1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যায় ২০ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত : ইউনিসেফ - দৈনিক সবুজ নগর
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা, চিকিৎসাসেবার মান বাড়ানোর নির্দেশবাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা, চিকিৎসাসেবার মান বাড়ানোর নির্দেশ বাগমারায় বারাইন নদীর তীর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য কালীগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত: আলোচনা সভা ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে জমি নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ: আদালতের রায় না হওয়া পর্যন্ত বালু ভরাটে নিষেধাজ্ঞা বাগমারায় জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত: সচেতনতার ওপর জোর তানোরের শিব নদীতে মাছ নেই, জীবিকার তাগিদে শামুক সংগ্রহে মৎস্যজীবীরা পোরশায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত: ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিতপোরশায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত: ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ৭১ মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি, ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা পত্নীতলায় শয়নকক্ষে তল্লাশি চালিয়ে সাড়ে ১২ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে জিরো টলারেন্স: এসআরবি-৬ এর অভিযানে উদ্ধার ১৪ আগ্নেয়াস্ত্র

সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যায় ২০ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত : ইউনিসেফ

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২২ জুন, ২০২৪
  • ২০৭৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সিলেট প্রতিনিধি: সিলেট ও সুনামগঞ্জে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় ২০ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুক্রবার ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব কথা জানানো হয়েছে।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০ লাখ মানুষের মধ্যে ৭ লাখ ৭২ হাজারেরও বেশি শিশু রয়েছে। তাদের জরুরি সহায়তার প্রয়োজন বলে আন্তর্জাতিক এ সংস্থাটি জানিয়েছে।

বিবৃতিতে শেলডন ইয়েট বলেন, বন্যার পানি বৃদ্ধির সময় শিশুরাই সবচেয়ে বেশি অরক্ষিত হয়ে পড়ে। তারা ডুবে মারা যাওয়া,অপুষ্টি ও মারাত্মক পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে।

তিনি বলেন,আমাদের অগ্রাধিকার হলো,শিশুদের নিরাপত্তা ও তাদের মঙ্গল নিশ্চিত করা। বাংলাদেশ সরকার এবং মাঠপর্যায়ের অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় ও অংশীদারত্বে তারা গত পাঁচ দিনে বন্যা কবলিত এলাকায় প্রায় এক লাখ মানুষের মধ্যে নিরাপদ পানি বিতরণ করেছেন। এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকাকালীন তিন হাজারের বেশি ১০ লিটার ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন পানির পাত্র বিতরণ করা হয়েছে।

পরিস্থিতি বিবেচনায় বিভিন্ন গুদাম থেকে জরুরি ভিত্তিতে অতিরিক্ত জরুরি সরঞ্জাম আনা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

বিবৃতিতে বলা হয়,ঈদের ছুটিতে যখন স্কুল বন্ধ ছিল,সিলেট বিভাগে ৮১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে।তাছাড়া ৫০০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। এছাড়াও প্রায় ১৪০টি কমিউনিটি ক্লিনিক বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ইউনিসেফের জরীপে উঠে এসেছে।

ইউনিসেফ জানায়,নদীগুলোর পানি বিপজ্জনক উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে এবং আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে কঠিন এই সময়ে সম্ভাব্য সহিংসতা নিরসনে এবং ট্রমা বা আতঙ্ক কাটিয়ে উঠতে শিশুদের সহযোগিতা করতে শিশু সুরক্ষা সমাজকর্মীরা পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিচ্ছেন বলে সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট