1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
তানোরে কৃষকের পকেট কাটছে বিএমডিএ ! - দৈনিক সবুজ নগর
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে জিরো টলারেন্স: এসআরবি-৬ এর অভিযানে উদ্ধার ১৪ আগ্নেয়াস্ত্র খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী আরমানের সহযোগী একাধিক হত্যা মামলার আসামি ওসমান পাবনায় গ্রেফতার পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ৬ বছরে অবিশ্বাস্য ১২ কেজি স্বর্ণ! পোরশায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাবলম্বীতায় পোরশায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ সভা গাছের কাঠ পোড়ানো সব ইটভাটা বন্ধ করা হবে: ড. সাইমুম পারভেজ নাচোলে এ-১ স্পোর্টিং ক্লাবের হাতগোলী ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু, সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জনের প্রাণহানি ৫০ থেকে ৫১তম জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত বিএমএসএফ সভাপতি আহমেদ আবু জাফর

তানোরে কৃষকের পকেট কাটছে বিএমডিএ !

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৪
  • ২৭১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ মোঃ মমিনুল ইসলাম মুন বিশেষ প্রতিনিধি: রাজশাহীর তানোরে কৃষকের পকেট কাটছে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)। বিএমডিএর গভীর নলকুপ অপারেটরের আবেদন ফরম উত্তোলনে এক হাজার টাকা করে (অফেরতযোগ্য) নেয়া হচ্ছে।এতে বরেন্দ্র অঞ্চলে ফরম বিক্রি করেই কৃষকের কাছে থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বিএমডিএ। এ ঘটনায় দীর্ঘদিন পর কৃষিবান্ধব এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে কৃষকদের মাঝে মিশ্রপ্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে, উঠেছে সমালোচনার ঝড়।

জানা গেছে, উপজেলায় বিএমডিএ’র ৫৩৬টি ও ব্যক্তিমালিকানা ১৬টি মোট ৫৫২টি গভীর নলকুপ রয়েছে। একেকটি গভীর নলকুপের বিপরীতে যদি গড়ে ৪টি করে ফরম উত্তোলন হয়। তাহলে সেই হিসেবে ৫৩৬টি গভীর নলকুপের বিপরীতে ২ হাজার ২২৪টি ফরম উত্তোলন করা হয়েছে। ফরম প্রতি এক হাজার টাকা হিসেবে ২২ লাখ ২৪ হাজার টাকা কৃষকের পকেট থেকে বেরিয়ে গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মেকানিক বলেন,,এক উপজেলাতেই শুধুমাত্র ফরম বিক্রি করেই এতো বিপুল পরিমাণ টাকার অবৈধ বাণিজ্যে করা হচ্ছে। যা সম্পুর্ণ বেআইনি, দুঃখজনক ও অমানবিক। কৃষকের স্বার্থে গভীর নলকুপ। কাজেই স্কীমভুক্ত কৃষকের মতামতের ভিত্তিতে অপারেটর নিয়োগ ও সমিতির মাধ্যমে পরিচালনা করা হলেই তো অপারেটর নিয়োগে কোনো সমস্যা হয় না, এভাবে কৃষকের পকেট কাটাও লাগে না। যাকে অপারেটর নিয়োগ দেয়া হবে কেবলমাত্র তার কাছে থেকেই জামানত ও ফরমের দাম নেয়া যেতে পারে। আর আবেদন করতে ফরমের জন্য ফেরতযোগ্য টাকা নেয়া যেতেই পারে।

এদিকে ফরম বাণিজ্যের পাশাপাশি অপারেটর নিয়োগ নিয়ে জম্পেশ তদ্বির বাণিজ্যে শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক নেতাদের পাশাপাশি বিএমডিএর একশ্রেণীর কর্মকর্তা তদ্বির বাণিজ্যে সম্পৃক্ত হয়েছে বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে বিএমডিএ তানোর জোনের সহকারী প্রকৌশলী জামিনুর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত তাদের প্রায় ১৬০০ ফরম বিক্রি হয়েছে। তিনি বলেন, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে অপারেটর নিয়োগ করা হবে, তদ্বিরের প্রশ্নই আসে না।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট