1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার খাদ্য কর্মকর্তা জান মোহাম্মদের বিরুদ্ধে  দুর্নীতির অভিযোগ - দৈনিক সবুজ নগর
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
সাইবার আইনে সাংবাদিকদের হয়রানি করা হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশে ব্যাপক রদবদল পুজোর আগেই উধাও হবে মেচেতা! জেনে নিন ত্বকের দাগছোপ মোছার আধুনিক থেরাপি নওগাঁর পত্নীতলায় দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে শ্রমিক দলের বিক্ষোভ সমাবেশ আড়ানি পৌরসভায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির জোরদার বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলামের প্রয়াণে এমপি মিলনের শোক প্রকাশ খুলনা আর্ট একাডেমির ঐতিহ্য সংগ্রহশালা পরিদর্শনে ঝালকাঠির অতিথিরা স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে পোরশায় বিএনপির আলোচনা সভা রূপসায় ভূমিদস্যু ও মামলাবাজদের কবল থেকে রক্ষা পেতে সেনা সদস্যের সংবাদ সম্মেলন রাসিকে জাতীয় নগর নীতি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর সেবা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার খাদ্য কর্মকর্তা জান মোহাম্মদের বিরুদ্ধে  দুর্নীতির অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৩ মে, ২০২৫
  • ১৭৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ মোঃ নাসিম আলী,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক জান মোহাম্মদের দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত পহেলা মে জান মোহাম্মদকে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় বদলি এবং শিবগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আতাউর রহমানকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় দায়িত্ব গ্রহণের আদেশ দেন খাদ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মনিরুল ইসলাম। বদলির আদেশ পাওয়ার পরও জান মোহাম্মদ আতাউর কে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে গড়িমসি করলে পরে ৭ মে আতাউর রহমান দায়িত্ব বুঝে নেন। ৯ মে শুক্রবার ছুটির দিনেও জান মোহাম্মদ তার দুর্নীতির তথ্য মুছে ফেলার জন্য আমনুরা খাদ্য গুদাম থেকে নথিপত্র নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে বাধা দেন এবং বিষয়টি জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসার মোহন আহম্মেদ কে জানান আমনুরা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেশমা ইয়াসমিন। এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসার।কমিটির প্রতিবেদনে জানা গেছে বদলির পরও সংরক্ষিত খাদ্য গুদামে তার অবৈধভাবে প্রবেশ সহ অফিসের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা এবং রেশমা ইয়াসমিনকে লাঞ্ছিত করার প্রমাণ পাওয়া গেছে। সদ্য যোগদানকৃত জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসার মোহন আহম্মেদ জেলার ওএমএস ডিলারদের দোকান পরিদর্শন করে দেখেন স্টেনসিল মার্ক ছাড়াই গুদাম থেকে চালের বস্তা সরবরাহ করেছে অথচ চালের বস্তায় স্টেনসিল মার্ক দেওয়া বাধ্যতামূলক। বস্তায় স্টেনসিল মার্ক না দিয়েই ৮৫ হাজার টাকা শ্রমিক বিল তুলে নেওয়া হয়। এ নিয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ব্যাখ্যা তলব করে এর সঠিক জবাব দিতে বলেন। আরো জানা যায় স্টেনসিল মার্ক না দিয়েও প্রতি মাসেই প্রায় ৯০ হাজার টাকা শ্রমিক বিল অনুমোদন করতেন জান মোহাম্মদ। মিল মালিকরা বলেন ধান- চাল কেনা বাবদ জান মোহাম্মদের কথা বলে টনপ্রতি আমাদের কাছ থেকে ২০০ টাকা করে আদায় করতেন। এছাড়াও ডিও ছাড়ের সময় ২০০ টাকা, জিএস দেখিয়ে ওজনে কারসাজি,বস্তা সরবরাহকারী ঠিকাদারদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়া সহ একাধিক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে জানার জন্য জেলার সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জান মোহাম্মদকে তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট