1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
খুলনায় খালিশপুর-দৌলতপুর জুটমিল যৌথ কারখানা কমিটির গেট সমাবেশ - দৈনিক সবুজ নগর
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
টাঙ্গাইলের সখীপুরে মাটির নিচে ‘ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ’ লেখা ১২টি গ্রেনেড উদ্ধার হাটের ইজারা নিয়ে বিরোধে পাবনায় গুলিতে শ্রমিক দল নেতাসহ নিহত ২ শ্যামনগরে জলবায়ু শিক্ষা ও আদিবাসী অধিকার বিষয়ক সচেতনতামূলক সেশন ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে স্বচ্ছতার উদ্যোগ, দুর্নীতি রোধে একসঙ্গে কাজ করছেন চেয়ারম্যান-রেজিস্ট্রার পোরশায় উপজেলা যুবদলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত, তৃণমূল শক্তিশালী করার আহ্বান মির্জাপুরে নীলসাগর এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত, উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল বন্ধ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন: বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ সম্পন্ন, চলছে গণনা শিবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযান: ৫০ পিস ইয়াবা ও ৯৮ বোতল ইস্কাফ সিরাপসহ আটক ২ শিবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দরে পণ্য রপ্তানি বন্ধ করল ভারত বাঘায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও হাত ধোয়া প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

খুলনায় খালিশপুর-দৌলতপুর জুটমিল যৌথ কারখানা কমিটির গেট সমাবেশ

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৩০২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মোঃ আলফাত হোসেন,  খুলনা থেকে……………………………………………..

খালিশপুর গোলচত্বরে শ্রমিকদের গেট সমাবেশে বক্তারা পাটকল চালু ও বকেয়া পরিশোধ করুন, নতুবা শ্রমিকদের রক্তে রঞ্জিত হবে রাজপথ খালিশপুর জুটমিল, দৌলতপুর জুটমিলসহ পাঁচটি পাটকলের শ্রমিকদের ২০১৫ সালের মজুরী কমিশনের এরিয়ারের টাকা, নোটিশ পে বাবদ ২ মাস/৮ সপ্তাহের বেসিকের সমান মজুরী প্রদান, রাষ্ট্রীয় পাটকল রাষ্ট্রীয়ভাবে চালু করোনাকালীন সময়ে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সুবিধাদি প্রদান, ২০২০ সালের নতুন দুটি উৎসব বোনাসের সকল পাওনা প্রদান এবং রাষ্ট্রীয় পাটকল রাষ্ট্রীয়ভাবে চালুর দাবিতে খালিশপুর-দৌলতপুর জুটমিল যৌথ কারখানা কমিটির উদ্যোগে আজ ১৩ অক্টোবর শুক্রবার বিকেল ৪টায় খালিশপুর গোলচত্বরে গেট সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও সিবিএ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মনির হোসেন মনি এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির। বক্তব্য রাখেন, দৌলতপুর জুটমিল কারখানা কমিটির সভাপিত নূর মোহাম্মদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোফাজ্জেল হোসেন, বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ কেন্দ্রীয় সদস্য মো. মোজাম্মেল হক খান, গণসংহতি আন্দোলন খুলনা জেলা আহবায়ক মুনীর চৌধুরী সোহেল, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ খুলনা জেলা সদস্য সচিব কোহিনুর আক্তার কণা, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আল আমিন শেখ, প্লাটিনাম জুটমিল শ্রমিকনেতা নূরুল ইসলাম, ক্রিসেন্ট জুটমিল শ্রমিকনেতা মোঃ মোশারেফ হোসেন।

সমাবেশে শ্রমিক নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার, রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন বিশেষ সংস্থা, পুলিশ প্রশাসন দ্বারা আমাদের নানাভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে লাভ নেই। রাষ্ট্রীয় মালিক আমাদের শ্রম শোষণের ক্ষমতা রাখে, রক্ত চুষে নেওয়ার ক্ষমতা রাখে। তবে আমাদের ন্যায়সঙ্গত পারিশ্রমিক অন্যায়ভাবে লুট করতে চাইলে তা আমরা কোনভাবে বরদাস্ত করবো না। খালিশপুর জুটমিলসহ অন্যান্য ৫টি জুটমিলের শ্রমিকদের সমুদয় টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম চলবে। শুধু তাই নয়, ব্যক্তি মালিকানাধীন কোন নতুন মালিক ও তার কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্ট মিলগেটে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না।

বক্তারা বলেন, ২০২০ সালের জুলাই মাসে পাটকল বন্ধ ঘোষণা করে সরকার প্রধান বলেছেন, আমরা পাটকল বন্ধ করিনি, আমরা উৎপাদন বন্ধ করেছি। সকল শ্রমিকদের ২ মাসের মধ্যে বকেয়া বেতন প্রদান করতে হবে এবং ৩ মাসের মধ্যে উৎপাদন চালু করা হবে। অথচ দীর্ঘ ৩৮ মাস অতিবাহিত হবার পরও পাটকলের উৎপাদন চালু করেনি এবং ২৬টি পাটকলের শ্রমিকদের বকেয়া আংশিক প্রদান করা হলেও আমাদের ৫টি পাটকলের কোন শ্রমিককে একটি টাকাও প্রদান করেনি।

বক্তারা বলেন, বর্তমান অবস্থায় আমরা দেখছি, সরকার বিভিন্ন সময়ে লুটেরা পুজিঁপতিদের লিজ বা ভাড়াভিত্তিক পাটকল হস্তান্তর করছেন। দেশের সম্পদ, জনগণের সম্পদ ও রাষ্ট্রের সম্পদ সরকার যদি লুটেরাদের কাছে একপ্রকারে বিক্রি করে দেয় তাহলে তাদের জবানি কোথায় থাকে?

সমাবেশে বক্তারা আরো বলেন, সরকার আমাদের রাস্তায় শুধু ফেলেই দেয়নি। আমাদের পরিবারকেও রাস্তার পিচের সাথে পিশে দেয়া হয়েছে। ছেলেমেয়েদের কান্না, পরিবার-পরিজনের কান্না আমরা অভিভাবক হয়ে আর সহ্য করতে পারছি না। চিকিৎসা বঞ্চিত বৃদ্ধ পিতামাতার অসহ্য যন্ত্রণা আর আর্তনাদ আমাদের নির্বাক করে দেয়।

বাজারে আগুন লেগেছে উল্লেখ করে নেতৃবৃন্দ বলেন, বাজারে এখন আর সাচ্ছন্দে বাজার করার উপায় নেই। বাজারে গেলেই আগুনে দগ্ধ হবার মত অবস্থায় পরিণত হয়েছে। আমাদের মত মানুষের ন্যুনতম ৩০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা লাগে বাজার করতে। সেই টাকাইবা আমরা পাবো কোথায়? তার ওপর ৩৮ মাস বেতন পাই না। তবে সরকারকে আমরা বলতে চাই, আমাদের হারাবার কিছু নেই, আমাদের সম্পদ নেই, আমাদের গাড়ি নেই, আমাদের বাড়ি নেই। সরকারকে স্মরণ করে দিতে চাই, আমাদের মুষ্ঠিবদ্ধ হাত আছে, আমাদের শক্তি আছে, একতাবদ্ধ হাজার হাজার শ্রমিক আছে।

এ শ্রমিক একতার, এ শ্রমিক লড়াই-সংগ্রামের। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে পাটকল চালুসহ সকল দাবি অবিলম্বে মেনে নিন, নতুবা সকল শ্রমিককে রাজপথে নামানো হবে, রক্তে রঞ্জিত হবে রাজপথ। সমাবেশ শেষে শ্রমিক নেতৃবৃন্দ খুলনা সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্গত ৭,৮,১১,১২ ও ১৩নং ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত কাউন্সিলরা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তাদের সকলকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট