1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
ট্রেনের পাশে দাড়িয়ে সেলফি তুলতে গিয়ে প্রাণ হারালো শাওন - দৈনিক সবুজ নগর
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
“ইরানকে সাহায্য করলে চীন-রাশিয়ার অনেক কিছু হারানোর আছে”: ট্রাম্প কেমিক্যাল ও কাপড়ের রঙ দিয়ে তৈরি হচ্ছিল গুড়: বাঘায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, সচেতন মহলের ক্ষোভ নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন নিশ্চিতে গোদাগাড়ীতে ডাসকো ফাউন্ডেশনের গণতান্ত্রিক সংলাপ অনুষ্ঠিত পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম জোরদারে রাসিকের মতবিনিময় সভা নাচোলে দুই ইউপি চেয়ারম্যানের বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার, গণসংবর্ধনা দিল বিএনপি দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাসিকে পরিচ্ছন্ন বিভাগের সঙ্গে প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ায় প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ছাত্রদলের দুই গ্রুপে হাতাহাতি, সাংবাদিকদের মারধর ও মোবাইল ছিনতাই বিনা নোটিশে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন: শিবগঞ্জে পল্লী বিদ্যুৎ ডিজিএমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন একদিন পরই শারদীয় দুর্গোৎসব: বাঘার ৪৭ মণ্ডপে প্রতিমা পৌঁছে দিতে চরম ব্যস্ততা ক্লাস চলাকালীন কোচিং সেন্টার বন্ধের নির্দেশ রাজশাহী জেলা প্রশাসনের

ট্রেনের পাশে দাড়িয়ে সেলফি তুলতে গিয়ে প্রাণ হারালো শাওন

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ৩১৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

# বিশেষ প্রতিনিধি…………………………………………..

ট্রেনের সাথে সেলফি তুলতে গিয়ে সুদীপ্ত হালদার শাওন নামের এসএসসি এক পরীক্ষার্থী মারা গেছে। সে রাজশাহীর আড়ানী পৌরসভার চকসিংগা মহল্লার শুকুমার হালদারের ছেলে। সোমবার (৩০ জানুয়ারী) আড়ানী শ্মশানে তাকে দাহ করা হয়েছে। আগের দিন রোববার রাতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎধীন অবস্থায় মারা যায় সুদীপ্ত হালদার শাওন।

 

পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, আগামী এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে অংশ নেওয়ার কথা ছিল তার। উপজেলার আড়ানী সরকারি মনোমোহীনি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিল সুদীপ্ত হালদার শাওন। জানা যায়, রোববার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে মামার বিয়ের দাওয়াত খেয়ে আবদুলপুরের তারাপুর গ্রাম থেকে করিমপুর রেলগেটে আসে। এ সময় পঞ্চগড় থেকে ছেড়ে আসা রাজশাহীগামী বাংলাবান্দা চলন্ত ট্রেনের পাশে দাঁড়িয়ে সেলফি তোলার সময়ে ট্রেনের ধাক্কায় পড়ে গুরুতর আহত হয়।

 

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে সুদীপ্ত হালদার শাওনের বাবা শুকুমার হালদার বলেন, স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়ার পর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই মারা যায়। মা শান্তনা হালদার বলেন, আমার ভাই সেতু কুমার হালদারের বিয়ের দাওয়াতে গিয়েছিলেন একসঙ্গে। ফেরার কথা ছিল একসঙ্গেই। কিন্তু সেখানে তাদের রেখে ফোনের ইন্টারনেটের প্যাকেজ কিনবে বলে করিমপুর রেলগেটে যায়। পরে আর একসঙ্গে বাড়ি ফেরা হয়নি। আব্দুলপুর পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক হীরেন্দ্রনাথ সরকার জানান, রাজশাহীতে ছিলাম। মৃত্যুর বিষয়টি জানেন না। #

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট