1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
শিবগঞ্জে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, রাজশাহী সিটি ইউনিটের উদ্যোগে কর্মশালা সিরাক বাংলাদেশ এর উদ্যোগে রাজশাহীতে নগর জলবায়ু ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অ্যাডভোকেসি সভা সচেতনতা বৃদ্ধি বিষয়ে রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে কল্পনা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থার নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ নগর ভবনে Reverse Osmosis  বিশুদ্ধ পানি ব্যবস্থাপনার উদ্বোধন করলেন রাসিক প্রশাসক গুরুদাসপুর ও বড়াইগ্রাম এলাকা হতে লালপুরে ইয়াবা সাপ্লাই দিতে এসে ৭০ পিস ইয়াবা সহ আটক-২ ফ্যামিলি কার্ড সবাই পাবে-বাঘায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ অনুষ্ঠানে এমপি চাঁদ ‎মির্জাপুর দেওহাটা আলহাজ্ব জোনাব আলী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় আয়োজিত আন্ত: শ্রেণি ফুটবল ও হ্যান্ডবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে কোর্ট দলিল লেখক সমিতির নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময়

সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যায় ২০ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত : ইউনিসেফ

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২২ জুন, ২০২৪
  • ১৯৬৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সিলেট প্রতিনিধি: সিলেট ও সুনামগঞ্জে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় ২০ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুক্রবার ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব কথা জানানো হয়েছে।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০ লাখ মানুষের মধ্যে ৭ লাখ ৭২ হাজারেরও বেশি শিশু রয়েছে। তাদের জরুরি সহায়তার প্রয়োজন বলে আন্তর্জাতিক এ সংস্থাটি জানিয়েছে।

বিবৃতিতে শেলডন ইয়েট বলেন, বন্যার পানি বৃদ্ধির সময় শিশুরাই সবচেয়ে বেশি অরক্ষিত হয়ে পড়ে। তারা ডুবে মারা যাওয়া,অপুষ্টি ও মারাত্মক পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে।

তিনি বলেন,আমাদের অগ্রাধিকার হলো,শিশুদের নিরাপত্তা ও তাদের মঙ্গল নিশ্চিত করা। বাংলাদেশ সরকার এবং মাঠপর্যায়ের অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় ও অংশীদারত্বে তারা গত পাঁচ দিনে বন্যা কবলিত এলাকায় প্রায় এক লাখ মানুষের মধ্যে নিরাপদ পানি বিতরণ করেছেন। এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকাকালীন তিন হাজারের বেশি ১০ লিটার ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন পানির পাত্র বিতরণ করা হয়েছে।

পরিস্থিতি বিবেচনায় বিভিন্ন গুদাম থেকে জরুরি ভিত্তিতে অতিরিক্ত জরুরি সরঞ্জাম আনা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

বিবৃতিতে বলা হয়,ঈদের ছুটিতে যখন স্কুল বন্ধ ছিল,সিলেট বিভাগে ৮১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে।তাছাড়া ৫০০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। এছাড়াও প্রায় ১৪০টি কমিউনিটি ক্লিনিক বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ইউনিসেফের জরীপে উঠে এসেছে।

ইউনিসেফ জানায়,নদীগুলোর পানি বিপজ্জনক উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে এবং আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে কঠিন এই সময়ে সম্ভাব্য সহিংসতা নিরসনে এবং ট্রমা বা আতঙ্ক কাটিয়ে উঠতে শিশুদের সহযোগিতা করতে শিশু সুরক্ষা সমাজকর্মীরা পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিচ্ছেন বলে সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট