম্পন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। দেশ ও দেশের বাহিরের বহু দূর-দূরান্ত থেকে ধর্মপ্রাণ মানুষ তাদের মানত পূরণ ও সওয়াবের আশায় এখানে অকাতরে দান করেন। সাধারণত প্রতি তিন মাস পরপর দানবাক্স খোলা হলে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকার পাশাপাশি বিপুল স্বর্ণালংকার, রুপা এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুদ্রা পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০২০ সালের ১১ মার্চ নিলামে বিক্রি করা স্বর্ণের পরিমাণ ছিল ৪১৫ ভরি ১ আনা এবং রুপার পরিমাণ ছিল ১৬৪ ভরি। ঐ নিলামে স্বর্ণ ও রুপা বিক্রি করে মোট ১ কোটি ১৫ লাখ ৪ হাজার ১০০ টাকা মসজিদের তহবিলে যুক্ত হয়। এছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা নগদায়ন করে অতিরিক্ত ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৫১ টাকা পাওয়া গিয়েছিল।

বর্তমানে পাগলা মসজিদের মূল তহবিলে মোট জমা রয়েছে ১৩১ কোটি ৪১ লাখ ৪৪ হাজার ৮১০ টাকা। পাশাপাশি মসজিদের প্রাতিষ্ঠানিক নিজস্ব ওয়েবসাইট চালু হওয়ার পর থেকে অনলাইনে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অনুদান জমা হয়েছে ৩৯ লাখ ৩২ হাজার ১০৬ টাকা।

গণনা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও তদারকিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জেসমিন আক্তার এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদসহ জেলা প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট