নিজস্ব প্রতিবেদক, ঠাকুরগাঁও।।
ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলাধীন গড়েয়া হাটের মো:নুরু-এর ছেলে অল্পশিক্ষিত মিজানুর রহমান(২৬)কসমেটিকস দোকানের সামন্য বেতনের কর্মচারী হয়ে রাতারাতি লাখপতি।”বৈষম্যেবিরোধী ছাএ আন্দোলন, ঠাকুরগাঁও- এর নামে এবং ভুয়া সমন্বয়ক পরিচয়ে ঠাকুরগাঁও সদরসহ একাধিক উপজেলা,ইউনিয়নের রাজনৈতিক নেতাকর্মী থেকে শুরু করে বিভিন্ন ব্যবসায়িক মহলকে ছাএ হত্যার আসামী হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানোর ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি করার অভিযোগ উঠেছে।
এলাকার অল্পবয়স্ক স্কুল পড়ুয়া কিশোরদের সাথে নিয়ে এবং পুলিশের সাথে আঁতাত করে ঠাকুরগাঁও এ ছড়াচ্ছেন গ্রেপ্তার আতঙ্ক।যেন মিজানেই এখন-“ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসন”!! ‘ডেভিল হান্টের’ নামে ১৫ ই মার্চ ২০২৪,গড়েয়া মুন্সি পাড়ার ওমর ফারুক নামে এক গরু ব্যবসায়ীকে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দিয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার দরকষাকষির বিনিময়ে ছাড়িয়ে আনে মিজান নামে ওই কথিত সমন্বয়ক। অতীতে শিবির কর্মী হিসেবে সনদ বহন করলেও মাঝে- মাঝে তাকে দেখা যেত বিএনপি-র রাজনৈতিক ব্যানারে।
গত বছর ২৮ অক্টোবর ২০২৩ নয়া পল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশ কে কেন্দ্র করে তার ছিলো সরব উপস্থিতি। ১৭ জুলাই ২০২৪ “বৈষম্যবিরোধী ছাএ আন্দোলন ঠাকুরগাঁও এর অফিশিয়াল পেজটি ওপেন হলেও খোলস পাল্টানো মিজান পেজটিতে জয়েন হোন ৫ ই আগস্ট স্বৈরাচারী সরকার বিদায়ের আরো ১ মাস পর ২১সেপ্টম্বর ২০২৪।মিজানের কৌশলী সুযোগ সন্ধানী আচরণেই বলে দেই তার বর্তমান অসৎ তৎপরতা, যা এখন জনভোগান্তী ও আতঙ্কে পরিনত হয়েছে।
এলাকাবাসী ভুয়া সমন্বয়ক মিজান আর তার অন্যতম সহযোগিদের অনতিবিলম্বে গ্রেফতারের দাবী জানিয়েছেন। আশা করি এই রকম সুবিধাবাদীদের প্রশাসন কঠোর হাতেই দমন এবং শাস্তির ব্যবস্থা করবে।#