1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
​নাম, পরিচয় ও কর্মের দায়বদ্ধতা: একটি বহুমাত্রিক বিশ্লেষণ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তায় র‍্যাব-৬ এর মোতায়েন  যারা জীবনবাজি রেখে গণতন্ত্র, বহু দলীয় গণতন্ত্র এবং পার্লামেন্টরী গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিল তাদের সম্মুখ সারিতে ছিলেন ফজলুল হক মিলন: ড. আব্দুল মঈন খান রূপসায় ধানের শীষের প্রার্থী হেলালের পক্ষে নির্বাচনী গণমিছিল ‎ ‎ রূপসায় ক্বেরাত সম্মেলনে হাফেজদের পাগড়ী প্রদান ইসলামী বই বিতরণ ও দোয়া অনুষ্ঠিত সবার মুখে একই কথা সকল দল দেখা শেষ এবার দাড়িপাল্লার বাংলাদেশ—অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল ঘুষ, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের অস্তিত্ব থাকবে না: শিবগঞ্জে জামায়াত প্রার্থী ড. কেরামত আলী তাহেরপুর পৌরসভার হাট-বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নকল প্রসাধনীতে সয়লাব রূপসায় তুচ্ছ ঘটনায় বোরহান হাওলাদার নামের এক দোকানদারকে মারপিট করে আহত করার অভিযোগ কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসরিন রহমান পপির কালীগঞ্জে ধানের শীষের পক্ষে উঠান বৈঠক 

নওগাঁর আত্রাইয়ের  নদ-নদী, খাল-বিলে পানি নেই, চাহিদাও নেই দেশীয় মাছ ধরার যন্ত্রপাতি

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১১ আগস্ট, ২০২৩
  • ২৫৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

# কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধি……………………………………………

 

চলতি ভরা বর্ষা মৌসুমে আষাঢের শুরুতে পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় নওগাঁর আত্রাই উপজেলা সহ বেশকিছু উপজেলার নদ-নদী, খাল-বিলে আশানুরুপ পানি জমেনি। নেই কোন স্রোতধারাও, ফলে বাজারে মাছ ধরার জন্য দেশীয় পদ্ধতিতে বাঁশের তৈরি বিভিন্ন ধরনের ফাঁদ ও চাই বা খলসানি ক্রয়-বিক্রয়ে নেই তেমন সাড়া। এ ছাড়া এসব মাছ ধরার যন্ত্র তৈরিতে ব্যবহারকৃত বাঁশ সুতাসহ প্রয়োজনীয় উপবরণের মূ্ল্য বেশি হওয়ার কারণেও ক্রেতারা কিনছে সীমিত পরিমানে এতে করে হতাশায় পড়ছে বাজারে নিয়ে আসা এসব যত্রের বিক্রেতারা।

 

উপজেলার আহসানগঞ্জ, সমসপাড়া, মির্জাপুর বাজারসহ কয়েকটি বাজারের আহসানগঞ্জ হাটের কয়েকজন বিক্রেতা উপজেলার জয়সাড়া গ্রামের ইয়াসিন আলী, ইয়াকুব আলীর সাথে কথা বলে এমন তথ্য জানান তারা। বগুড়া জেলার একজন কুন্দগ্রামের ক্রেতা সামসুদ্দিনএর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আগে বর্ষার শুরুতে আকাশের পানিতে নদ-নদী, খাল-বিলে পানি থৈ থৈ করত। আর শ্রোতের বিপরীতে দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন প্রকার মাছ দেখা যেত। বাজারে দেশিয় তৈরি এসব যন্ত্র কেনার ধুম পড়ে যেত। হাট-বারের দিন ছাড়াও তাড়া বাড়ী থেকে গিয়ে কিনে নিয়ে আসত। এখন আর সেই দিন নেই।

 

তারা আরো বলেন, বাঁশ, সুতাসহ প্রয়োজনীয় উপকরণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এগুলো আর তৈরি হয় না। বিত্রেতারা জানান, মাছ ধরার চাই বা খলসানী এসব দেশি যন্ত্রের এলাকা ভেদে বিভিন্ন নাম রয়েছে এবং খুচরা বিক্রি ও আলাদা আলাদা, বর্তমানে বাজারে প্রতিটি ভরং তিন শত পঞ্চাশ টাকা, খলসা চারশত টেপা দুই শত পঞ্চাশ টাকা,পলাই একশত পঞ্চাশ টাকা,বৃত্তি একশত সত্তর টাকা, ক্যাসেট আশি টাকা, দিরু দুইশত বিশ টাকা ও খলসানী দুই শত পঞ্চাশ টাকা দরে বিক্রি করছেন। তবে বাজারে এসব মাছ ধরার যন্ত্রের চাহিদা কম হলেও আকাশের পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হলেই এগুলোর চাহিদা বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন তারা।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট