1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
নওগাঁর মান্দায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েও আল্লাহর রহমতে প্রাণে বাঁচল শিশু শিক্ষার্থী মুনমুন - দৈনিক সবুজ নগর
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
শিবগঞ্জে গরুবোঝাই ভটভটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে, আহত ৮ পত্নীতলায় বিষ প্রয়োগে ২ একর জমির ধান নষ্টের অভিযোগ, ১ লাখ টাকা দাবি নওগাঁর আত্রাইয়ে অন্যের ভিটায় জরাজীর্ণ ঘরে দিন কাটছে অসহায় সাদ্দামের দুর্গাপূজার মণ্ডপে মণ্ডপে এমপি মিলন, দিলেন পাশে থাকার আশ্বাস প্রতিপক্ষের হামলায় পোরশায় প্রাণ গেল সেলিম রেজার একাত্তরে যারা ধোঁকা দিয়েছিল, তারা চব্বিশেও ধোঁকা দিয়েছে’: রাজশাহীর জনসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঐতিহ্য ধরে রাখতে সবাইকে মিলেমিশে থাকতে হবে’: বাঘায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব রথীন্দ্রনাথ দত্ত ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে চাই’: রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত বাগমারার আনোয়ারের দাফন সম্পন্ন, এলাকায় শোকের ছায়া প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফর: সংশ্লিষ্ট সবাইকে রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনের ধন্যবাদ

নওগাঁর মান্দায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েও আল্লাহর রহমতে প্রাণে বাঁচল শিশু শিক্ষার্থী মুনমুন

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৩০০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

আল আমিন স্বাধীন, মান্দা, নওগাঁ…………………………………………………….

আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৮টা। নওগাঁর মান্দা উপজেলার বড়পই সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তখন পর্যন্ত কেউ আসেননি। শ্রেণী কক্ষ খোলা না থাকায় রোকেয়া ভবনের বারান্দার গ্রিল ধরে একাই দাঁড়িয়ে ছিল দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী মুনমুন (৭)। অপেক্ষা করছিল শিক্ষক ও সহপাঠীদের জন্য।

এর কিছু পরে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করেন প্রধান শিক্ষক আমিনা পারভীন। এসময় বিদ্যালয় মাঠে দাঁড়িয়ে থাকা প্রতিবেশী জাহানারা বেগম নামের এক নারী এগিয়ে আসেন। কুশল বিনিময় করেন প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে।

পরে তাঁরা দুজনেই শিক্ষক রুমের তালা খুলে ভেতরে যান। ওই নারীর সহায়তায় ঘর ঝাঁড়– দিয়ে শিক্ষকদের কক্ষে থাকা বিদ্যুতের মেইন সুইস অন করেন প্রধান শিক্ষক আমিনা পারভীন। সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার দিয়ে রোকেয়া ভবনের বারান্দার গ্রিল থেকে অন্তত ৬-৭ ফিট দুরে ছিটকে পড়ে শিক্ষার্থী মুনমুন।

শিশুটির চিৎকার শুনে প্রধান শিক্ষক ও প্রতিবেশী ওই নারী ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা দেখেন জ্ঞান হারিয়ে শিশুটি মাটিতে পড়ে আছে। সেখান থেকে উদ্ধার করে শিক্ষকদের রুমে নিয়ে শিশুটির জ্ঞান ফেরানো চেষ্টা করা হয়। জ্ঞান ফিরলে শিশু মুনমুনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনা পারভীন বলেন, বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন থেকে খোলা তার দিয়ে রোকেয়া ভবনে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া আছে। সেই তার কেটে ওই ভবনের দরজার গ্রিলে সেটি জড়িয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। বিদ্যুতের মেইন সুইস অন করার সঙ্গে সঙ্গে ওই ভবনের পুরো বারান্দা বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়। এতে শিক্ষার্থী মুনমুন বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জান্নাতুন ফেরদৌস বলেন, বিদ্যুতের মেইন সুইস বন্ধ ও শিক্ষার্থী উপস্থিতি কম থাকায় বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। এটি পরিকল্পিত বলেও দাবি করে তিনি।

শিক্ষার্থী অভিভাবক সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এতে স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি করছি।’

জানতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল বাশার শাসমুজ্জামান বলেন, বিষয়টি জানার পর সংশ্লিষ্ট ক্লাষ্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বিদ্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে তিনি সভা করবেন। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট